অথচ উৎকোচ দিয়ে এক পরিবার থেকে ২/৩ টা করে ঘর দিয়েছে তহশিলদার।একই পরিবারের ঘর পেয়েছে মজিবর,তার ছেলে মইনুল হোসেন, তার মেয়ে মনজুয়ারা।১০ শতাংশ বসত বাড়ির জায়গা আছে এমন কিছু লোকদের উৎকোচ নিয়ে ঘর দিয়েছে বলে অভিযোগ উঠেছে তহশিলদারের বিরুদ্ধে। স্বামী নেই বিধবা তারামন বেগম বলেন তহশিলদার আমার কাছে ২হাজার টাকা নিয়ে ঘর দিয়েছে। ওয়াড সদস্য একলাছুর রহমান অভিযোগ করে বলেন, আমি যে একজন ওয়াড সদস্য আমি জানিনা আমার ওয়াডে কাকে ঘর বরাদ্দ দেয়া হয়েছে, তহশিলদার তার নিজের খেয়াল খুশি মত উৎকোচ নিয়ে যার ঘর পাওযার দরকার নেই তাকেও ঘর দিয়েছে আর যার মাথা গোছার ঠাঁই নেই তার ঘরও নেই।
দিওড় ইউপির চেয়ারম্যান মোঃ মালেক মন্ডল জানান তহশিলদারের কারসাজির কারনে মাননীয় প্রধানমন্ত্রীর উপহার থেকে বঞ্চিত হয়েছে ভুমিহীন কিছু পরিবার।ইউনিয়ন ভুমি কর্মকর্তা গফফার আলীর সাথে মোবাইল ফোনে কথা বললে তিনি বলেন, আমার বিরুদ্ধে আনিত অভিযোগ সব মিথ্যা। তাছাড়া তালিকা যাছাই বাছাইয়ে অনেকের নাম বাদ গেছে।এবিষয়ে বিরামপুর উপজেলা নির্বাহী অফিসার পরিমল কুমার জানান,ভুক্তভোগী মাধ্যমে অভিযোগ পেয়েছি তদন্ত সাপেক্ষে প্রয়োজনীও ব্যবস্থা নেয়া হবে। আর কোন ভুমিহীন বঞ্চিত হবেনা মাননীয় প্রধানমন্ত্রীর উপহার থেকে।
কিউএনবি/অনিমা/১৯ জুলাই ২০২২, খ্রিস্টাব্দ/দুপুর ১:৫৮