ডেস্ক নিউজ : শুক্রবার (১০ ফেব্রুয়ারি) পকিস্তানের সংবাদমাধ্যম ডন এ তথ্য জানিয়েছে। প্রতিবেদনে বলা হয়, পাঞ্জাবের শহরাঞ্চলের চেয়ে প্রত্যন্ত এলাকাগুলোতে জ্বালানি সংকট তীব্র। অনেক জ্বালানি স্টেশনে গত এক মাস ধরে তেলের সরবরাহ নেই।
পাঞ্জাবজুড়ে চলমান সংকটের জন্য তেল বিপণন সংস্থাগুলোকে (ওএমসি) দায়ী করেছেন পাকিস্তান পেট্রোলিয়াম ডিলার অ্যাসোসিয়েশন (পিপিডিএ)। তারা বলছেন, বিপণন সংস্থাগুলো চাহিদা অনুযায়ী পর্যাপ্ত তেল সরবরাহ করছে না।
তবে এ অভিযোগ মানতে নারাজ ওএমএসি। তারা জানিয়েছেন, বেশি মুনাফার আশায় কিছু পাম্প মালিক তেল মজুত করে সংকট সৃষ্টি করেছে। এর সঙ্গে সমগ্র ব্যবসায়ীদের কোনো সম্পর্ক নেই। এছাড়া সামনে আরও দাম বাড়ার আশঙ্কা প্রকাশ করেন তারা।
এ বিষয়ে পিপিডিএ’র তথ্য সম্পাদক খাজা আতিফ বলেন, বর্তমানে লাহোরের সাড়ে চারশ পাম্পের মধ্যে ৩০ থেকে ৪০ শতাংশ পাম্পে পেট্রোল নেই। এর জন্য তিনি ওএমসির সরবরাহ বন্ধ করে দেয়াকে দায়ী করেন।
তিনি আরও বলেন, গুজরানওয়ালা, ফয়সালাবাদ, শেখুপরা, সারগোধা, সাহিওয়াল, কাসুর এবং অন্যান্য জেলায় বেশ কয়েকটি পাম্প অনেকদিন ধরে বন্ধ রয়েছে। এতে আতিফ একটি সরকারি আর দুইটি আন্তর্জাতিক কোম্পানি বিরুদ্ধে অভিযোগ তোলেন। তিনি বলেন, সংস্থাগুলো আগে এ জাতীয় কাজের সঙ্গে জড়িত না থাকলেও বর্তমানে এ ধরনের কাজ করছে।
আর বিভিন্ন জ্বালানি ডিপোতে অভিযান চালানো হয়েছে জানিয়ে পাকিস্তানের খনিজসম্পদ মন্ত্রী মুসাদিক মালিক বলেন, পাঞ্জাবের দুই জেলায় ৯০০টিরও বেশি জায়গায় বুধবার অভিযান চালানো হয়েছে। এতে তেল মজুত করার অভিযোগে পেট্রোল পাম্পগুলোকে লক্ষাধিক রুপি জরিমানা করা হয়েছে।
কিউএনবি/আয়শা/১০ ফেব্রুয়ারী ২০২৩/বিকাল ৪:৫৩