মঙ্গলবার, ২০ অক্টোবর ২০২৬, ০৭:২২ পূর্বাহ্ন

রাকসু নির্বাচনী প্রচারণায় গিয়ে মন ‘দেওয়া-নেওয়া’, প্রেম গড়ালো বিয়েতে

Reporter Name
  • Update Time : সোমবার, ২০ এপ্রিল, ২০২৬
  • ৫৬ Time View

ডেস্ক নিউজ : গত বছরের অক্টোবরে বহুল কাঙ্ক্ষিত রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয় কেন্দ্রীয় ছাত্র সংসদ (রাকসু) নির্বাচন অনুষ্ঠিত হয়। এতে ছাত্র অধিকার পরিষদ মনোনীত প্যানেল থেকে সহকারী ক্রীড়া সম্পাদক পদে প্রার্থী হন রিদুয়ানুল হক ইমন। নির্বাচনী প্রচারণা গিয়ে মুসলিমার সঙ্গে হয় পরিচয়। এই পরিচয় থেকে ভাল লাগা। এরপর বন্ধুত্ব। বন্ধুত্ব থেকে হয় মন ‘দেওয়া-নেওয়া’। অবশেষে প্রেম গড়ালো বিয়েতে।

ইমন বিশ্ববিদ্যালয়ের ফিন্যান্স বিভাগের ২০২২–২৩ শিক্ষাবর্ষের শিক্ষার্থী। তার গ্রামের বাড়ি ময়মনসিংহ। মুসলিমা সমাজবিজ্ঞান বিভাগের ২০২৩–২৪ শিক্ষাবর্ষের শিক্ষার্থী। তার গ্রামের বাড়ি বাগেরহাট। গত ৭ এপ্রিল উভয় পরিবারের সম্মতিতে বিবাহবন্ধনে আবদ্ধ হন তারা। ১৭ এপ্রিল সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে বিষয়টি প্রকাশ পেলে সহপাঠীদের প্রশংসায় ভাসছেন এই দম্পতি।

সহপাঠীরা বলছেন, ‘হেরেও অনেক সময় জেতা যায়। এটারই দৃষ্টান্ত ইমন। নির্বাচনে জয়ী হতে না পারলেও ভালোবাসার জায়গায় ঠিকই সে জয়ী হয়েছেন।’

সম্পর্কে প্রারম্ভিক বিষয়টি তুলে ধরে ইমন জানান, রাকসু নির্বাচনের প্রচারণার শেষ দিনে তিনি মমতাজ উদ্দীন কলাভবনের সামনে যান। সেখানেই প্রথম দেখায় মুসলিমাকে ভালো লাগে। তার সঙ্গে থাকা বান্ধবীদের মধ্যে একজনকে আগে থেকেই চিনতেন ইমন। কিছুদিন পর মুসলিমা তাকে ফেসবুকে ফ্রেন্ড রিকোয়েস্ট পাঠান। এরপর দুজনের মধ্যে মেসেজে কথা শুরু হয়।

ইমন বলেন, ‘পরে জানতে পারি, সে (মুসলিমা) তালাইমারি এলাকায় থাকে। একদিন তাকে চা খাওয়ার আমন্ত্রণ জানাই। এরপর কয়েকদিন একসঙ্গে চা খাওয়া আর আড্ডার মধ্য দিয়ে আমাদের সম্পর্ক গড়ে ওঠে।’

পরিবারে বিষয়টি কীভাবে জানলো, জানতে চাইলে ইমন বলেন, ‘একবার সে অসুস্থ হলে আমি তাকে হাসপাতালে নিয়ে যাই। পরে তার ভাই আমাকে ফোন দেন। সেখান থেকেই তার পরিবারের সঙ্গে পরিচয় হয়। আমাদের পরিকল্পনা ছিল পরে বিয়ে করার। কিন্তু বিষয়টি পরিবারে জানাজানি হলে রাজশাহীতে উভয় পরিবার এসে কথা বলেন। এরপর ৭ এপ্রিল বিনোদপুর কাজী অফিসে আমাদের বিয়ে হয়। পরে ১৭ এপ্রিল আনুষ্ঠানিকভাবে সবাইকে জানানো হয়।’

শুরুর দিকে পরিবার রাজি ছিল না বলেও জানান ইমন। তিনি বলেন, ‘আমরা দুজনই এখনও শিক্ষার্থী। পরিবার চাইছিল পড়াশোনা শেষ করে বিয়ে করতে। তবে আমরা নিজেদের পরিবারের সঙ্গে কথা বলে তাদের রাজি করাই। পরে উভয় পরিবার সম্মতি দেয়।’

ভবিষ্যৎ পরিকল্পনা নিয়ে ইমন জানান, তারা দুজনই পড়াশোনা শেষ করে নিজেদের প্রতিষ্ঠিত করতে চান। দেশে বা বিদেশে ভালো চাকরি করার ইচ্ছা রয়েছে তাদের।

নিজের অনুভূতি ব্যক্ত করে মুসলিমা বলেন, ‘সবকিছু খুব অল্প সময়ের মধ্যেই হয়ে গেছে, কিন্তু অনুভূতিটা অনেক গভীর। প্রথমে বন্ধুত্ব, তারপর ভালো লাগা, অবশেষে জীবনসঙ্গী। এই সম্পর্কে যেমন বিশ্বাস ও আস্থা ছিল। সেটা আজীবন অটুট রাখতে চাই।

কিউএনবি/অনিমা/২০ এপ্রিল ২০২৬,/বিকাল ৫:৪১

Please Share This Post in Your Social Media

More News Of This Category

আর্কাইভস

October 2026
M T W T F S S
 12345
6789101112
13141516171819
20212223242526
27282930  
© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত ২০১৫-২০২৬
IT & Technical Supported By:BiswaJit