স্পোর্টস ডেস্ক : জামালের এই জয়ে পয়েন্ট টেবিলে অবশ্য খুব একটা পরিবর্তন হয়নি। নয় ম্যাচে আট জয় নিয়ে শীর্ষেই আছে আবাহনী। তবে সমান জয় এখন শেখ জামালেরও। নেট রান রেটে কিছুটা এগিয়ে থাকায় সবার ওপরে থেকে যাচ্ছে মোসাদ্দেক হোসেনের আবাহনী। ৯ ম্যাচে ১৪ পয়েন্ট নিয়ে তিনে মাশরাফি বিন মর্তুজার লিজেন্ডস অব রূপগঞ্জ।
মিরপুরের উইকেটে টস জিতে শুরুতে ব্যাটিংয়ের সিদ্ধান্ত নেন আবাহনীর অধিনায়ক মোসাদ্দেক হোসেন। ব্যাটিংয়ে নেমে ওপেনার এনামুল হক বিজয় ফিরেছেন ১৫ রানে, মৃত্যুঞ্জয়ের শিকার হয়ে। তবে তাতে তেমন ধাক্কা খায়নি আবাহনী। কারণ আরেক ওপেনার মোহাম্মদ নাইম এবং তিনে নামা জাকের আলী অনিক দুজনেই পেয়েছেন ভালো রানের দেখা।
৪৬ বলে ৫৮ রানের অনবদ্য ইনিংস খেলে নাইম ফেরেন আরিফ আহমেদের বলে। অনিক আউট হন ১১৯ বলে ৭৯ রান করে। এরপর নাজমুল হোসেন শান্তর ২১ ও মোসাদ্দেক হোসেন সৈকতের ২০ রানে ২৫০ রানের সংগ্রহ দাঁড় করায় আবাহনী। নিচের দিকে নেমে ছোটো ছোটো অবদান রেখেছেন দানিশ আজিজ (১৩), মোহাম্মদ সাইফউদ্দিন (১৬) ও তানজিম সাকিব (১২)। এবাদত হোসেন ও মৃত্যুঞ্জয় নেন ২টি করে উইকেট।
চ্যালেঞ্জিং লক্ষ্যে ব্যাট করতে নেমে সৈকত আলী ফেরন মাত্র ২ রানে। তবে সাইফ হাসান এবং ফজলে রাবির দায়িত্বশীল ব্যাটিংয়ে খুব একটা চাপে পড়তে হয়নি ধানমন্ডির দলটিকে। দলীয় ৬৩ রানে ৩৯ রান করে সাইফ হাসান বিদায় নেন ডানিশ আজিজের বলে। রাব্বি ফেরেন ৩৮ রান করে।
চাপের মুখে মূল পার্থক্যটা গড়ে দেন তাওহিদ হৃদয়। তাইবুর রহমানকে নিয়ে গড়েন ৯৮ রানের জুটি গড়েন তিনি। তাতে জয়ের পথেই ছিল শেখ জামাল। তবে শেষদিকে সেটা কিছুটা কঠিন করে দেন রাকিবুল হাসান। জামালের স্কোর ২০০ ছোঁয়ার পর হৃদয় ও মৃত্যুঞ্জয় চৌধুরীকে একই ওভারে সাজঘরে ফেরান এই স্পিনার। তবে খুব একটা বিপদ হয়নি। তাইবুরের অর্ধশতক এবং নুরুল হাসানের দৃঢ়তায় ৪ উইকেট হাতে রেখেই জয়ের বন্দরে পৌঁছে যায় দলটি।
কিউএনবি/আয়শা/১০ এপ্রিল ২০২৩,/রাত ১০:০৮