শনিবার, ১৪ মার্চ ২০২৬, ০৫:৪৪ অপরাহ্ন
শিরোনাম
মির্জা আব্বাসের মস্তিষ্কে দ্বিতীয় অস্ত্রোপচার সম্পন্ন দক্ষিণ কোরিয়াকে বিপদে ফেলে কেন থাডগুলো মধ্যপ্রাচ্যে আনা হচ্ছে? আশুলিয়ায় মাদ্রাসায় হামলা ও ভাংচুরের ঘটনায় সংবাদ সম্মেলন চট্টগ্রাম বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের প্রতিমন্ত্রী মীর হেলাল উদ্দিন ভূমি মন্ত্রণালয়ের দায়িত্ব পাওয়ায় সার্বভৌমত্ব সুরক্ষা পরিষদের অভিনন্দন নেত্রকোনায় স্বামীর অধিকার ফিরে পেতে স্ত্রীর আদালতে দারস্থ ও সংবাদ সম্মেলন শান্তা ইসলাম,- সুখবর দিলেন হামজা চৌধুরী চৌগাছায় এক কৃষকের পিয়ারা বাগান কেটে সাবাড়  “নেত্রকোনায় পৈতৃক সম্পত্তিতে গড়ে তোলা সবজি বাগানে তাণ্ডব, হাসপাতালে ৩” সরকারের সমালোচনা করতে বিরোধী দলকে সব বিষয়ে ছাড় দেওয়া হবে- নবনিযুক্ত স্পিকার ব্যাট হাতে শক্ত অবস্থানে পাকিস্তান

যেকোনো বৈঠক শেষে করণীয়

Reporter Name
  • Update Time : শুক্রবার, ২৫ নভেম্বর, ২০২২
  • ৮৪ Time View

ডেস্ক নিউজ : জীবনের প্রয়োজনে, দ্বিনি অথবা দুনিয়াবি কাজে অনেক সময় আমাদের একসঙ্গে বসতে হয়। পরস্পর মতবিনিময়, আলোচনা ও পর্যালোচনা করার প্রয়োজন হয়। যখন আমাদের এভাবে যৌথ কথোপকথন হয়, তখন নিজেদের অজান্তেই আমাদের এমন কিছু কথা হয়ে যায়, যেগুলো আমাদের জন্য পরবর্তী সময়ে ক্ষতির কারণ হয়। কখন যে আমরা গুরুত্বপূর্ণ কথা থেকে অহেতুক গল্পের দিকে চলে যাই। ঠাট্টা-মশকরা, গিবত-শেকায়াতসহ নানা গুনাহে জড়িয়ে যাই। কখনো পরস্পর উত্তপ্ত বাক্যবিনিময় হয়। আমাদের প্রত্যেকের জীবনে বাস্তবে যদি অনুসন্ধান করা হয়, তাহলে এমন মজলিস খুব কমই পাওয়া যাবে, যেখানে এ ধরনের অহেতুক অপ্রয়োজনীয় কথা হয় না।

প্রিয় নবী (সা.)-এর এ ক্ষেত্রে আমল কী ছিল? আয়েশা (রা.)-এর কণ্ঠে ফুটে উঠেছে সে কথা। তিনি বলেন, প্রিয় নবী (সা.)-এর এমন কোনো বৈঠক নেই, তিলাওয়াত নেই, নামাজ নেই, যা শেষ করার পর তিনি দোয়া পড়তেন না। আয়েশা (রা.) থেকে বর্ণিত, রাসুলুল্লাহ (সা.) যখন কোনো মজলিসে বসতেন অথবা নামাজ আদায় করতেন, তখন কিছু বাক্য উচ্চারণ করতেন। আয়েশা (রা.) তাঁকে ওই বাক্য সম্পর্কে প্রশ্ন করলে তিনি বলেন, কেউ যদি ভালো বাক্য বলে তাহলে সেগুলো কিয়ামত পর্যন্ত তাঁর মোহরস্বরূপ হবে। আর সে যদি অন্য ধরনের (খারাপ) বাক্য বলে তা হলে সে বাক্যগুলো তাঁর জন্য কাফফারাস্বরূপ হবে। (সে বাক্যগুলো হলো, ‘সুবহা-নাকা আল্লা-হুম্মা ওয়া বিহামদিকা, আশহাদু আল্লা-ইলা-হা ইল্লা- আনতা আসতাগফিরুকা ওয়া আতুবু ইলায়কা’

(অর্থাৎ হে আল্লাহ, আমি তোমার প্রশংসার সঙ্গে তোমার পাক-পবিত্রতা বর্ণনা করছি। আমি সাক্ষ্য দিচ্ছি, তুমি ছাড়া প্রকৃতপক্ষে আর কোনো মাবুদ নেই। আমি তোমার কাছে ক্ষমা চাই এবং তোমার কাছে তাওবা করছি)। (সুনানে নাসায়ি, হাদিস : ১৩৪৪) আমাদের ভার্চুয়াল বৈঠক কিংবা সশরীরে বৈঠক যেকোনো ধরনের বৈঠক হোক না কেন সব ক্ষেত্রেই আমরা এই দোয়াটিকে নিজেদের জীবনের অপরিহার্য বানিয়ে নিই। আল্লাহ তাআলা আমাদের তাওফিক দান করুন।

 

 

কিউএনবি/আয়শা/২৫ নভেম্বর ২০২২,খ্রিস্টাব্দ/দুপুর ১:০৫

Please Share This Post in Your Social Media

More News Of This Category

আর্কাইভস

March 2026
M T W T F S S
 12
3456789
10111213141516
17181920212223
2425262728  
© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত ২০১৫-২০২৬
IT & Technical Supported By:BiswaJit