সোমবার, ২৬ জানুয়ারী ২০২৬, ০৯:৩৪ অপরাহ্ন

হ্যাঁ ভোটের পক্ষে প্রচারণা চালাতে নির্বাচনের সময়ে সকল চাকরি পরীক্ষা স্থগিতের দাবিতে স্মারকলিপি পরীক্ষার্থীদের

Reporter Name
  • Update Time : রবিবার, ১৮ জানুয়ারী, ২০২৬
  • ২৯৮ Time View

নিজস্ব প্রতিনিধি : আসন্ন জাতীয় সংসদ নির্বাচনে হ্যাঁ ভোটের পক্ষে প্রচারণা চালাতে নির্বাচনের সময়ে সকল চাকরি পরীক্ষা স্থগিতের দাবিতে প্রধান নির্বাচন কমিশনার কাছে স্মারকলিপি প্রদান করেছে চাকরি প্রত্যাশী পরীক্ষার্থীরা। আজ ১৮ জানুয়ারি বিকেল চারটায় ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় এর টেলিভিশন, ফিল্ম এন্ড ফটোগ্রাফি বিভাগের মাস্টার্সের শিক্ষার্থী জালাল আহমদের নেতৃত্বে চাকরি প্রার্থীদের একটা প্রতিনিধি দল আগারগাঁওয়ে নির্বাচন কমিশন অফিসে গিয়ে এই স্মারকলিপি প্রদান করেন। এ সময় উপস্থিত ছিলেন চাকরি প্রত্যাশী শিক্ষার্থী এনামুল হক জমিদার,আল আমিন,নাইমুল হাসান দুর্জয়, মাহমুদুল হাসান প্রমুখ।

স্মারকলিপি প্রদানের পর উপস্থিত সাংবাদিকদের কে প্রেস ব্রিফিং করেন কোটা সংস্কার আন্দোলন (২০১৮ এবং ২০২৪) এর আইন ও আদালত সেলের প্রধান সমন্বয়কারী জালাল আহমদ। তিনি জানান,”আমরা বাংলাদেশের তরুণ ভোটাররা দীর্ঘ প্রায় ১৭ বছর ধরে প্রকৃত অর্থে ভোটাধিকার প্রয়োগের সুযোগ থেকে বঞ্চিত ছিলাম। দীর্ঘ প্রতীক্ষার পর আসন্ন জাতীয় নির্বাচনের মাধ্যমে রাষ্ট্র পরিচালনায় মত প্রকাশের একটি গুরুত্বপূর্ণ ও ঐতিহাসিক সুযোগ আমাদের সামনে এসেছে। আগামী ২১ জানুয়ারি তারিখ থেকে দেশব্যাপী নির্বাচনী প্রচার-প্রচারণা শুরু হতে যাচ্ছে।

নির্বাচনকালীন এই সময়টি তরুণ ভোটারদের জন্য গণতান্ত্রিকভাবে সচেতন হওয়া, বিভিন্ন রাজনৈতিক কর্মসূচিতে অংশগ্রহণ করা এবং ভোটাধিকার প্রয়োগের মানসিক প্রস্তুতি গ্রহণের জন্য অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। একটি সুষ্ঠু, অংশগ্রহণমূলক ও গ্রহণযোগ্য নির্বাচনের স্বার্থে তরুণদের স্বতঃস্ফূর্ত অংশগ্রহণ অপরিহার্য।”তিনি আরো বলেন,”নির্বাচনকালীন সময়েই ৫০তম বিসিএসের প্রিলিমিনারি পরীক্ষা, ব‍্যাংকের পরীক্ষা সহ বিভিন্ন সরকারি চাকরির নিয়োগ পরীক্ষা থাকায় তরুণ ভোটারদের ওপর তীব্র মানসিক চাপ সৃষ্টি করছে। একদিকে জাতীয় নির্বাচনে নাগরিক দায়িত্ব পালনের প্রস্তুতি, অন্যদিকে কঠিন প্রতিযোগিতামূলক চাকরির পরীক্ষার চাপ—এই দ্বিমুখী পরিস্থিতি তরুণদের স্বাভাবিক মনোযোগ ও নির্বাচনে অংশগ্রহণকে মারাত্মকভাবে ব্যাহত করছে।”

তিনি আরো বলেন,”এবারের নির্বাচনে গণভোটে হ্যাঁ ভোটের পক্ষে প্রচারণা চালানোর জন্য নির্বাচনের প্রচারণার দিন ২১ জানুয়ারি থেকে ১২ ফেব্রুয়ারি পর্যন্ত সকল চাকরি পরীক্ষা স্থগিত করা অত্যন্ত জরুরী।তরুণ ভোটারদের সর্বোচ্চ অংশগ্রহণ নিশ্চিত করা কমিশনের একটি নৈতিক ও গুরুত্বপূর্ণ দায়িত্ব বলে আমরা মনে করি।সংবিধান অনুযায়ী নির্বাচনকালীন সময়ে নির্বাচন কমিশন সর্বোচ্চ ক্ষমতার অধিকারী। তাই নির্বাচন কমিশন নির্বাহী ক্ষমতা প্রয়োগ করে সকল চাকরির নিয়োগ পরীক্ষা স্থগিত করতে পারে।

এ সময় তারা তিন দফা দাবি উত্থাপন করেন।

দাবিসমূহ হলো:

১. আগামী ২১ তারিখের পর থেকে জাতীয় নির্বাচন সম্পন্ন না হওয়া পর্যন্ত ৫০তম বিসিএস প্রিলিমিনারি পরীক্ষা স্থগিত রাখার জন্য সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষকে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ।

২. একই সময়সীমার মধ্যে বাংলাদেশের সকল সরকারি চাকরির নিয়োগ পরীক্ষা স্থগিত রাখার ব্যবস্থা গ্রহণ।

৩. নির্বাচনকালীন সময়ে নতুন কোনো সরকারি চাকরির পরীক্ষার তারিখ ঘোষণা না করার বিষয়ে সংশ্লিষ্ট প্রতিষ্ঠানসমূহকে অনুরোধ বা নির্দেশনা প্রদান।

 

 

কিউএনবি/আয়শা/১৮ জানুয়ারী ২০২৬,/রাত ৮:২০

Please Share This Post in Your Social Media

More News Of This Category

আর্কাইভস

January 2025
M T W T F S S
 12345
6789101112
13141516171819
20212223242526
2728293031  
© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত ২০১৫-২০২৬
IT & Technical Supported By:BiswaJit