বৃহস্পতিবার, ১০ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ০৯:৪৩ অপরাহ্ন
শিরোনাম
কমলগঞ্জে বাড়ির সিঁড়ির নিচ থেকে ৫টি কোবরা সাপের বাচ্চা উদ্ধার জলবায়ুর অভিঘাতে স্কুলে মেয়েদের ঝড়ে পড়া বাড়ছে: ইউনিসেফ বড়পুকুরিয়া বাইপাস সড়ক নির্মাণে নিম্নমানের ইটের খোয়া ব্যবহার করা হচ্ছে॥ রাবিপ্রবিতে যৌন হয়রানি ও সাইবার নিরাপত্তা নিয়ে সেমিনার দুর্গাপুরে ভারতীয় মদসহ আটক – ০১ দুর্গাপুরে যুবদলের উদ্যোগে মাদকবিরোধী মানববন্ধন ও বৃক্ষরোপণ কর্মসূচি নারী শিক্ষার্থীদের স্বাস্থ্য সুরক্ষায় রাবিপ্রবি ছাত্রদলের ব্যতিক্রমী উদ্যোগ “অসুস্থ মানুষের মুখে হাসি ফোটাতে ১১ আর-ই ব্যাটালিয়নের মানবিক উদ্যোগ” জিতের সঙ্গে আবার সিনেমা করা প্রসঙ্গে যা বললেন স্বস্তিকা ইবাদত ও ধর্মীয় আয়োজনের মধ্য দিয়ে চিত্রনায়িকা পপির জন্মদিন পালন

জলবায়ুর অভিঘাতে স্কুলে মেয়েদের ঝড়ে পড়া বাড়ছে: ইউনিসেফ

Reporter Name
  • Update Time : বৃহস্পতিবার, ১০ সেপ্টেম্বর, ২০২৬
  • ১৯ Time View

আন্তর্জাতিক ডেস্ক : জলবায়ুর বিরুপ প্রতিক্রিয়ায় শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান ক্ষতিগ্রস্ত হলে মেয়েদের পড়াশোনা মাঝপথে বন্ধ হয়ে যাওয়ার ঝুঁকি তৈরি হয়েছে বলে জানিয়েছে জাতিংঘ। বৃহস্পতিবার (১০ সেপ্টেম্বর) সংস্থাটির শিশু বিষয়ক সংস্থা ইউনিসেফের প্রতিবেদনে এ তথ্য উঠে এসেছে।

এতে বলা হয়েছে, জলবায়ু পরিবর্তনের ফলে সৃষ্ট তাপপ্রবাহ, ঝড় বা দাবানলের কারণে গত বছর ১০৬টি দেশ বা অঞ্চলের প্রতি ১০ জন শিক্ষার্থীর মধ্যে একজনের শিক্ষা  চরম আবহাওয়ার কারণে ব্যাহত হয়েছে। অর্থাৎ ১৭ কোটি ১০ লাখেরও বেশি শিক্ষার্থীর আবহাওয়ার বিরুপ প্রভাবের মুখোমুখি হয়েছেন।

সংস্থাটি জানিয়েছে, স্কুল ক্ষতিগ্রস্ত হওয়া, ক্লাস বাতিল হওয়া কিংবা পাঠদান অনলাইনে স্থানান্তর করার মতো পরিস্থিতিতে মেয়েরাই সবচেয়ে বেশি ক্ষতিগ্রস্ত হয়। এছাড়া জলবায়ুজনিত দুর্যোগের কারণে স্কুল বন্ধ হয়ে গেলে বা পড়াশোনা ব্যাহত হলে মেয়েদের ঝরে পড়ার ঝুঁকি বেড়ে যায়। সংস্থাটি স্কুল ও স্যানিটেশন বা পয়ঃনিষ্কাশন ব্যবস্থা ক্ষতিগ্রস্ত হওয়া, বাস্তুচ্যুত হওয়া এবং পরিবারের আয় কমে যাওয়ার ফলে মেয়েদের ওপর বাড়তি দায়িত্ব যেমন পরিবারের সদস্যদের দেখাশোনা করা ও পানি সংগ্রহের কাজ চাপা পড়তে পারে।

এই ধরনের চাপ বাল্যবিবাহের ঝুঁকিও বাড়িয়ে দিতে পারে, যার ফলে স্কুল পুনরায় খোলার পর মেয়েদের ক্লাসে ফিরে আসা আরও কঠিন হয়ে পড়ে। বিশ্লেষণ অনুযায়ী, পড়াশোনা ব্যাহত হওয়ার প্রধান কারণ ছিল ঝড়; গত বছর বিশ্বজুড়ে ১০ কোটি ৯০ লাখ শিক্ষার্থী এর কবলে পড়েছিল। বন্যার কারণে অন্তত ৭ কোটি শিক্ষার্থী ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছিল এবং তাপপ্রবাহের ফলে প্রায় ৫ কোটি শিশুর পড়াশোনা ব্যাহত হয়েছিল।

২০২৫ সালের এই সামগ্রিক পরিসংখ্যান আগের বছরের তুলনায় কম। আগের বছরের বিশ্লেষণে ইউনিসেফ জানিয়েছিল, ৮৫টি দেশের প্রায় ২৫ কোটি শিশু অর্থাৎ প্রতি সাতজনের মধ্যে একজন জলবায়ুজনিত দুর্যোগের শিকার হয়েছিল। সংস্থাটি আরও জানিয়েছে, তারা তাদের পদ্ধতি পরিবর্তন করেছে; সরকারি পরিসংখ্যানের পরিবর্তে এখন তারা বিভিন্ন সহায়তা সংস্থা ও স্থানীয় গণমাধ্যমের তথ্যের ওপর ভিত্তি করে এই বিশ্লেষণ তৈরি করছে।

ইউনিসেফ জানিয়েছে, বিশ্বের প্রায় ১০০ কোটি শিশু অর্থাৎ মোট শিশুর প্রায় অর্ধেক এমন সব দেশে বাস করে যেখানে জলবায়ু ও পরিবেশগত বিপর্যয়ের ঝুঁকি অত্যন্ত বেশি। সংস্থাটির প্রাক্কলন অনুযায়ী, পড়াশোনার ক্ষতি এবং সাক্ষরতা ও গাণিতিক দক্ষতার ওপর এর প্রভাবের ফলে আজীবন আয়ের ক্ষেত্রে অন্তত ২০০ বিলিয়ন (২০০ কোটি) ডলারের ক্ষতি হতে পারে এবং বৈশ্বিক বৈষম্য আরও বাড়তে পারে।

গবেষণায় বলা হয়েছে, ক্ষতিগ্রস্ত শিশুদের অধিকাংশই নিম্ন ও নিম্ন-মধ্যম আয়ের দেশগুলোর বাসিন্দা। যেসব দেশের শিক্ষাব্যবস্থায় জলবায়ু-সম্পর্কিত জরুরি পরিস্থিতিতে পড়াশোনা অব্যাহত রাখার জন্য প্রয়োজনীয় সম্পদের প্রায়শই অভাব থাকে। ইউনিসেফ সরকার ও তাদের অংশীদারদের প্রতি আহ্বান জানিয়েছে, যেন তারা জলবায়ু ও পরিবেশগত দুর্যোগ মোকাবিলায় সক্ষম নতুন শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান গড়ে তোলার ক্ষেত্রে আরও বেশি অর্থ ব্যয় করে।

সূত্র: আরব নিউজ।

কিউএনবি/অনিমা/১০ সেপ্টেম্বর ২০২৬,/রাত ৮:৩৫

Please Share This Post in Your Social Media

More News Of This Category

আর্কাইভস

September 2026
M T W T F S S
1234567
891011121314
15161718192021
22232425262728
293031  
© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত ২০১৫-২০২৬
IT & Technical Supported By:BiswaJit