আন্তর্জাতিক ডেস্ক : বাসমতী নয়, এমন চাল রপ্তানির উপর সম্প্রতি নিষেধাজ্ঞা জারি করেছে ভারত। আর তাদের এই সিদ্ধান্তে সমস্যায় পড়েছে বহু দেশ। তবে সব থেকে বেশি বেকায়দায় পড়েছেন বিভিন্ন দেশে বসবাসকারী প্রবাসী ভারতীয়রা।
বিশ্ববাজারে চাল রপ্তানি করা দেশগুলোর মধ্যে অন্যতম ভারত। গত সপ্তাহে মোদি সরকার যখন চাল রপ্তানির ওপর নিষেধাজ্ঞা জারি করে তখন বিভিন্ন দেশে হইচই পড়ে যায়। এছাড়া আগে থেকে মজুত থাকা চালের দামও বেড়ে যায় বিভিন্ন দেশে।
এদিকে ভারতীয় চাল কিনতে রীতিমতো হুড়োহুড়ি পড়ে গেছে। উদ্বেগ ছড়িয়েছে প্রবাসী ভারতীয়দের মধ্যেও। যুক্তরাষ্ট্রের বিভিন্ন স্টোরে মজুত থাকা চাল কিনতে ক্রেতাদের দীর্ঘ লাইন লক্ষ্য করা গেছে। এর মধ্যেই প্রকাশ্যে এসেছে টেক্সাসের ডালাস শহরের একটি ভিডিও।
সেখানে চাল সংগ্রহ করতে রীতিমতো উন্মত্ত হয়ে উঠেছে জনতা, যাদের মধ্যে রয়েছেন প্রবাসী ভারতীয়রাও। তারা একে অপরের সঙ্গে ধাক্কাধাক্কি করে, টেনে-হিঁচড়ে চাল সংগ্রহ করছেন। যদিও সেই ভিডিওর সত্যতা যাচাই করা যায়নি।
ভারতীয় সংবাদ সংস্থা এএনআইকে ওয়াশিংটনে বসবাসকারী অরুণা বলেন, সকাল ৯টা থেকে চাল কেনার জন্য বেরিয়েছিলাম। ১০টা দোকান ঘুরেছি। বিকাল ৪টা পর্যন্ত চাল কেনার যুদ্ধ চলে। শেষ পর্যন্ত স্বাভাবিকের থেকে তিন গুণ দামে একটি চালের ব্যাগ হাতে পাই।
মূল্যবৃদ্ধির জেরে ভারতে চালের দাম দিনে দিনে বেড়েই চলেছে। তাই দেশবাসীকে যাতে বেশি দামে চাল কিনে না খেতে হয়, তার জন্যই বাসমতী নয়, এমন চাল রপ্তানির ওপর নিষেধাজ্ঞা দেওয়া হয়েছে। পাশাপাশি দেশীয় ক্রেতাদের কাছে সব রকম চাল যাতে সারা বছর মজুত থাকে, সেই উদ্দেশ্যেও এই সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে বলেই সরকার সূত্রে খবর।
যুক্তরাষ্ট্রের মেরিল্যান্ডের এক পাইকারি বিক্রেতা তরুণ সারদানা। তিনি জানান, ভারতীয় চালের চাহিদা বেড়েছে। আমাদের কাছে প্রতিদিন প্রচুর ফোন আসছে। সপ্তাহান্তে সেই চাহিদা আরও বেড়েছে। সবাই চাল রেখে দেওয়ার কথা বলছে।
কিউএনবি/অনিমা/২৭ জুলাই ২০২৩,/রাত ১১:১৬