যদিও বৈঠকের আনুষ্ঠানিক বিবরণ গণমাধ্যমে প্রকাশ করা হয়নি, তবে এটিকে ২২ এপ্রিলের হামলার প্রতিক্রিয়া নিয়ে চলমান আলোচনার অংশ হিসাবে দেখা হচ্ছে।
যেখানে বন্দুকধারীরা পহেলগামে একদল পর্যটকের উপর গুলি চালিয়ে ২৬ জনকে হত্যা করে। এই হামলার পর ভারত-পাকিস্তানের মধ্যে চরম উত্তেজনা বিরাজ করছে। এরইমধ্যে দেশ দুটি পাল্টাপাল্টি বেশ কয়েকটি গুরুত্বপূর্ণ পদক্ষেপ ঘোষণা করেছে।
পাকিস্তান এর আগে দাবি করেছে তাদের কাছে নির্ভরযোগ্য গোয়েন্দা তথ্য আছে যে, ভারত ইসলামাবাদে সামরিক আক্রমণ চালাতে পারে। প্রধানমন্ত্রী মোদি এই সপ্তাহের শুরুতে অনুষ্ঠিত এক উচ্চ-স্তরের বৈঠকে প্রতিরক্ষা নেতৃত্বকে স্পষ্ট নির্দেশনা দিয়েছেন যে, ভারতীয় সশস্ত্র বাহিনীর আক্রমণের প্রকৃতি, লক্ষ্যবস্তু এবং সময় নির্ধারণের ‘সম্পূর্ণ অপারেশনাল স্বাধীনতা’ রয়েছে।
এছাড়া হামলার পর সর্বদলীয় বৈঠক ডেকেছিল ভারত সরকার। আগের বৈঠকে প্রতিরক্ষামন্ত্রী রাজনাথ সিং, জাতীয় নিরাপত্তা উপদেষ্টা অজিত ডোভাল, প্রতিরক্ষা প্রধান জেনারেল অনিল চৌহান এবং সেনাবাহিনী, নৌবাহিনী এবং বিমান বাহিনীর প্রধানরা উপস্থিত ছিলেন।
২০১৬ সালে, জম্মু ও কাশ্মীরের উরিতে ভারতীয় সৈন্যদের উপর হামলার পর এবং ২০১৯ সালে পুলওয়ামা বোমা হামলার পর বালাকোটে ভারত নিয়ন্ত্রণ রেখা পেরিয়ে সার্জিক্যাল স্ট্রাইক চালায়।
সূত্র: দ্য ইন্ডিয়ান এক্সপ্রেস