মঙ্গলবার, ০৩ নভেম্বর ২০২৬, ০১:০৮ অপরাহ্ন
শিরোনাম
শাস্তির অপেক্ষায় ম্যান সিটি, হালান্ডের ক্লাব ছাড়ার ইঙ্গিত দিলেন বাবা সত্যিই কি ইরানে পারমাণবিক হামলা চালাতে যাচ্ছেন ট্রাম্প? ফ্রিজার হ্যাক করে খাবার নষ্ট, আতঙ্কে ইউরোপের সুপারমার্কেট আন্দোলনের নামে সহিংসতা, তাদের উদ্দেশ্য ভিন্ন: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী এবার ২২৩ টাকা বাড়িয়ে এলপিজির দাম নির্ধারণ ২০৬০ টাকা বাপাজসের গবেষণা ও প্রশিক্ষণ সম্পাদক হলেন নোবিপ্রবির ইফতেখার হোসাইন মুক্তিযোদ্ধা মানিক পশারীর জানাযা ও দাফনে বাঁধা প্রতিবাদে নওগাঁয় বিক্ষোভ সমাবেশ যোগ্যতা নয়, পরিচয়ই বড়? পাহাড়ের ক্রীড়াঙ্গনে বৈষম্যের অভিযোগ যশোরের  জিআই পণ্য  খেজুর গুড় সংগ্রহ মওসুমের আনুষ্ঠানিক উদ্বোধন সিংহঝুলি আলিম মাদ্রাসার গেট নির্মাণ কাজের উদ্বোধন

রমজানে মহানবী (সা.) যেভাবে দান করতেন

Reporter Name
  • Update Time : বুধবার, ৫ এপ্রিল, ২০২৩
  • ১১৩ Time View

ডেস্ক নিউজ : মানুষের মধ্যে সবচেয়ে বেশি দানশীল ছিলেন প্রিয় নবী (সা.)। সর্বদা মুক্ত হস্তে দরাজ দিলে উজাড় করে দান করতেন সবাইকে। তিনি কাউকে শূন্য হাতে ফিরিয়ে দিতেন না। আর রমজান মাস এলে এই দানশীলতা বহু গুণে বেড়ে যেত।

ইবনে আব্বাস (রা.) থেকে বর্ণিত, তিনি বলেন, ‘রাসুল (সা.) ধন-সম্পদ ব্যয় করার ব্যাপারে সবার চেয়ে বেশি দানশীল ছিলেন। রমজানে জিবরাইল (আ.) যখন তাঁর সঙ্গে সাক্ষাৎ করতেন, তখন তিনি আরো বেশি দান করতেন। রমজান শেষ না হওয়া পর্যন্ত প্রতি রাতেই জিবরাইল (আ.) তাঁর সঙ্গে একবার সাক্ষাৎ করতেন। আর নবী (সা.) তাঁকে কোরআন পড়ে শোনাতেন। জিবরাইল যখন তাঁর সঙ্গে সাক্ষাৎ করতেন তখন তিনি রহমতসহ প্রেরিত বায়ুর চেয়ে বেশি দানশীল হয়ে যেতেন।’ (সহিহ বুখারি, হাদিস : ১৯০২)

‘প্রেরিত বায়ুর চেয়ে বেশি দানশীল ছিলেন’—এ কথার কী অর্থ? মুহাদ্দিসিনে কেরাম এর বিভিন্ন অর্থ করেছেন। এর একটি অর্থ হলো—কখনো কখনো প্রেরিত বায়ু বা বাতাস সবার জন্য কল্যাণ বয়ে আনে না। কারো জন্য হয় উপকারী, আবার কারো জন্য হয় ক্ষতিকর। কিন্তু রাসুল (সা.) গোটা পৃথিবীর জন্য উপকারী প্রেরিত বায়ুর মতো। অর্থাৎ তিনি যেভাবে আর্থিক দান-সদকা করতেন, তেমনি আত্মিক দান-সদকাও করতেন। ধন-সম্পদ খরচ করার পাশাপাশি মানুষকে দ্বিনি ইলম শিক্ষা দান এবং হিদায়াতের বিষয়ে বেশি তৎপর থাকতেন।

দান-সদকা কাদের করা যায়?

দান-সদকার উপযুক্ত পাত্র কে? এমনই এক প্রশ্নের সম্মুখীন হয়েছিলেন প্রিয় নবী (সা.)। এই প্রশ্নের জবাব দিয়েছেন মহান আল্লাহ নিজেই। ইরশাদ হয়েছে—‘লোকেরা আপনাকে জিজ্ঞেস করছে তারা কী ব্যয় করবে? বলে দিন, যে বস্তুই তোমরা ধন-সম্পদ থেকে ব্যয় করবে তা পিতা-মাতা, আত্মীয়-স্বজন, এতিম, মিসকিন ও মুসাফিরদের জন্য ব্যয় করো; এবং তোমরা যে সৎকাজ করো আল্লাহ তা সম্যক অবগত।’ (সুরা : বাকারা, আয়াত : ২১৫)

মুকাতিল (রহ.) বলেন, এই আয়াত হচ্ছে নফল দান সম্বন্ধে। (ইবন আবি হাতেম : ২/৬১৯)

আয়াতের ভাবার্থ হলো—হে নবী, মানুষ আপনাকে খরচ করার পাত্র সম্বন্ধে জিজ্ঞেস করছে। আপনি তাদের বলে দিন, তারা যেন আয়াতে উল্লিখিত শ্রেণির মানুষের মধ্যে খরচ করে-অর্থাৎ নফল দান-সদকা করে।

 

 

কিউএনবি/আয়শা/০৫ এপ্রিল ২০২৩,/রাত ১০:৪৪

Please Share This Post in Your Social Media

More News Of This Category

আর্কাইভস

November 2026
M T W T F S S
 12
3456789
10111213141516
17181920212223
24252627282930
31  
© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত ২০১৫-২০২৬
IT & Technical Supported By:BiswaJit