বৃহস্পতিবার, ১২ মার্চ ২০২৬, ০৬:২৫ অপরাহ্ন
শিরোনাম
খালেদা জিয়া কখনো গণতন্ত্র এবং স্বাধীনতার প্রশ্নে আপস করেননি : মির্জা ফখরুল চৌগাছায় এক কৃষক ১০ দিন ধরে নিখোঁজ, সন্ধান পেতে থানায় জিডি “স্বামীর ন্যায্য অধিকার দাবিতে নেত্রকোনায় সংবাদ সম্মেলন” বাবরের না থাকা ভুগিয়েছে পাকিস্তানকে, মন্তব্য সাবেক তারকাদের ধানের শীষে ভোট দেয়ায় ‘মাশুল’ গুনছেন হতদরিদ্ররা! ফুলবাড়ীতে ভিজিএফ চাল বিতরণে বঞ্চনার শিকার বিএনপি সমর্থকরা॥ বীরমুক্তিযোদ্ধার মৃত্যুতে উপজেলা প্রশাসনের শ্রদ্ধাঞ্জলী॥ চৌগাছায় মাদক সম্রাট ইসমাইলের ডেরাই সন্ধ্যা নামলেই বসে জুয়ার আসর, প্রতিকার চেয়ে এলাকাবাসীর থানায় অভিযোগ বাংলাদেশ, ভারতসহ ১৬ দেশের বিরুদ্ধে বাণিজ্য তদন্ত শুরু যুক্তরাষ্ট্রের সংসদের কার্য উপদেষ্টা কমিটি গঠন, আছেন যারা সংসদে বিশেষ অধিকার সম্পর্কিত স্থায়ী কমিটি গঠন, নেতৃত্বে যারা

খলিল নেই ১১ বছর, রয়ে গেছে তার অমর উপস্থিতি

Reporter Name
  • Update Time : রবিবার, ৭ ডিসেম্বর, ২০২৫
  • ১১০ Time View

বিনোদন ডেক্স : বাংলা চলচ্চিত্রের আকাশে এক উজ্জ্বল নক্ষত্রের নাম খলিল উল্লাহ খান। যিনি নায়ক হিসেবে তার যাত্রা শুরু করেছিলেন, কিন্তু খলনায়ক চরিত্রে এসে হয়ে উঠেছিলেন কিংবদন্তি। সময় বদলেছে, প্রজন্ম বদলেছে—তবু তার সংলাপের দৃঢ়তা, চোখের অভিব্যক্তি আর উপস্থিতির শক্তি আজও রোমাঞ্চ জাগায়। আজ (৭ ডিসেম্বর) তার প্রয়াণের ১১ বছর, তবু তিনি বাংলা সিনেমার ইতিহাসে অনন্ত স্বাক্ষর হয়ে আছেন। ১৯৫০-এর দশকে তরুণ খলিলের হাত ধরে বাংলা সিনেমায় জন্ম নেয় এক নতুন রোমান্টিক হিরো। তার সহজ-স্বচ্ছ অভিনয়, চওড়া হাসি আর ভরাট কণ্ঠ দর্শকের মন জয় করে নেয় দ্রুতই। ১৯৫৯ সালে জহির রায়হানের ‘সোনার কাজল’ ছবিতে প্রথম অভিনয় করেন খলিল। চলচ্চিত্রে আসার আগে বেশ কয়েকটি নাটকেও অভিনয় করেন।

 এক সাক্ষাৎকারে তিনি বলেছিলেন, ‘খলনায়ক চরিত্র আমার কাজ, মানুষ হিসেবে আমি নরম।’ এই কথাটিই যেন তার প্রকৃত পরিচয়। ২০১৪ সালের আজকের এই দিনে (৭ ডিসেম্বর) খলিল উল্লাহ খানের প্রয়াণ বাংলা চলচ্চিত্রের জন্য এক গভীর শূন্যতা তৈরি করেছিল। তার চলে যাওয়া শিল্পীদের মনে রেখেছে এক বেদনার দাগ, আর রেখে গেছে অপ্রতিরোধ্য শ্রদ্ধার ঢেউ। ১১ বছর পরেও শিল্পী-সহকর্মী-দর্শকরা তাকে স্মরণ করেন ভালোবাসা ও গর্বের সঙ্গে। পাঁচ দশকের বেশি সময় ধরে ৮ শতাধিক সিনেমায় অভিনয় করেছেন খলিল উল্লাহ খান। চলচ্চিত্র শিল্পে তিনি ছিলেন ‘শিল্পী’ শব্দটির এক শক্তিশালী প্রতীক। অসামান্য অভিনয়ের জন্য তিনি পেয়েছেন—জাতীয় চলচ্চিত্র পুরস্কার, বাচসাস পুরস্কার, এবং আরও বহু সম্মাননা।

১৯৩৪ সালের ১ ফেব্রুয়ারি সিলেটের কুমারপাড়ায় জন্মগ্রহণ করেন খলিল। তার বাবা ছিলেন পুলিশ অফিসার। তিনি ১৯৪৮ সালে সিলেট সরকারি উচ্চ বিদ্যালয় থেকে মাধ্যমিক ও ১৯৫১ সালে মদনমোহন কলেজ থেকে উচ্চ মাধ্যমিক সম্পন্ন করেন। পরে সিলেট মুরারিচাঁদ কলেজ থেকে স্নাতক ডিগ্রি অর্জন করেন। ১৯৫৪ সালে মানিকগঞ্জের রাবেয়া খানমকে বিয়ে করেন খলিল। এ দম্পতির পাঁচ ছেলে ও চার মেয়ে। খলিলের উল্লেখযোগ্য চলচ্চিত্রের মধ্যে রয়েছে—পুনম কি রাত, ভাওয়াল সন্ন্যাসী, উলঝান, সমাপ্তি, তানসেন, নদের চাঁদ, পাগলা রাজা, বেঈমান, অলঙ্কার, মিন্টু আমার নাম, ফকির মজনু শাহ, কন্যাবদল, মেঘের পরে মেঘ, আলোর মিছিল, এত টুকু আশা, আয়না, মধুমতি, ওয়াদা, ভাই ভাই, বিনি সুতার মালা, মাটির পুতুল, সুখে থাকো, অভিযান, কার বউ, কথা কও, দিদার, আওয়াজ, নবাব, নবাব সিরাজউদদৌলা (রঙিন), ভণ্ড অন্যতম।

 

 

 

কিউএনবি/মহন/৭ ডিসেম্বর ২০২৫/রাত ৮:২২

 

Please Share This Post in Your Social Media

More News Of This Category

আর্কাইভস

March 2026
M T W T F S S
 12
3456789
10111213141516
17181920212223
2425262728  
© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত ২০১৫-২০২৬
IT & Technical Supported By:BiswaJit