জেলা নিরাপদ খাদ্য কর্মকর্তা মোহাম্মদ ফারহান ইসলাম জানান, আমরা মিষ্টির গাদ দিয়ে গুড় তৈরি করা হচ্ছিল এমন খবরের ভিত্তিতে সেই কারখানায় অভিযান চালায়। কিন্তু আমরা পৌঁছার আগেই তারা মিষ্টির গাদ গুলো প্রসেসিং করে ফেলে। সেই কারখানায় গিয়ে দেখা যায়, চিনি পুড়িয়ে খাওয়ার উপযোগী নয় এমন রঙ, হাইড্রোজ ও সেকারিন মিশ্রিত করে ভেজাল খেজুরের গুড় তৈরি করা হচ্ছে। তারা পঁচা মেয়াদোত্তীর্ণ গুড়ে এসব উপাদান ব্যবহার করে খেজুরের গুড় তৈরি করছিল। সেখান থেকে ১২০ কেজি ভেজাল গুড়, ১০০ কেজি ভেজাল তিললাই (কদমা) ও অননুমোদিত রঙ,হাইড্রোজ এবং সেকারিন জব্দ করা হয়েছে। ওই কারখায় এছাড়াও ৩৫ বস্তা চিনি পাওয়া যায়৷
কারখানার মালিক সাদেক মিয়াকে পাওয়া যায়নি, তার স্ত্রী বাহিজা বেগমকে নিরাপদ খাদ্য আইন ২০১৩ <2013> লংঘন করায় এক লাখ টাকা জরিমানা করেন নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট। তিনি আরও জানান, ওই কারখানা থেকে ভেজাল গুড় তৈরি করে শহরের আনন্দ বাজারে তাদের নিজস্ব দোকানে বিক্রয় করে আসছিল। শীতের মৌসুমে খেজুরের গুড়ে চাহিদা বেশি থাকায় তারা এই অসাধু উপায়ে ভেজাল গুড় তৈরি করে বিক্রি করে আসছিল।