মঙ্গলবার, ০৬ অক্টোবর ২০২৬, ০১:৩৮ পূর্বাহ্ন
শিরোনাম
ধীরগতিতে মার্কিন সেবাখাত, লাফিয়ে বাড়ছে জীবনযাত্রার ব্যয় বাব আল-মানদেব প্রণালিতে হুতিদের প্রভাব যুক্তরাষ্ট্রের বড় পরাজয়: ইরান ৭৯ হাজার ডলারের ঘড়ি চুরি, যুক্তরাষ্ট্রে বিমানবন্দরের দুই লাগেজ কর্মী গ্রেপ্তার কালকিনিতে শিশু ধর্ষণচেষ্টার অভিযোগ, অভিযুক্তের বাড়িতে অগ্নিসংযোগ যৌতুকের দাবিতে নির্যাতন, গৃহবধূর আত্মহত্যা সিটিস্ক্যান মেশিনে শুয়ে থাকার ভিডিও ভাইরাল, টেকনিশিয়ানের বেতন বন্ধ বোমা হামলার হুমকির পর ব্র্যাক বিশ্ববিদ্যালয়ে নিরাপত্তা জোরদার ডিজেলের রেকর্ড দামে চাপে যুক্তরাষ্ট্র, কর ছাড়ের পথে ট্রাম্প বাড়ির চালে ‘গ্রেনেড’, উদ্ধারের পর দেখা গেল খেলনা ইংল্যান্ডের গুরুত্বপূর্ণ ম্যাচের আগে চোটের দুঃসংবাদ

‘মিথ্যা বানানো আর বলার কারখানা বিএনপি’

Reporter Name
  • Update Time : বৃহস্পতিবার, ২৩ জুন, ২০২২
  • ১৩১ Time View

ডেস্ক নিউজ : বিএনপিকে মিথ্যার কারখানা বলে উল্লেখ করেছেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। তিনি বলেন, “মিথ্যা কথা বানানো, আর মিথ্যা কথা বলার যদি কারখানা থেকে থাকে সেটা হলো বিএনপি। তারা মিথ্যা কথা বানানো ও বলতে খুব ভালো পারে। যতটুকু মিথ্যা এটার প্রোডাকশনটা এরা ভালো দেয় এবং বলেও যায়। আমাদের কিছু লোক সেটা বিশ্বাস করে বসে থাকে।”

বৃহস্পতিবার (২৩ জুন) আওয়ামী লীগের প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উপলক্ষে রাজধানীর বঙ্গবন্ধু অ্যাভিনিউয়ে দলটির কেন্দ্রীয় কার্যালয়ে আয়োজিত আলোচনা সভায় তিনি এ কথা বলেন।

প্রধানমন্ত্রীর সরকারি বাসভবন গণভবন থেকে ভিডিও কনফারেন্সের মাধ্যমে অনুষ্ঠানে যুক্ত হয়ে তিনি বলেন, “বন্যা হয়েছে, আজ পর্যন্ত বিএনপির কোনো নেতা বা কেউ কোনো সাহায্য দিয়েছে বানভাসিদের? দেয়নি। ঢাকায় বসে বসে তাদের দলের নেতারা নানা কথা বলে বেড়াচ্ছে। কিন্তু আমাদের আওয়ামী লীগের নেতাকর্মীরা এমন এমন দুর্গম এলাকায় গেছে যেখানে বন্যার পানির কারণে কেউ পৌঁছাতে পারছে না।”

প্রধানমন্ত্রী বলেন, “স্থানীয় আওয়ামী লীগ, যুবলীগ, ছাত্রলীগ, স্বেচ্ছাসেবক লীগ যে যেখানে তারা সেখানেই কিন্তু ত্রাণ বিতরণ করে যাচ্ছে। তারা মানুষের পাশে দাঁড়াচ্ছে, তারা খাদ্য সাহায্য দিচ্ছে। উদ্ধার কাজ করছে। বিএনপি বন্যাদুর্গতদের জন্য আজ পর্যন্ত এক মুঠ খাবারও দিতে পারেনি বা তাদের পাশে না দাঁড়িয়ে এখানে বসে বসে মায়া কান্না করে যাচ্ছে, এটাই হচ্ছে এদের চরিত্র।”

তিনি বলেন, “আমরা পদ্মা সেতু করেছি আমাদের নিজস্ব অর্থায়নে। এটা নিয়েও প্রশ্ন তোলে। বিএনপি আবার প্রশ্ন তোলে কোন মুখে যাদের আপাদমস্তক দুর্নীতিতে ভরা? এতিমের অর্থ আত্মসাৎ করে সাজা পেয়েছে খালেদা জিয়া। শুধু এতিমের অর্থ কেন নাইকো, গেটকো- এ রকম বহু কেস ঝুলে আছে। ওই কেসে সে তো কখনো কোর্টেই যেতে চায়নি। প্রত্যেকটা প্রজেক্টে দুর্নীতি করে তারা টাকা বানিয়েছে। তারেক জিয়া, খালেদা জিয়া, কোকো সবাই। কোকো তো পরে মরেই গেছে।”

শেখ হাসিনা বলেন, “এই দুর্নীতি করে যদি টাকা না বানাবে বিদেশে এত বিলাস বহুল জীবন-যাপন করে কি করে? কত টাকা খরচ করে সেখানে কোম্পানি খুলেছে এবং সেই কোম্পানিতে প্রথমেই সে যে (তারেক) ব্রিটিশ নাগরিক সেটা লিখেছে। এক বছর পরে সেটাকে আবার সংশোধন করে সেখানে বাংলাদেশের নাগরিক লিখেছে। কারণ মিথ্যা কথা লেখাতে ধরা পড়ে যায়। কাজেই সেটাকে আবার সংশোধনও করেছে। যখন টাকার কথা তুলেছি যে সে ব্রিটিশ নাগরিকত্ব পেলো কোথা থেকে? একটা সাজাপ্রাপ্ত আসামিকে ব্রিটিশরা কীভাবে নাগরিকত্ব দেয়? সেটা এখন তারা উইথড্র করেছে। এখন বাংলাদেশের লিখেছে। তথ্য তো আমাদের কাছে আছে।”
 
তিনি বলেন, “আওয়ামী লীগ এখানে নিজের ভাগ্য গড়তে আসেনি। আওয়ামী লীগ এদেশের মানুষের ভাগ্য গড়তে এসেছে। বাংলাদেশের ইতিহাস আওয়ামী লীগের প্রতিষ্ঠালগ্ন থেকে যদি দেখা যায় আজ পর্যন্ত এদেশের মানুষের যতটুকু অর্জন সবটুকুই আওয়ামী লীগের হাতে। আওয়ামী লীগ যখনই সরকারে এসেছে এদেশের মানুষের ভাগ্য পরিবর্তন ঘটেছে। এজন্য আওয়ামী লীগকে বার বার ক্ষমতায় আসতে দেওয়া হয় না। কারণ তাহলে বাংলাদেশের মানুষকে শোষণ করতে পারে না, নির্যাতন করতে পারে না।”

তিনি বলেন, “পদ্মা সেতু আমরা উদ্বোধন করব ২৫ তারিখে। যেমন বানভাসী মানুষের পাশে আওয়ামী লীগ দাঁড়িয়েছে। সেই সঙ্গে সঙ্গে আমাদের সশস্ত্র বাহিনী, বিজিবি, কোস্টগার্ড থেকে শুরু করে পুলিশ বাহিনী, প্রশাসন সবাই সেখানে কাজ করে যাচ্ছে। প্রতিনিয়ত তাদের উদ্ধার করা, চিকিৎসার ব্যবস্থা করা, তাদের খাদ্য দেওয়া সেখানে এতটুকু গাফলতি নেই। ডে ওয়ান থেকে আমরা এই বানভাসী মানুষের পাশে আছি। বন্যা এটা প্রাকৃতিক কারণেই বাংলাদেশে আসবে, হবেই। এর সঙ্গে আমাদের বসবাস করতে হবে। কিন্তু তাই বলে আমাদের যে এত বড় একটা অর্জন পদ্মা সেতু। যেটা ওয়ার্ল্ড ব্যাংকের অভিযোগ, দুর্নীতির অভিযোগ এনেছিল যেটাকে আমরা চ্যালেঞ্জ দিয়েছিলাম। প্রমাণ করতে পারেনি।”

এ সময় করোনা আবার বাড়ছে, সবাইকে স্বাস্থ্যবিধি‌ মেনে চলার আহ্বান জানিয়ে তিনি বলেন, বন্যা কিন্তু এখানেই থামবে না। এই পানি আস্তে আস্তে নিচে যত নামতে থাকবে ধীরে ধীরে একেকটা এলাকা প্লাবিত হতে থাকবে। কাজেই আমাদের সেই প্রস্তুতিও রাখতে হবে। এটা কিন্তু একেবারে ভাদ্র মাস পর্যন্ত চলবে। অর্থাৎ সেপ্টেম্বর মাস পর্যন্ত চলতে পারে এই বন্যা। সেটা মাথায় রেখেই আমাদের কিন্তু প্রস্তুতি নিতে হবে।

কিউএনবি/অনিমা/২৩.০৬.২০২২ খ্রিস্টাব্দ/বিকাল ৩:১৫

Please Share This Post in Your Social Media

More News Of This Category

আর্কাইভস

October 2026
M T W T F S S
 12345
6789101112
13141516171819
20212223242526
27282930  
© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত ২০১৫-২০২৬
IT & Technical Supported By:BiswaJit