রবিবার, ১৮ অক্টোবর ২০২৬, ০৫:৪৯ অপরাহ্ন
শিরোনাম
সরাইলে কিশোরীকে সংঘবদ্ধ ধর্ষণের অভিযোগ, গ্রেপ্তার ১ আয়ের চেয়ে ব্যয় বেশি: দেশের প্রায় ৪৭ শতাংশ পরিবার ঋণগ্রস্ত বিমানবাহিনীর সাবেক প্রধান হান্নান কাতারে গ্রেপ্তার অভিযান: ঢাকায় ২৪ ঘণ্টায় গ্রেপ্তার ৪৯০, মামলা ৪২ কুড়িগ্রামের ফুলবাড়ীতে বিএনপির কমিটি বাতিলের দাবিতে বিক্ষোভ বীর চট্টলার গুণীজনদের কে সংবর্ধনা ও শিক্ষার্থীদের শিক্ষাবৃত্তি প্রদান করেছে চট্টগ্রাম সমিতি ঢাবিতে ১৬০ দৃষ্টি প্রতিবন্ধী ব্যক্তিকে সাদা ছড়ি ও আর্থিক সহায়তা প্রদান ইউএনও’র গাড়ি চালক ও অনৈতিক কাজে জড়িত ৩ নারী আটক প্রবাসে থেকেও দেশের মানুষের পাশে দাঁড়িয়েছেন তারেক রহমান: রিজভী বার্সেলোনা কোচ বললেন, ‘এই মুহূর্তে ইয়ামাল বিশ্বের সেরা খেলোয়াড়’

২০২৩ সালে ‘সঙ্কট’ মোকাবেলায় মন্ত্রিসভার ছয় নির্দেশনা

Reporter Name
  • Update Time : সোমবার, ১৪ নভেম্বর, ২০২২
  • ১৪৪ Time View

ডেস্ক নিউজ : আগামী বছরটিকে (২০২৩) সাল ‘ক্রাইসিস ইয়ার’ (সঙ্কটময় বছর) হতে পারে, এমন শঙ্কায় ছয় দফা নির্দেশনা দিয়েছে মন্ত্রিসভা। সেগুলো হলো- খাদ্য উৎপাদন বাড়ানো, বিদেশে দক্ষ জনবল পাঠানো, রেমিট্যান্স বাড়ানো, খাদ্য আমদানিতে উৎসকর স্বস্তিদায়ক নির্ধারণ, সরাসরি বিদেশি বিনিয়োগ আরও বাড়ানো এবং খাদ্য মজুদ স্বস্তিদায়ক রাখা। 

সোমবার (১৪ নভেম্বর) প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার সভাপতিত্বে প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ে অনুষ্ঠিত মন্ত্রিসভার বৈঠকে সাম্প্রতিক আন্তর্জাতিক অর্থনৈতিক রিপোর্টগুলো বিশ্লেষণ করে এই নির্দেশনা দেওয়া হয়।

বৈঠক শেষে সচিবালয়ে মন্ত্রিপরিষদ সচিব খন্দকার আনোয়ারুল ইসলাম ব্রিফিংয়ে সাংবাদিকদের এ তথ্য জানান। মন্ত্রণালয় বিভাগগুলোর ২০২১-২২ অর্থবছরের কার্যাবলী সম্পর্কিত বার্ষিক প্রতিবেদন উপস্থাপনের সময় এমন নির্দেশনা দেওয়া হয় বলে জানান তিনি।

মন্ত্রিপরিষদ সচিব বলেন, “বৈশ্বিক যে অবস্থা সামনে আসছে, তাতে আমাদের যে প্রবলেম বা ক্রাইসিস দেখা যাচ্ছে, সারা বিশ্বে, সেক্ষেত্রে আমাদেরকে কিছু ইনিশিয়েটিভ নিতে হবে। 
 
“রিসেন্টলি আন্তর্জাতিক অর্থনৈতিক বিশ্লেষণগুলো যা বলছে যে তিনটি কারণে ২০২৩ সাল খুবই একটা ক্রাইসিস বছর হওয়ার আশঙ্কা রয়েছে। ফেডারেল রিজার্ভ ব্যাংক যেহেতু সুদের হার বৃদ্ধি করেছে, করোনা মহামারি অর্থনৈতিক অবস্থা রিকভারি হওয়ার আগেই ইউক্রেন যুদ্ধ শুরু হওয়ার ফলে যে অগ্রগতি হচ্ছে তাতে নেতিবাচক প্রভাব এবং চীন উৎপাদন কমিয়ে দিয়েছে, যা বিশ্ব বাজারকে প্রভাবিত করছে। এ তিনটি জিনিসকে বিশ্লেষণ করে আন্তর্জাতিক যে বিশ্লেষণ আসছে তাতে বলা হচ্ছে ২০২৩ সাল একটা ক্রাইসিস ইয়ার হওয়ার আশঙ্কা আছে। সবাইকে এ অনুযায়ী প্রস্তুত থাকতে হবে।”

তিনি বলেন, “প্রধানমন্ত্রী এবং মন্ত্রিসভা যে অবজারভেশন দিচ্ছেন- সর্বাবস্থাতেই আমাদের খাদ্য উৎপাদন বাড়াতে হবে। আমরা যতই খাদ্য আমদানির কথা বলি, এটা ক্রাইসিস থাকবে। যদিও ইউক্রেন এবং রাশিয়াকে খাদ্যের ব্যাপারে ফ্রি করে দেওয়া হয়েছে, কিন্তু এটা একটা ম্যাটার করবে। আর ফরেন কারেন্সির একটা ক্রাইসিস হচ্ছে, যে কারণে ফেডারেল রিজার্ভের ইন্টারেস্ট বৃদ্ধির ফলে যেসব দেশ লোন নিয়ে কাজ করে বা আমদানি বেশি তাদের দুই দিক দিয়েই অসুবিধা হচ্ছে। একটা হলো আমরা যখন টাকা দিচ্ছি তখন বেশি দিচ্ছি এবং যখন নিচ্ছি তখন কম পাচ্ছি।” 

সে কারণে ডাবল নেগেটিভ ইমপ্যাক্ট হচ্ছে জানিয়ে তিনি বলেন, “সেজন্য আমাদের সবাইকে খাদ্য উৎপাদন বাড়ানোর জন্য আপ্রাণ চেষ্টা করতে হবে। আমরা দেখছি কৃষি, মৎস্য, লাইভস্টকে বেশকিছু নতুন নতুন ভ্যারাইটি আসছে। এগুলো রিপ্লেস করলে উৎপাদন দ্বিগুণের কাছাকাছি চলে যাবে ইনশাল্লাহ।
 
“আমরা যদি বিদেশে অদক্ষ শ্রমিক না পাঠিয়ে দক্ষ জনবল পাঠাই তাহলে তাদের জন্য উচ্চ বেতনে কাজ করার সুযোগ থাকবে। যেসব দেশে শ্রমিক পাঠানো হবে সেসব দেশে চাহিদা অনুযায়ী যেন ক্যাপাসিটি বিল্ডিং করা হয়। তাদের সনদগুলো যেন সঠিক প্রতিষ্ঠান থেকে পায়।”

তিনি বলেন, “রেমিট্যান্স বাড়ানোর জন্য বেশ কিছু নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে। বাংলাদেশ ব্যাংক একটা সার্কুলার জারি করেছে যে রেমিট্যান্স পাঠানোর ক্ষেত্রে কাউকে ফি দিতে হবে না। যে ব্যাংকে পাঠাবে সেই ব্যাংকই এটা হ্যান্ডেল করবে কীভাবে তাদেরকে বেনিফিট দেওয়া যায়। যারা রেমিট্যান্স পাঠাবে তাদের যেন সহজ শর্তে নাম এবং এনআইডি দিয়ে পাঠানো যায় কি না?” 

বিদেশি বিনিয়োগ আরও বাড়ানোর নির্দেশনা প্রসঙ্গে তিনি বলেন, “বিনিয়োগের যেসব শর্ত আছে সেগুলো আরও সহজ করা যায় কিনা। আমরা কাজ করছি যে একদম বিডাতেই যাবেন বিনিয়োগকারীরা। সেখানে তিন-চারটা উইন্ডো থাকবে, যাতে বিনিয়োগকারীকে অন্য জায়গায় আর যেতে না হয়।”

খাদ্য মজুত প্রসঙ্গে মন্ত্রিপরিষদ সচিব বলেন, “আমাদের দেশ এখন যথেষ্ট ভালো অবস্থায় আছে। বেসরকারি সেক্টরকেও ১৫ লাখ মেট্রিক টন চাল আমদানি করার জন্য অনুমোদন দেওয়া হয়েছে। পাশাপাশি যারা সাপ্লিমেন্টারি পণ্য আমদানি করে তাদেরকে সেসব দেশের সঙ্গে সরাসরি যোগাযোগ করে দেওয়া যায় কি না। খাদ্য আমদানিতে ট্যাক্স কমফোর্টের বিষয়ে আলোচনা হয়েছে। উৎসে কর দিতে হয়। এনবিআরকে নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে আলাপ-আলোচনা করে যেন দ্রুত সন্তোষজনক অবস্থায় চলে যায়।”

অনাবাদী সব জমি চাষের নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে বলেও জানান মন্ত্রিপরিষদ সচিব। 

কিউএনবি/অনিমা/১৪ নভেম্বর ২০২২,খ্রিস্টাব্দ/বিকাল ৪:২৯

Please Share This Post in Your Social Media

More News Of This Category

আর্কাইভস

October 2026
M T W T F S S
 12345
6789101112
13141516171819
20212223242526
27282930  
© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত ২০১৫-২০২৬
IT & Technical Supported By:BiswaJit