বুধবার, ১৪ অক্টোবর ২০২৬, ০৭:১৫ অপরাহ্ন
শিরোনাম
হিন্দু, বৌদ্ধ, খ্রিষ্টানসহ ক্ষুদ্র নৃগোষ্ঠীর অধিকার নিশ্চিতে জাতীয় কমিটি গঠনের পরামর্শ রাষ্ট্রপতির বলিউডে অভিষেক ঘটতে যাচ্ছে দক্ষিণী অভিনেত্রী কৃতি শেঠির দেশ গঠনে আপনাদের মতো মানুষের অনেক প্রয়োজন হরমুজ প্রণালি দিয়ে জাহাজ চলাচলে অস্থায়ী চুক্তির পথে ইরান-ওমান পুরো প্রজন্মকে ভয় দেখিয়ে স্তব্ধ করার অপচেষ্টা চলছে: মমতা গ্রাম-শহরে শতভাগ টিকাদান নিশ্চিত করতে হবে: স্বাস্থ্যমন্ত্রী ‘অপারেশন ক্লিন হার্ট’ করা হবে কিনা, যা জানালেন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদের চতুর্থ অধিবেশন বসছে ৯ নভেম্বর ককরোচ পার্টির দুই নেতাকে ৫ দিনের জেল, মোদিকে আবারও ‘কাপুরুষ’ আখ্যা দিপকের ছাত্রলীগের পদের জন্য প্রতিদিন সাদ্দাম-ইনানের পা চাটত সারজিস: রাশেদ

আলোচনায় কাদের সিদ্দিকী ও সুলতান মনসুর

Reporter Name
  • Update Time : সোমবার, ১০ এপ্রিল, ২০২৩
  • ১৪৩ Time View

ডেসন্ক নিউজ : জাতীয় সংসদ নির্বাচনকে সামনে রেখে মিত্র বাড়াতে চায় ক্ষমতাসীন দল আওয়ামী লীগ। মহাজোট ও ১৪ দলীয় জোটের পাশাপাশি এক্ষেত্রে মুক্তিযুদ্ধ ও বঙ্গবন্ধুর আদর্শের প্রতি সম্মান প্রদর্শনের মানসিকতার ছোট-বড় দলগুলোকে গুরুত্ব দিচ্ছে তারা। আবার যেসব দলের শীর্ষ নেতাদের ভাবমূর্তি ভালো, প্রত্যক্ষ বা পরোক্ষভাবে তাদেরও পাশে চায় ক্ষমতাসীনরা। 

এছাড়া আওয়ামী লীগের পরিকল্পনায় আছে স্বাধীনতার সপক্ষের দলের সমন্বয়ে বিরোধীদলীয় শক্তি হিসাবে দাঁড় করানো। এ বিষয়ে রাজনৈতিক মহলে দর কষাকষি চলছে বলেও একাধিক সূত্রে জানা গেছে। সম্প্রতি বঙ্গবীর কাদের সিদ্দিকী বীরউত্তম ও সুলতান মনসুরসহ বেশ কয়েকজনের নাম নানাভাবে আলোচনায় এসেছে। এর আগে কাদের সিদ্দিকী গণভবনে গিয়ে আওয়ামী লীগ সভাপতি প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার সঙ্গে দেখা করার পর তিনি আওয়ামী লীগে ফিরছেন বা ১৪ দলীয় জোটে যোগ দিচ্ছেন-এ নিয়ে আলোচনা শুরু হয়।

অন্যদিকে সুলতান মনসুর ২০১৮ সালের একাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে জাতীয় ঐক্যফ্রন্টের মনোনয়নে ধানের শীষ প্রতীক নিয়ে মৌলভীবাজার-২ আসন থেকে নির্বাচিত হন। বিএনপির অন্য সংসদ-সদস্যরা পদত্যাগ করলেও ছাত্রলীগের সাবেক এই সভাপতি এখনো সংসদে রয়েছেন।

জানা যায়, আওয়ামী লীগের নেতৃত্বে মূলত দুটি জোট ছিল। একটি মহাজোট, যা মূলত নির্বাচনভিত্তিক জোট। আরেকটি ১৪ দলীয় জোট, যা গঠিত হয়েছিল আদর্শিক ঐক্যের ভিত্তিতে। নবম ও দশম জাতীয় সংসদ নির্বাচনে বিজয়ের পরে গঠিত সরকারে ১৪ দলের শরিকরা একাধিক মন্ত্রীসহ সরকারে ছিল। তবে একাদশ সংসদ নির্বাচনে বিজয়ের পর শরিকবিহীন সরকার গঠন করে আওয়ামী লীগ। এরপর থেকেই শরিকদের সঙ্গে দূরত্ব বাড়তে শুরু করে। শরিক নেতাদের নানা সময়ে সরকারের প্রকাশ্যে সমালোচনাও করতে দেখা গেছে। আওয়ামী লীগ ‘একলা পথ’ চলছে বলেও অভিযোগ শরিকদের কারও কারও।

এরই মধ্যে গত বছরের মার্চে ১৪ দলের শরিকদের সঙ্গে বৈঠক করেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। ওই বৈঠকে জোট নেত্রী শেখ হাসিনা জানান, জোট থাকবে এবং আগামী জাতীয় সংসদ নির্বাচনে তারা ঐক্যবদ্ধভাবে অংশ নেবেন। একই সঙ্গে জেলা পর্যায়ে জোটকে আরও শক্তিশালী করতে সমন্বয় কমিটি গঠনের নির্দেশনাও দেন তিনি। এরপর থেকে সাংগঠনিকভাবে ১৪ দলের তৎপরতা বাড়াতে ঘন ঘন বৈঠক করতে দেখা গেছে জোট নেতাদের। ১৪ দলের সমন্বয়ক আমির হোসেন আমুর পক্ষ থেকে জেলায় জেলায় চিঠি দিয়ে শরিকদের নিয়ে বৈঠক করার নির্দেশনা দেওয়া হয়।

আওয়ামী লীগ ও জোট শরিক দলের নেতারা মনে করেন, সামনে জাতীয় নির্বাচন। বিএনপিসহ তাদের শরিকরা নানা কর্মসূচি নিয়ে মাঠে নেমেছে। এই মুহূর্তে ১৪ দলীয় জোটকেও আরও সক্রিয় করতে হবে। নিজেদের কোনো সমস্যা থাকলে তা আলাপ-আলোচনার মাধ্যমে সমাধান করতে হবে। এজন্য সামনে তাদের আরও সক্রিয় হতে হবে। ঐক্যবদ্ধভাবে মাঠে থাকতে হবে।

 

 

কিউএনবি/আয়শা/১০ এপ্রিল ২০২৩,/রাত ৯:০৫

Please Share This Post in Your Social Media

More News Of This Category

আর্কাইভস

October 2026
M T W T F S S
 12345
6789101112
13141516171819
20212223242526
27282930  
© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত ২০১৫-২০২৬
IT & Technical Supported By:BiswaJit