আন্তর্জাতিক ডেস্ক : গাজা যুদ্ধবিরতি নিয়ে যে ক্ষীণ আশার রেখা তৈরি হয়েছিল তা আবারও ঝাপসা হয়ে আসছে। সম্প্রতি একাধিকবার মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প বলেছেন, সপ্তাহখানেকের মধ্যেই যুদ্ধবিরতি বাস্তবায়িত হতে পারে। এমন আশাবাদ ব্যক্ত করেছে ইসরাইলি সংবাদমাধ্যম ও হামাসের এক শীর্ষ নেতাও। কিন্তু সেই সম্ভাবনায় আবারও ধাক্কা।
ফিলিস্তিনি ওই কর্মকর্তা বলেছেন, দোহায় হামাস ও ইসরাইলের মধ্যে আট দফা আলোচনা হয়েছে। ইসরাইল দোহায় এমন একটি প্রতিনিধিদল পাঠিয়েছে যাদের গুরুত্বপূর্ণ বিষয়ে সিদ্ধান্ত নেওয়ার কোনো ক্ষমতাই নেই। একই সঙ্গে নেতানিয়াহুর যুক্তরাষ্ট্র সফরের সময় প্রতিনিধিরা কৌশলে গতি মন্থর রাখছে।
মূল আলোচ্য বিষয় গাজা থেকে ইসরাইলি সেনা প্রত্যাহার এবং মানবিক সহায়তা বিতরণ, যেগুলোতে এখনো মতবিরোধ রয়ে গেছে। বৃহস্পতিবার যুক্তরাষ্ট্র ত্যাগ করেছেন নেতানিয়াহু।
এর আগে তিনি বলেছিলেন, ‘আগামী কয়েক দিনের মধ্যেই ৬০ দিনের একটি অস্থায়ী যুদ্ধবিরতির চুক্তি হবে এবং পরে স্থায়ী চুক্তির আলোচনা শুরু হবে। কিন্তু তিনি হুমকি দেন, হামাস যদি ইসরাইলের শর্তে রাজি না হয় তাহলে গাজায় আবারও হামলা শুরু হবে।
এই আলোচনার একটি বড় জটিলতা হলো গাজা থেকে ইসরাইলি সেনা কতদূর পর্যন্ত সরে যাবে। পঞ্চম দফা আলোচনায় ইসরাইল বলেছিল তারা সীমান্ত থেকে ১-১.৫ কিলোমিটারের মধ্যে থাকবে। কিন্তু পরবর্তীতে তারা যে মানচিত্র দিয়েছে তাতে দেখা গেছে, সেনারা গাজার তিন কিলোমিটার পর্যন্ত ভেতরে থাকবে।
এই ম্যাপ অনুযায়ী, রাফার পুরো অংশ, খান ইউনিসের পূর্বাঞ্চল (খুজা গ্রামের ৮৫ শতাংশ), বেঈত লাহিয়া ও বেঈত হানোনের বিস্তীর্ণ এলাকা এবং গাজা সিটির তুফাহ, সেজাইয়া ও জেইতুন এলাকায় ইসরাইলি সেনাদের উপস্থিতি থাকবে।
কিউএনবি/আয়শা//১২ জুলাই ২০২৫,/রাত ১১:৪৫