বুধবার, ১৪ জানুয়ারী ২০২৬, ১০:৫৫ অপরাহ্ন
শিরোনাম
মামলা থেকে অব্যাহতি পেলেন সাংবাদিক নঈম নিজামসহ ৩ জন গণভোটে ‘হ্যাঁ’ ভোট দিলে তরুণরা বৈষম্যহীন বাংলাদেশ পাবে: আলী রীয়াজ ২০২৬ সালে আসছে যেসব ফোল্ডেবল ফোন ‘বিশ্বকাপে না খেললে বিসিবির কোনো ক্ষতি হবে না’ নেত্রকোণার হাওরাঞ্চলে জাতীয় সংসদ নির্বাচন নিয়ে টেনমিনিটস ব্রিফ মোহনগঞ্জে বসতবাড়িতে হামলা, ভাঙচুর ও লুটপাটের প্রতিবাদে ভুক্তভোগী সুমা আক্তারের সংবাদ সম্মেলন আলাদীপুর ইউনিয়ন বিএনপি’র প্রজন্ম দলের কমিটির উপজেলা কমিটি কর্তৃক অনুমোদন॥ বিজিবি সীমান্তে অভিযান চালিয়ে ৮৮লক্ষ টাকার মাদক আটক॥ নরসিংদীতে যৌথ বাহিনীর অভিযানে অস্ত্র ও মাদকসহ ৭ জন গ্রেপ্তার চৌগাছায় বিএনপির অঙ্গসংগঠনগুলোর সমন্বয় সভা অনুষ্ঠিত

মিয়ানমারের এক স্থানেই মোখায় নিহত কমপক্ষে ৪০০!

Reporter Name
  • Update Time : মঙ্গলবার, ১৬ মে, ২০২৩
  • ৯৩ Time View

আন্তর্জাতিক ডেস্ক : বাংলাদেশে তেমন প্রভাব পড়েনি ঘূর্ণিঝড় মোখার। তবে পার্শ্ববর্তী মিয়ানমারে ব্যাপক ধ্বংসযজ্ঞ চালিয়েছে এটি। পরিস্থিতি এতটাই ভয়াবহ ছিল যে, দেশটির এক এলাকাতেই ৪০০ মানুষের প্রাণহানি ঘটেছে।

স্থানীয়দের বরাত দিয়ে এক প্রতিবেদনে এ তথ্য জানিয়েছে কাতারভিত্তিক সংবাদমাধ্যম আল জাজিরা। 

প্রসঙ্গত, এই অঞ্চলে আঘাত হানা ঘূর্ণিঝড়গুলোর মধ্যে অন্যতম শক্তিশালী ছিল ঘূর্ণিঝড় মোখা। রোববার বাংলাদেশের কক্সবাজার ও মিয়ানমারের রাখাইন রাজ্যের সিতোয়া অঞ্চলে সরাসরি আঘাত হানে এটি।

প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, মিয়ানমারের জাতীয় ঐক্য সরকারের মানবাধিকার বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের উপদেষ্টা ও রোহিঙ্গা অ্যাক্টিভিস্ট অং কিয়া মু সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম টুইটারে লিখেছেন, সিতোয়াতেই ৪০০ লোকের প্রাণহানি ঘটেছে। তিনি একটি ভিডিও শেয়ার করেন, যেখানে দেখা যাচ্ছে ভবনগুলো মাটির সঙ্গে মিশে গেছে।

মিয়ানমারের সেনা কর্তৃপক্ষ সোমবার রাতে রাখাইনকে ‘দুর্যোগপূর্ণ এলাকা’ হিসেবে ঘোষণা করে। সেখানে মোখা ২৫০ কিলোমিটার গতিতে আঘাত হানে। শক্তিশালী ঝড়ের আঘাতে গাছপালা ও টেলিযোগাযোগ টাওয়ারগুলো ভেঙে পড়ে এবং অনেক ভবনের ছাদ উড়ে যায়। মোখার প্রভাবে ১০ থেকে ১৫ ফুট উচ্চতার জলোচ্ছ্বাস হয় এবং ব্যাপক বৃষ্টিপাতে নিচু এলাকাগুলোতে বন্যার সৃষ্টি হয়।

সোমবার জাতিসংঘের মানবাধিক বিষয়ক কর্মকর্তারা জানিয়েছেন, বিভিন্ন সূত্র থেকে জানা যাচ্ছে, সিতোয়াজুড়ে ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে। সেখানে ঝুঁকিপূর্ণ সম্প্রদায়গুলো বিশেষত বাস্তুচ্যুত লোকদের ব্যাপক সহায়তা প্রয়োজন। তাদের সাথে যোগাযোগ ব্যবস্থাও বিচ্ছিন্ন হয়ে গেছে।

উল্লেখ্য, মিয়ানমারের রাখাইন রাজ্য হচ্ছে মূলত রোহিঙ্গা অধ্যুষিত। দেশটির সেনাবাহিনীর বর্বর নির্যাতনের শিকার হয়ে রাজ্যটি থেকে সাড়ে ৭ লাখের বেশি রোহিঙ্গা পালিয়ে বাংলাদেশের কক্সবাজার জেলায় আশ্রয় নিয়েছে।

আল জাজিরা বলছে, রাখাইনে কাজ করা পার্টনার্স রিলিফ ও ডেভেলপমেন্ট নামে একটি বেসরকারি সংস্থা জানিয়েছে, রোহিঙ্গাদের কাছ থেকে তারা জানতে পেরেছেন যে, সিতোয়ায় রোহিঙ্গা ক্যাম্পগুলো প্রায় ধ্বংস হয়ে গেছে। 

আবার কিছু সূত্র দাবি করেছে, সেখানে নিহতের সংখ্যা কয়েক শত।

কিউএনবি/অনিমা/১৬ মে ২০২৩,/বিকাল ৪:৫০

Please Share This Post in Your Social Media

More News Of This Category

আর্কাইভস

January 2025
M T W T F S S
 12345
6789101112
13141516171819
20212223242526
2728293031  
© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত ২০১৫-২০২৬
IT & Technical Supported By:BiswaJit