বুধবার, ০৭ অক্টোবর ২০২৬, ০১:১৮ অপরাহ্ন
শিরোনাম

খামেনির পর ইরান চালাচ্ছেন কে, প্রশ্ন ট্রাম্পের

Reporter Name
  • Update Time : বুধবার, ৭ অক্টোবর, ২০২৬
  • ১৮ Time View

আন্তর্জাতিক ডেস্ক  : আমেরিকা-ইসরায়েলের যৌথ সামরিক অভিযানের অষ্টম মাসে গড়িয়ে ট্রাম্প প্রশাসন ও তেহরানের মধ্যে বাকযুদ্ধ চরম রূপ ধারণ করেছে। ইরানের সাবেক সর্বোচ্চ নেতা আয়াতুল্লাহ আলি খামেনির মৃত্যুর পর দেশটি কারা পরিচালনা করছে তা নিয়ে প্রশ্ন তুলেছেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। তিনি স্পষ্ট ভাষায় দাবি করেছেন যে, বর্তমানে ইরানে কোনো স্পষ্ট নেতৃত্ব অবশিষ্ট নেই এবং দেশটি কে চালাচ্ছে সে সম্পর্কে কারও কোনো ধারণা নেই। 

ট্রাম্পের এই বিতর্কিত বক্তব্যের জবাবে কড়া প্রতিক্রিয়া জানিয়ে ইরানের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের মুখপাত্র বলেছেন যে, তেহরানের সিদ্ধান্ত গ্রহণ প্রক্রিয়া কীভাবে কাজ করে এবং ইরানের দায়িত্বে কারা রয়েছেন তা ওয়াশিংটন খুব ভালো করেই জানে।

মঙ্গলবার এক বিবৃতিতে মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প ইরানের বর্তমান রাজনৈতিক ও সামরিক পরিস্থিতি নিয়ে মন্তব্য করতে গিয়ে বলেন, মার্কিন ও ইসরায়েলি হামলায় ইরানের প্রধান সারির শীর্ষ নেতাদের প্রায় সবাই নির্মূল হয়ে গেছেন। ট্রাম্প উল্লেখ করেন, তাদের প্রথম সারির নেতারা চলে গেছেন, এমনকি তাদের দ্বিতীয় সারির নেতৃত্বের দলটিও শেষ হয়ে গেছে। এখন আমার সামনে সবচেয়ে বড় সমস্যা হলো, কেউ জানেই না যে শালার দেশটা আসলে কে চালাচ্ছে। মার্কিন প্রেসিডেন্টের এই মন্তব্যে স্পষ্ট হয় যে দীর্ঘ আট মাস ধরে চলা যুদ্ধের পরও ওয়াশিংটন তেহরানের প্রশাসনিক কাঠামো নিয়ে অস্পষ্টতায় ভুগছে।

মার্কিন প্রেসিডেন্টের এই দাবির সরাসরি বিরোধিতা করে রবিবার সংবাদ সম্মেলনে ইরানের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের মুখপাত্র ইসমাইল বাঘাই পাল্টা জবাব দেন। বাঘাই বলেন, ওয়াশিংটন খুব ভালো করেই জানে ইরানে তাদের প্রতিপক্ষ কারা এবং সে দেশের সিদ্ধান্ত গ্রহণের প্রতিষ্ঠিত ব্যবস্থা কীভাবে পরিচালিত হয়। সমস্যাটি আসলে ইরানের নেতৃত্বের অভাব নয়, বরং মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রেই রয়েছে। আমেরিকান কর্মকর্তাদের বৈপরীত্যপূর্ণ অবস্থান এবং তাদের মিশ্র বা দ্ব্যর্থবোধক বার্তাই এই বিভ্রান্তির মূল কারণ বলে অভিযোগ করেন তিনি।

উল্লেখ্য, চলতি বছরের ২৮ ফেব্রুয়ারি মার্কিন-ইসরায়েলি যুদ্ধের প্রথম দিনেই এক সামরিক হামলায় ইরানের সর্বোচ্চ নেতা আয়াতুল্লাহ আলী খামেনি নিহত হন। তার মৃত্যুর পর ছেলে মোজতবা খামেনি স্থলাভিষিক্ত হলেও তিনি নিজে প্রকাশ্যে কোনো ভূমিকা রাখছেন না। খামেনিকে হত্যা করার একই হামলায় মোজতবা খামেনি গুরুতর আহত হয়েছিলেন এবং তারপর থেকে তাঁকে আর জনসমক্ষে বা কোনো প্রকাশ্য কর্মসূচিতে দেখা যায়নি। সর্বোচ্চ নেতার অনুপস্থিতি এবং দ্বিতীয় সারির একাধিক কমান্ডারের নিহতের কারণে তৈরি হওয়া রাজনৈতিক শূন্যতা বিশ্ব রাজনীতিতে চরম অনিশ্চয়তা তৈরি করেছে।

সূত্র: এনডিটিভি

কিউএনবি/অনিমা/০৭ অক্টোবর ২০২৬,/দুপুর ১২:১২

Please Share This Post in Your Social Media

More News Of This Category

আর্কাইভস

October 2026
M T W T F S S
 12345
6789101112
13141516171819
20212223242526
27282930  
© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত ২০১৫-২০২৬
IT & Technical Supported By:BiswaJit