আশুলিয়া (ঢাকা) প্রতিনিধি : আশুলিয়ায় ইসতিয়াক ভূইয়া ইমনকে হত্যার উদ্দেশ্য কুপিয়ে আহতের ঘটনার ১ মাস পার হলেও মূল আসামি সোহাগ মুন্সি ও তার বাহিনীর সদস্যরা রয়েছে ধরাছোঁয়ার বাইরে। তারা প্রকাশ্যে ঘুরে বেড়াচ্ছে বলে অভিযোগ মামলার বাদী মোঃ রাশেদ ভূইয়ার। তার উপরও হামলার আশংকা করছেন তিনি। তবে আসামিদের ধরতে চেষ্টা চালাচ্ছে বলে জানান পুলিশ।জানা যায়, গত ২৭ই জুন রাত ৮.৩০ ঘটিকার দিকে ইশতিয়াক ভূইয়া ইমন(২৩) ও মামা শ্বশুর সোহান মীর (৩৭) রাস্তায় যানজটের কারনে মটরবাইকে নবীনগর যাওয়ার জন্য দক্ষিণ বাইপাইল চাড়ালপাড়া এলাকায় পৌছালে মামলার আসামিগন মোটরসাইকেল থামিয়ে তাদের অকথ্য ভাষায় গালিগালাজ করতে থাকে।
এর প্রতিবাদ করায় আসামিগন ক্ষিপ্ত হয়ে তাদেরকে এলোপাতাড়ি কুপিয়ে ও পিটিয়ে গুরুতর জখম করে। এসময় আসামিগন ইমনের মটরসাইকেল ভাংচুরসহ নগদ ৩০,৫০০টাকা একটি সোনার আংটি ও একটি সোনার ব্যাচলেট ছিনিয়ে নেয়। আহত ইমনকে হাসপাতালে নেওয়ার সময় সোহাগ ও বাহিনী আবার হামলা করে তার মেঝো ভাই আজাহার ভূইয়াকে কুপিয়ে আহত করে। এসময় তাদের ডাক চিৎকারে আশেপাশের লোকজন এগিয়ে আসলে আসামিগন প্রাননাশের হুমকি দিয়ে চলে যায়। খবর পেয়ে বাদী রাশেদ ভূইয়া স্থানীয়দের সহায়তায় আহতদের চিকিৎসার জন্য হাসপাতালে ভর্তি করে। এরপর থানায় একটি মামলা দায়ের করা হয়,মামলা নং- ৮৪,তাং- ২৮/০৬/২৩ ইং। কিন্তু মামলা দায়েরের এক মাস পার হতে চললেও আসামি গ্রেপ্তার না হওয়ায় ক্ষোভ প্রকাশ করেন বাদী মোঃ রাশেদ ভূইয়া।
রাশেদ ভূইয়া বলেন, “এই ঘটনায় পুলিশ এখনও আসামি গ্রেপ্তার করতে পারেনি। ৩জন আসামি জামিনে আছে। মূল আসামিসহ বাকিরা এখনো গ্রেফতার হয়নি। মুল আসামি সোহাগ ও রুবেল আমাদের নানাভাবে হুমকি দিয়ে যাচ্ছে। অথচ আসামিদের বিরুদ্ধে চাঁদাবাজি, ছিনতাই, ধর্ষন,মারামারী,আধিপত্য বিস্তারসহ আরও একাধিক মামলা রয়েছে। তাদেরকে দ্রুত গ্রেপ্তার করা না হলে যেকোন সময় আরও বড় ধরনের অপরাধ ঘটাতে পারে।” তাই তাদেরকে আটক করে উপযুক্ত শাস্তি প্রদানের দাবি জানান তিনি।এবিষয়ে আশুলিয়া থানার উপ-পরিদর্শক (এসআই) মাসুদ আল মামুন বলেন, মামলার তদন্ত চলছে। আসামি একজন আটক ছিলো, ৪জন জামিনে আছে এবং বাকি দুইজন পলাতক রয়েছে। তাদেরকে আটক করতে অভিযান অব্যাহত রয়েছে।
কিউএনবি/অনিমা/২৯ জুলাই ২০২৩,/দুপুর ১২:২৭