শেখ হাসিনা জাতীয় বার্ন ও প্লাস্টিক সার্জারি ইনস্টিটিউটের আবাসিক সার্জন ডা. মো. তরিকুল ইসলাম বলেন, মধ্যরাতে আশুলিয়া থেকে দগ্ধ অবস্থায় নারীসহ ছয়জনকে আমাদের এখানে নিয়ে আসা হয়। এদের মধ্যে কমলা বেগমের শরীরের ২০ শতাংশ, সাবিনা বেগমের শরীরের ৫০ শতাংশ, সাদিকুল ইসলামের শরীরের ৫০ শতাংশ, হাসেম আলীর শরীরের ৪৫ শতাংশ, নজরুল ইসলামের শরীরের ৪৫ শতাংশ ও মহসিনের শরীরের ১০ শতাংশ দগ্ধ হয়েছে। সবাই জরুরি বিভাগের অবজারভেশনে চিকিৎসাধীন আছেন বলেও জানান তিনি।দগ্ধ সাবিনার স্বামী মোতালেব হোসেন জানান, এই এলাকার শফিকের সেমি পাকা বাড়িতে অনেকেই ভাড়া থাকেন। রাতে কাপড়ের দোকান থেকে বাসায় ফিরছিলাম এই সময় হঠাৎ করে বিকট শব্দ শুনতে পাই। বাসায় গিয়ে দেখি আরো কয়েকটি ঘরে আগুন জ্বলছে এবং প্রচণ্ড ধোয়া বের হচ্ছে। আশেপাশে ভাড়াটিয়াদের সহযোগিতায় আমার স্ত্রীসহ ছয়জনকে বের করে আনা হয়। পরে তাদেরকে স্থানীয় একটি হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হলে সেখান থেকে তাদের শেখ হাসিনা বার্ন ইনস্টিটিউটে পাঠানো হয়।এবিষয়ে ডিইপিজেড ফায়ার সার্ভিসের সিনিয়র স্টেশন অফিসার প্রণব চৌধুরী বলেন, শনিবার রাতে ওই বাসায় রান্নার জন্য চুলা জ্বালাতে গেলে হঠাৎ বিস্ফোরণ ঘটে। পরে আগুন চারদিকে ছড়িয়ে পড়ে। এসময় একাধিক পরিবারের প্রায় ৬ জন দগ্ধ হন। পরে তাদের শেখ হাসিনা বার্ন ইউনিটে পাঠানো হয়। ধারণা করা হচ্ছে গ্যাস সিলিন্ডারের ক্যাপের লিকেজ থেকেই গ্যাস ছড়িয়ে পড়েছিল। রান্নার সময় আগুনের স্পর্শ পেতেই তা নিমিষেই ছড়িয়ে পড়ে বলে এই দুর্ঘটনা ঘটে।
কিউএনবি/অনিমা/১৩ অগাস্ট ২০২৩,/দুপুর ২:২৩