স্পোর্টস ডেস্ক : ম্যাচের বাঁশি বাজতেই লিওনেল মেসির সতীর্থরা বেদনার অশ্রু আর জমাটবদ্ধ দুঃখ থেকে খেলার মাঠকে যেন এক শোকের ময়দানে পরিণত করেন। অন্যদিকে, স্টেডিয়ামের গর্জন, বিজয়ী সমর্থকদের আনন্দোল্লাস আর পরাজিত দলের সমর্থকদের গর্ব ও কৃতজ্ঞতার সুর একসঙ্গে মিশে এক অদ্ভুত আবহ তৈরি করেছিল। কিন্তু এত কিছুর মাঝেও লিওনেল মেসির দৃষ্টি স্থির ছিল স্টেডিয়ামের সেই গ্যালারিতে, যেখানে সবচেয়ে বেশি সমবেত হয়েছিলেন তার ভালোবাসার স্বদেশবাসীরা।
পুরস্কার বিতরণী অনুষ্ঠানের দিকে ক্ষোভে পিঠ ফিরিয়ে দাঁড়িয়েছেন বলে কেউ কেউ দাবি করলেও বাস্তবে কিন্তু পরিস্থিতি তা ছিল না। আলবিসেলেস্তাদের এই বরপুত্র আসলে চেষ্টা করছিলেন সেই মুহূর্তের প্রতিটি দৃশ্য, প্রতিটি শব্দ আর অনুভূতিকে হৃদয়ের গভীরতম কোণে ধারণ করে রাখতে। তিনি জানতেন, আজকের এই দিনটিকে ভবিষ্যতে যখনই তিনি স্মরণ করবেন, তখন এই স্মৃতিগুলোই হবে তার মূল উপজীব্য। ২০২৬ সালের বিশ্বকাপ ফাইনাল হারের গভীর বেদনায় তিনি আচ্ছন্ন ছিলেন ঠিকই, কিন্তু তার অঝোর ধারায় কাঁদার মূল কারণটি ছিল ভিন্ন। তিনি ভেতরের তাগিদ থেকে অনুভব করছিলেন, আর্জেন্টিনা জাতীয় দলের আকাশি-সাদা জার্সিতে এটিই হয়তো হতে চলেছে তাঁর শেষ ম্যাচ।
মেসি হলেন মূলত এমন একজন প্রবাসী, যিনি শৈশবেই নিজের ও পরিবারের একটু ভালো ভবিষ্যৎ এবং উন্নত জীবনের সন্ধানে জন্মভূমি ছেড়েছিলেন, ঠিক যেমনটা প্রতিদিন বিশ্বের কোটি কোটি মানুষ নিজেদের মাতৃভূমি ছেড়ে পাড়ি জমায় নতুন গন্তব্যে। কিন্তু সাধারণ অধিকাংশ প্রবাসীর মতো তিনিও কোনোদিন নিজের দেশপ্রীতি ও স্বদেশের প্রতি নিখাদ ভালোবাসা ভুলে যাননি। আন্তর্জাতিক ফুটবলে তিনি খুব সহজেই আর্জেন্টিনার পরিবর্তে স্পেনের প্রতিনিধিত্ব করতে পারতেন এবং স্পেনের হয়ে খেললে খুব সম্ভবত তার ঝুলিতে আরও তিনটি বা চারটি বিশ্বকাপের শিরোপা যুক্ত হতো।
কিন্তু তিনি কখনো নিজের শিকড়কে অস্বীকার করেননি। তার সুবিশাল ফুটবল প্রতিভার ঊর্ধ্বে গিয়ে ভিনদেশের মাটিতে তার বিনয় ও আত্মমর্যাদা রক্ষা করার ক্ষমতাই তাকে লাতিন আমেরিকার অনন্য বৈশ্বিক প্রতীকে পরিণত করেছে। ফুটবলের সর্বকালের সেরা এই মহাতারকা তার জীবনের প্রথম ১৩টি বছর কাটিয়েছিলেন রোজারিও শহরে। তার জন্ম ও বেড়ে ওঠার গল্পটি এখন সর্বজনবিদিত। গ্রোথ হরমোনের জটিল সমস্যায় আক্রান্ত হওয়ায় তাঁর জন্য অত্যন্ত ব্যয়বহুল চিকিৎসার প্রয়োজন হয়ে পড়েছিল, যা মেটানোর সামর্থ্য তার পরিবারের ছিল না এবং তাঁর স্থানীয় ক্লাবও সেই খরচ বহনে অস্বীকৃতি জানায়। ঠিক সেই সংকটময় মুহূর্তে বার্সেলোনা ফুটবল ক্লাব তাঁর পাশে দাঁড়ায় এবং চিকিৎসার যাবতীয় খরচ বহনের দায়িত্ব নেয়। সেই সময় আর্জেন্টিনার অর্থনৈতিক পরিস্থিতি যা ছিল এবং সমগ্র অঞ্চলের মতো আজ পর্যন্ত যেমন জটিল অবস্থায় রয়ে গেছে, তাতে নতুন দিগন্তের সন্ধানে বিমানবন্দরই একমাত্র বাস্তবসম্মত পথ হিসেবে উন্মুক্ত থাকত।
কাতালান ক্লাবের যুব দলে যোগ দিয়েই তিনি খুব দ্রুত নিজের আলাদা জাত চিনিয়েছিলেন। ফলে ততকালীন লা পুলগা বা দ্য ফ্লিয়া ডাকনামে পরিচিত এই কিশোরকে স্প্যানিশ জাতীয় দলে খেলানোর জোর তৎপরতা শুরু হয়ে যায়। তবে স্বদেশের প্রতি মেসি ও তার পরিবারের আত্মিক টান ছিল অত্যন্ত সুদৃঢ়। এমনকি অত্যন্ত ছোট বয়সে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারেও তিনি স্পষ্টভাবে জানিয়েছিলেন যে, তার একমাত্র স্বপ্ন হলো আর্জেন্টিনার জাতীয় দলের হয়ে মাঠে নামা। পরিস্থিতি অনুধাবন করে আর্জেন্টিনা ফুটবল অ্যাসোসিয়েশন দ্রুত পদক্ষেপ গ্রহণ করে এবং মেসিকে চিরতরে নিজেদের দেশের জন্য সংরক্ষিত করতে তাদের অনূর্ধ্ব-২০ দলের হয়ে একটি প্রীতি ম্যাচের আয়োজন করে। এভাবেই ২০০৪ সালের ২৯ জুন, মেসি ১৭ বছরে পা দেওয়ার ঠিক কয়েকদিন পর শুরু হয়েছিল তার রূপকথার আন্তর্জাতিক যাত্রা।
আর্জেন্টাইন সমর্থকরা জ্যেষ্ঠ জাতীয় দলের হয়ে তাঁকে দেখার জন্য উন্মুখ হয়ে ছিলেন। সেই ঐতিহাসিক মুহূর্তটি আসে ২০০৫ সালের ১৭ আগস্ট, হাঙ্গেরির বিরুদ্ধে এক প্রীতি ম্যাচে। কিন্তু অবিশ্বাস্যভাবে, দ্বিতীয় অর্ধে ১৯ মিনিটের মাথায় বদলি হিসেবে মাঠে নামার মাত্র কয়েক সেকেন্ডের মাথায় তিনি একটি অন্যায় লাল কার্ড দেখে মাঠ ছাড়তে বাধ্য হন। আন্তর্জাতিক ফুটবলে তাঁর মহাকাব্যিক অর্জনের পথটি যে মোটেই মসৃণ বা সহজ হবে না, এই সূচনাটি যেন ছিল তারই এক পূর্বাভাস।
আকাশি-সাদা জার্সিতে মেসির কিংবদন্তিতুল্য পথচলাকে উপলব্ধি করতে গেলে সামান্য অতীতে ফিরে দেখা প্রয়োজন। কোনো বিখ্যাত চলচ্চিত্রের কাহিনির মতো তার এই পুরো যাত্রাটি ছিল এক সত্যিকারের ‘হিরোস জার্নি’; একেবারে কাদা থেকে উঠে এসে মহাশূন্য জয়ের গল্প। আর্জেন্টিনার ফুটবল যখন ক্রমাগত হতাশা আর ব্যর্থতার অন্ধকারে নিমজ্জিত, ঠিক তখনই তিনি জাতীয় দলে আত্মপ্রকাশ করেন। সেই সময় দেশটি জাতীয় গৌরব পুনরুদ্ধার করতে অবিরামভাবে একজন ‘নতুন ম্যারাডোনা’র সন্ধান করছিল। তার ওপর মেসি ছিলেন বাঁ পায়ের খেলোয়াড়, পরিধান করতেন ১০ নম্বর জার্সি এবং তার জাদু দিয়ে সবাইকে তাক লাগিয়ে দিতেন। ফলস্বরূপ, ম্যারাডোনার সাথে তুলনা করাটা যতটা অনিবার্য ছিল, ততটাই ছিল অন্যায়, যা তাঁর তরুণ কাঁধে পর্বতসম চাপ সৃষ্টি করেছিল।
বার্সেলোনার হয়ে যখন তিনি একের পর এক সমস্ত শিরোপা জয় করছিলেন, ঠিক তখনই সিনিয়র জাতীয় দলের হয়ে ট্রফি যেন কিছুতেই তার ধরাছোঁয়ার মধ্যে আসছিল না। নিজ দেশের ভেতরেই তাঁকে কেন্দ্র করে ধেয়ে আসছিল অন্ধ সমালোচনা। জার্সির প্রতি তাঁর আনুগত্য, মাঠে তাঁর দৃষ্টিভঙ্গি থেকে শুরু করে প্রতিটি বিষয় নিয়ে প্রশ্ন তোলা হতো। এমনকি ম্যাচের শুরুতে ‘তিনি জাতীয় সংগীত গান না’; এ জাতীয় তুচ্ছ কথাও অকাতরে প্রচার করা হতো। এই অন্যায় সমালোচনাগুলো বর্ষিত হচ্ছিল সেই মহাবিচক্ষণ মেসির ওপর, যিনি চাইলে বিশ্বের যেকোনো প্রান্তে নিজের জন্য একটি অত্যন্ত সহজ পথ বেছে নিতে পারতেন। এত কিছুর পরও তিনি অত্যন্ত ধৈর্য্য, আত্মসংযম ও মর্যাদার সাথে সমস্ত অপমান সহ্য করে এক অনন্য দৃষ্টান্ত স্থাপন করেছিলেন।
এরপর এলো ২০১৪ সালের ব্রাজিল বিশ্বকাপ; যা ছিল তাদের পরম প্রতিদ্বন্দ্বীর দেশের মাটিতে। দীর্ঘ ২৪ বছর পর আর্জেন্টিনা পৌঁছাল বিশ্বকাপের ফাইনালে। মনে হচ্ছিল সবকিছু একদম নিখুঁতভাবে সাজানো এবং এটিই হতে যাচ্ছে এক নিখাদ রূপকথা কিন্তু জার্মানির পরিকল্পনা ছিল সম্পূর্ণ ভিন্ন। এরপর চিলির বিরুদ্ধে টানা দুটি কোপা আমেরিকার ফাইনালে আরও দুটো মর্মান্তিক ট্র্যাজেডির মুখোমুখি হতে হয়। সেই বেদনায় ভাঙা মেসি একবারে চূর্ণবিচূর্ণ হয়ে ফুটবল ছাড়ার ঘোষণা দিয়ে বলে উঠেছিলেন, “আমি এখন চারটি ফাইনাল হেরেছি… জাতীয় দলের হয়ে আমার সময় শেষ। চারটি ফাইনাল। এটা আমার জন্য নয়। দুর্ভাগ্যবশত আমি চেষ্টা করেছিলাম। এটা ছিল আমার সবচেয়ে বড় চাওয়া। কিন্তু তা হলো না, তাই আমি মনে করি এটাই শেষ। তবে একজন খাঁটি বিজয়ীর মতো তিনি নিজের সিদ্ধান্ত পুনর্বিবেচনা করেন এবং খুব দ্রুতই আবারও জাতীয় দলের তাঁবুতে ফিরে আসেন।
সেটি ছিল তার আন্তর্জাতিক ক্যারিয়ারের সবচেয়ে কঠিন ও অন্ধকারময় সময়। পর পর ফাইনাল হারের পর তাদের দল ২০১৮ রাশিয়া বিশ্বকাপের জন্য কোনোমতে যোগ্যতা অর্জন করে এবং টুর্নামেন্টেও চরম হতাশাজনক পারফরম্যান্স প্রদর্শন করে। ২০১৯ সালে ফক্স স্পোর্টসকে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে তিনি তার ক্যারিয়ারের অন্যতম অনুপ্রেরণাদায়ী বক্তব্য প্রদান করেন। তিনি দৃঢ়তার সাথে জানিয়ে দেন যে তিনি কোনোভাবেই হার মানবেন না: আমি আর্জেন্টিনার জাতীয় দলের হয়ে অন্তত একটি ট্রফি জিতে আমার ক্যারিয়ার শেষ করতে চাই। আর তা যদি নাও হয়, অন্তত যেন আমি শেষ মুহূর্ত পর্যন্ত চেষ্টা করার তৃপ্তি নিয়ে বিদায় নিতে পারি। আমার অনুসারী শিশুদের উদ্দেশ্যে এটিই আমার বার্তা। কেবল ফুটবলের জন্য নয়, এটি জীবনের জন্য। কারণ জীবন মানেই তো হোঁচট খাওয়া, আবার উঠে দাঁড়ানো এবং পুনরায় চেষ্টা করা। নিজের স্বপ্নের জন্য লড়াই চালিয়ে যাওয়া।
অবশেষে দীর্ঘ ১৬ বছরের অপেক্ষার অবসান ঘটিয়ে ২০২১ সালে ব্রাজিলের মাটিতে কোপা আমেরিকা জয়ের মাধ্যমে তার অধরা স্বপ্ন পূরণ হয়। সেই মুহূর্ত থেকে তার মাথার ওপর থেকে সব ভারি চাপ উঠে যায় এবং ভেতরের সহজাত প্রতিভা কোনো বাধা ছাড়াই বিকশিত হতে শুরু করে। ২০২২ সালের কাতার বিশ্বকাপে মেসি অর্জন করেন ফুটবলের সর্বোচ্চ এবং চূড়ান্ত পুরস্কার। সেই জয়ের পেছনের পথটি এতটাই কঠিন ও দুর্গম ছিল যে জয়ের আনন্দ বহুগুণে বেড়ে গিয়েছিল। ভক্তরা ফুটবলীয় মেধার পাশাপাশি তার অসাধারণ বিনয় এবং স্বদেশের প্রতি নিঃশর্ত ভালোবাসাকে অভিবাদন জানিয়েছিল।
৩৮ বছর বয়সে এসে নিজের ষষ্ঠ বিশ্বকাপ খেলতে নেমেও তিনি আবারও প্রমান করলেন কেন তিনি অনন্য। ম্যারাডোনার সাথে তুলনায় এতদিন যে কয়েকটি আক্ষেপ ঝুলছিল, তার মধ্যে অন্যতম ইংল্যান্ডকে হারানোর অধ্যায়টি তিনি এবার দারুণ এক পারফরম্যান্সের মাধ্যমে পূরণ করে ফেলেন। এবার যদিও ফাইনাল ম্যাচে স্পেনের বিরুদ্ধে শরীর তাঁকে সুপারসনিক স্তরে খেলার অনুমতি দেয়নি এবং একটি নিখুঁত সমাপ্তি সম্ভব হয়নি, তবে এই টুর্নামেন্টের পর বিশ্বজুড়ে সর্বসম্মত ঐক্যমত প্রতিষ্ঠিত হয়েছে যে লিওনেল মেসিই হলেন সর্বকালের সর্বশ্রেষ্ঠ ফুটবলার।
মঙ্গলবার বেনিনের বিপক্ষে ম্যাচের পর জাতীয় দল থেকে অধিনায়কের বিদায় নেওয়ার বিষয়টি কিন্তু কোনো আকস্মিক চমক ছিল না। বাবার প্রয়াণ মেসির মনের ওপর অত্যন্ত প্রভাব ফেলেছিল। আবেগঘন বিদায়ী বিবৃতিতে তিনি বলেন, আমি জানি না তোমায় ছাড়া কীভাবে চলব, কীভাবে এগিয়ে যাব বুঝতে পারছি না। আমি কেবল ফুটবলটাই খেলেছি এবং এখন আমার নিজের মনেই মারাত্মক সংশয় জাগছে যে আমি আর কতদিন এটা চালিয়ে যেতে পারব।
তাছাড়া মেসির বয়স এখন ৩৯ বছর এবং সময়ের স্বাভাবিক প্রভাব তার শরীরের ওপর পড়তে শুরু করেছে। ফলে এই বিদায় যতটা স্পষ্ট ও প্রত্যাশিত ছিল, তা সত্ত্বেও এটি ফুটবলপ্রেমীদের জন্য সামান্যতম কম কষ্টদায়ক নয়।
জীবনের কিছু অভিজ্ঞতা থাকে যা একদম অনন্য ও পুনরাবৃত্তিহীন। ক্রীড়াপ্রেমীরা বোঝেন মাইকেল জর্ডান, রজার ফেদেরার কিংবা অন্যান্য সর্বকালের সেরাদের সরাসরি দেখার সৌভাগ্য কতটা অর্থবহ। এটা যেন অসীম আকাশের বুক চিরে অন্যরকম এক উজ্জ্বল রঙের ধূমকেতু ভেসে যাওয়ার দৃশ্য; যা অন্য যেকারো চেয়ে বেশি দেদীপ্যমান এবং যা জীবনে দ্বিতীয়বার দেখা যায় না।
মেজর লিগ সকারে ইন্টার মায়ামির হয়ে তার অনন্য ফুটবল প্রতিভা এখনো উপভোগ করা সম্ভব, যদিও তিনি বারবার ইঙ্গিত দিয়েছেন যে পেশাদার ফুটবলার হিসেবে তার সময় এখন শেষের পথে। কোনো সন্দেহ নেই যে, শুধু আর্জেন্টাইনদের জন্যই নয়, সমগ্র বিশ্বের ফুটবলপ্রেমীদের জন্য এক অবিশ্বাস্য সোনালী যুগের সমাপ্তি ঘটে গেল।
নিজের শেষ বিদায়ী বার্তায় মেসি লিখেছিলেন, আমাকে আর্জেন্টাইন হিসেবে সৃষ্টি করার জন্য ঈশ্বরকে ধন্যবাদ। নিজের দেশের প্রতি ভালোবাসা কোনোদিন মানুষ কোথায় বসবাস করছে তার ওপর নির্ভর করে না; তা নির্ভর করে মানুষের শিকড় কোথায়, সে কোথা থেকে এসেছে তার ওপর। আর লিওনেল মেসি অন্তরে-আত্মায় চিরকাল এক গর্বিত আর্জেন্টাইন।
সূত্র: সিএনএন
কিউএনবি/অনিমা/০৭ অক্টোবর ২০২৬,/সকাল ১১:৫৯