শুক্রবার, ০৩ জুলাই ২০২৬, ০৩:২৫ অপরাহ্ন
শিরোনাম
সুইডেনে রুশ দূতাবাসে ড্রোন হামলা: রিপোর্ট তীব্র তাপপ্রবাহে নাজেহাল ফ্রান্স, এসি-ফ্যান কিনতে হুড়োহুড়ি-সংঘর্ষ খামেনির জানাজা : ‘রক্তের বদলা’ চাইতে ইরানিদের ঢল নামানোর আহ্বান যুক্তরাষ্ট্রকে পাশ কাটিয়ে ইরানের সঙ্গে আলাদা চুক্তির পথে উপসাগরীয় দেশগুলো! বাদুড়ের স্পর্শই কাল হলো, জলাতঙ্কে প্রাণ গেল ১১ বছরের শিশুর আত্মহত্যার ইচ্ছা ছিল পাইলটের, বেইজিংয়ে আকাশচুম্বী ভবনে বিমান বিধ্বস্ত চীনের সবচেয়ে উঁচু ভবনে উড়োজাহাজ বিধ্বস্ত, মানসিক অবসাদে ভুগছিলেন পাইলট ১০০০ গোলের মাইলফলকের আরও কাছে ক্রিশ্চিয়ানো রোনালদো পাকা পেঁপে কী রাসায়নিকমুক্ত? চেনার সহজ উপায় কানাডায় আন্ডারওয়াটার রোবটিক্স প্রতিযোগিতায় চ্যাম্পিয়ন এমআইএসটির শিক্ষার্থীরা

করোনা থেকেও ভয়ংকর অ্যাডিনো ভাইরাস: ঝুঁকিতে শিশুরা

Reporter Name
  • Update Time : সোমবার, ৬ মার্চ, ২০২৩
  • ৮৬ Time View

লাইফস্টাইল ডেস্ক : তাই আতঙ্কিত না হয়ে নিজের পরিবারকে সুরক্ষিত রাখতে জানুন এ ভাইরাস সম্পর্কে বিস্তারিত। ভারতীয় সংবাদমাধ্যম এবিপি লাইভের এক সাক্ষাৎকারে কলকাতার শিশুরোগ বিশেষজ্ঞ ডা. অপূর্ব ঘোষ এ ভাইরাস নিয়ে কথা বলেছেন। তার মতে, করোনা থেকেও ভয়ংকর অ্যাডিনো ভাইরাস। 

ভাইরাসটি নিয়ে উদ্বেগ প্রকাশ করেছেন কলকাতার শিশুরোগ বিশেষজ্ঞ প্রভাস প্রসূন গিরিও। তিনি জানান, অ্যাডিনোভাইরাস থেকে পেটের অসুখ হয়। সংক্রমণ হতে পারে চোখেও। যাকে চিকিৎসাশাস্ত্রে কঞ্জাঙ্কটিভাইটিস বলা হয়। 

এ ভাইরাসটির বিষয়ে বিস্তারিত না জানার কারণে সাধারণ মানুষ অ্যাডিনোকে সাধারণ ফ্লু আর জ্বর হিসেবেই দেখছে, যা ভয়ংকররূপে ছড়িয়ে পড়ছে। কয়েক দিনের ব্যবধানে তাই প্রাণ হারাচ্ছে হাজার হাজার শিশু।

কলকাতার শিশুরোগ বিশেষজ্ঞ ডা. অপূর্ব ঘোষ জানিয়েছেন, এ রোগে আক্রান্ত হলে শরীরে কী কী লক্ষণ দেখা দিতে পারে–

১। বেশি তাপমাত্রায় জ্বর।
২। শ্বাসনালি ক্ষতিগ্রস্ত হওয়ায় নিশ্বাস নিতে কষ্ট হওয়া।
৩। চোখ লাল হয়ে কঞ্জাকটিভাইটিস হওয়া।
৪। শরীরে অক্সিজেন লেভেল নিচে নেমে যাওয়া।
৫। প্রস্রাব কমে যাওয়া, কখনো প্রস্রাবের সঙ্গে রক্ত যাওয়া।
৬। ডায়রিয়া।
৭। মাথাব্যথা, বমি, কাশি ইত্যাদি।

ডা. অপূর্ব ঘোষ জানান, অ্যাডিনো ভাইরাসের ওষুধ এখনও আবিষ্কার হয়নি। তাই উপসর্গ অনুযায়ী ওষুধ দিচ্ছেন চিকিৎসকরা। সাধারণত পাঁচ বছরের কম বয়সী শিশুরা এ ভাইরাসের শিকার হয়ে মারা যায়।

এ রোগ থেকে দূরে থাকতে মাস্ক পরার ওপর জোর দেন তিনি। কেননা, অ্যাডিনো ভাইরাসও করোনার মতোই লালারস থেকে ছড়ায়। নিয়মিত মাস্ক ব্যবহারের পাশাপাশি যতটা সম্ভব নিজেকে বাইরের ধুলাবালি থেকে দূরে রাখার অভ্যাস করতে হবে।

বাইরে থেকে অফিস বা বাসায় ফেরার পরপরই হাত, পা, মুখ ধোয়ার অভ্যাস রাখতে হবে। বিশেষ করে নাক ভালো করে পরিষ্কার করার অভ্যাস গড়ে তুলতে হবে।

কোনো কারণে শিশুর এ রোগের লক্ষণ দেখা দিলে জ্বর কমাতে প্যারাসিটামল খাওয়াতে পারেন। বমি কমাতে ডোমপেরিডন খাওয়াতে পারেন। শ্বাসকষ্ট কমাতে নাকে স্প্রে ব্যবহার করতে পারেন।

যেকোনো ভাইরাস প্রতিরোধে স্বাস্থ্যসম্মত ডায়েটের বিকল্প নেই। তাই খাবারে রাখুন রঙিন শাকসবজি আর ফলমূল। পান করুন প্রচুর পরিমাণে পানি আর শরীরে রোগ প্রতিরোধক্ষমতা বাড়াতে ভেষজ ওষুধ যেমন: নিম, তুলসী, আদা খাওয়ার প্রবণতা বাড়িয়ে দিন। অ্যাডিনো ভাইরাস প্রতিরোধে গরম মসলার চা খাওয়ার অভ্যাসও গড়ে তুলতে পারেন এ সময়।

সূত্র: এবিপি লাইভ, সংবাদ প্রতিদিন

 

 

কিউএনবি/আয়শা/০৬ মার্চ ২০২৩,/রাত ৮:০৫

Please Share This Post in Your Social Media

More News Of This Category

আর্কাইভস

July 2026
M T W T F S S
 123456
78910111213
14151617181920
21222324252627
282930  
© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত ২০১৫-২০২৬
IT & Technical Supported By:BiswaJit