এ সময় তিনি আরো বলেন, ‘বঙ্গবন্ধুর আমলে ১৯৭৪ সালে ৩ লাখ লোকের মৃত্যু হয়েছিল অনাহারে। অথচ নোবেলজয়ী অমর্ত্য সেনের হিসেব মতে তৎকালীন সময়ে সবচেয়ে বেশি খাদ্য উৎপাদন হয়েছিল। কেন? ভুল শাসন, সুশাসনের অভাব, অনাচার, দুর্নীতি। সে জন্য যার খাদ্য প্রয়োজন তাঁদের কাছে খাদ্য পৌঁছাতে পারেনি। আজকে আবার দুর্ভিক্ষের মতো চলছে। এটা পরিষ্কার করে বলতে চাই এখন কেউ অনাহারে নেই। আমি বারেবারে বলেছি, মাননীয় প্রধানমন্ত্রী আপনি রেশনিং করেন। সিন্ডিকেট না ভাংতে পারলে ধনী-দরিদ্রের বৈষম্য বাড়বে।’
তিনি আরো বলেন, ‘খালেদা জিয়ার জামিন পাওয়া তাঁর মানবিক অধিকার, নৈতিক অধিকার। এই হাইকোর্টেই আছে খুনের মামলা। এক রিকশাওয়ালা তাঁর স্ত্রীকে জবাই করায় তাঁর ফাঁসি হয়েছিল। তারপরেও কয়েক সপ্তাহের জন্য তাঁর জামিন হয়েছিল। খালেদা জিয়াতো কাউকে জবাই করেননি। আমি মনে করি ন্যায়ের খাতিরে খালেদা জিয়ার জামিন দেওয়া উচিত এবং তাঁর বেরিয়ে আসা উচিত।’
খালেদা জিয়ার জামিন চাইছেন কিন্তু মির্জা ফখরুল কিছুদিন আগে বলেছিলেন, জাফরুল্লাহ বিএনপির কেউ না। এ ব্যাপারে আপনি কি বলতে চান? এমন প্রশ্নের জবাবে জাফরুল্লাহ বলেন, ‘মির্জা ফখরুল কি বলেছেন তাতেতো আমার কিছু করণীয় নাই। তাঁরা যদি হারিগিরি করতে চান, আমি কি বলব! আমি বলতে চাই, আন্দোলন করে দলীয় সরকারের অবসান ঘটাতে হবে। নির্বাচনে সবাইকে অংশ নিতে হবে। নির্বাচন কমিশনকে তাঁদের মেরুদণ্ড সোজা করে ন্যায়ের পাশে দাঁড়াতে হবে। তাঁরা যদি তা ডেলিভারি করতে না পারেন তাঁদের পদত্যাগ করা উচিত হবে।’
এ সময় আরও উপস্থিত ছিলেন, গবি উপাচার্য অধ্যাপক ড. মো. আবুল হোসেন, বিশিষ্ট অণুজীব বিজ্ঞানী ড. বিজন কুমার শীল, গণস্বাস্থ্য কেন্দ্রের সিইও ডা. মনজুর কাদির আহমেদ, জাতিসংঘ জনসংখ্যা পুরস্কারে ভূষিত প্রথম বাংলাদেশি নারী ডা. হালিদা হানুম আক্তার, আলোকচিত্রশিল্পী হাসান সাইফুদ্দীন চন্দন ও ন্যাশনাল জিওগ্রাফিক ম্যাগাজিনের প্রচ্ছদে উপস্থাপিত প্রথম বাংলাদেশি আলোকচিত্রশিল্পী কে. এম আসাদ।