শনিবার, ৩১ অক্টোবর ২০২৬, ০৯:১০ পূর্বাহ্ন
শিরোনাম
যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যবর্তী নির্বাচনে ভোটার উপস্থিতিতে নতুন রেকর্ডের আভাস আজকের নামাজের সময়সূচি শেহজাদের ব্যাটে-বলে নৈপুণ্যে বসুন্ধরা স্ট্রাইকার্সের বড় জয় বাইন্যান্সের ৬৩০ কোটি ডলারের ডিজিটাল সম্পদ চুরির নেপথ্যে উত্তর কোরিয়া? সৌদি আরবের বিরুদ্ধে হুতিদের গোপনে সহায়তা করছে আমিরাত ইরান যুদ্ধের ৬ মাসে মার্কিন জ্বালানি কোম্পানির মুনাফা ১৩০ বিলিয়ন ডলার হরমুজ প্রণালিতে তিনটি ট্যাংকারে আগুন রামাল্লার পশ্চিমে নতুন অবৈধ বসতি স্থাপন শুরু করেছে ইসরায়েল ইউক্রেনে ৫০০ প্যাট্রিয়ট ক্ষেপণাস্ত্র বিক্রির অনুমোদন যুক্তরাষ্ট্রের সাংবাদিককে ‘খুবই বাজে দেখাচ্ছে’, ‘রয়টার্স জঘন্য’ কেন বললেন ট্রাম্প?

রমজানে কর্ণাটকের মুসলিম শ্রমিকদের বিশেষ উদ্যোগ

Reporter Name
  • Update Time : বুধবার, ১৯ মার্চ, ২০২৫
  • ১৮০ Time View

ডেস্ক নিউজ : রমজান মাস উপলক্ষ্যে এক অভিনব উদ্যোগ নিয়েছে ভারতের কর্ণাটক রাজ্যের গডগ-বেটাগেরি শহরের একদল মুসলিম শ্রমিক। পুরো রমজান মাসজুড়ে দরিদ্র ও এতিমদের সেহরি সরবরাহ করে চলেছে তারা। মূলত হোস্টেল, বাসস্ট্যান্ড এবং রেলস্টেশনে অবস্থান করা ৩৫০ জনেরও বেশি লোককে খাবার বিতরণ করছে তারা।

ইসলাম ধর্মে ‘সেহরি খিদমত’ রীতি অনুষ্ঠানের অংশ হিসেবে গত তিন বছর ধরে এই উদ্যোগ চালিয়ে আসছে তারা। রাতভর খাবার প্রস্তুত করে তারপর তা প্যাকেজিং করে, পরদিন ভোর ৩টা থেকে ৫টার মধ্যে এই খবর বিতরণ করছে।

ট্যাক্সি মালিক মাওলানা তাজউদ্দিন কাতারকি বলেন, ‘কোভিড মহামারির প্রথম লকডাউনের সময়কাল থেকেই এই জনহিতকর কার্যকলাপ শুরু হয়েছিল। আমাদের দলটির কোনও আনুষ্ঠানিক নাম নেই। নরসাপুরের আশ্রয়া কলোনিতে অবস্থিত মুনাব্বর মসজিদ খিদমতওয়ালা থেকেই আমাদের এই কর্মকাণ্ড পরিচালিত হয়ে থাকে।’

তাজউদ্দিন আরও জানান, ‘১৮ থেকে ৫২ বছর বয়সী প্রায় ১২০ জন সদস্য হয় এই কাজে যুক্ত আছেন। তাদের কেউ সরাসরি রান্না, প্যাকেজিং বা এই জাতীয় কাজে যুক্ত রয়েছেন কেউ বা অর্থ কিংবা খাদ্যশস্য দান করে সাহায্য করছেন। আমাদের সদস্যদের বেশিরভাগই সিএনজি চালক, নির্মাণ শ্রমিক, কাঠমিস্ত্রি, টাইলস শ্রমিক, ইলেকট্রিশিয়ান এবং অন্যান্য কাজে যুক্ত। কোভিডের পরে, আমরা সকলেই ঠিক করেছিলাম যে প্রতিবছর রমজান মাসে শহর জুড়ে দরিদ্রদের খাওয়ানোর ব্যবস্থা করব। কারণ আমরা সকলেই বিশ্বাস করি আমাদের এই কাজের মধ্য দিয়ে আল্লাহ খুশি হবেন এবং আমাদেরকে দোয়া করবেন।’

রমজান মাসের শুরু থেকেই প্রতিদিন রাত ৮টায় রান্না শুরু হয় এবং ভোর ২.৩০টায় প্যাকিং শুরু হয়। এরপর সেহেরির সময় পর্যন্ত আনুমানিক ভোর প্রায় সাড়ে ৫ টা পর্যন্ত তারা খাবারের প্যাকেট বিতরণ করে। ১০-১৫ জন সদস্যের নিয়ে ছয়টি টিম তৈরি করে এই খাবার বিতরণ করা হয়। ওই টিমের কাজে অনুপ্রাণিত হয়ে, স্থানীয় হাই স্কুল এবং কলেজ মিলিয়ে প্রায় ২০ টি শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের শিক্ষার্থীরা স্বেচ্ছায় সাহায্যের জন্য এগিয়ে এসেছে।

ওই প্রতিনিধি দলটি যখন খাবার বিতরণের জন্য বের হয়, তখন তাদের সঙ্গে থাকে একটি প্ল্যাকার্ড, যেখানে বড় বড় অক্ষরে লেখা ‘রোজাদারদের জন্য এই খাবার।’

তাজউদ্দিন জানান, ‘তবে অন্য সম্প্রদায়ের লোকেরাও যদি আমাদের কাছে খাবারের জন্য আসে, তবে তাদেরকেও খালি হাতে পাঠাই না। কারণ আমরা কখনোই কাউকে জিজ্ঞাসা করিনা যে ওই ব্যক্তি রোজা রেখেছেন কিনা।’

ওই টিমের সদস্য এবং স্থানীয় আইসক্রিম বিক্রেতা হুসেইন নরসাপুর জানান, তিনি তার উপার্জন থেকে কিছু অর্থ সঞ্চয় করেছিলেন যার মোট পরিমাণ ১ হাজার ৮০৭ রুপি। তিনি ওই অর্থ এই মহৎ কাজে দান করেছেন। তবে ইসলামের নীতি অনুসরণ করে এই দলটি মদ বিক্রেতা এবং মহাজনদের কাছ থেকে কোন অনুদান গ্রহণ করে না।

কিউএনবি/অনিমা/১৯ মার্চ ২০২৫,/রাত ৯:৩৪

Please Share This Post in Your Social Media

More News Of This Category

আর্কাইভস

October 2026
M T W T F S S
 12345
6789101112
13141516171819
20212223242526
27282930  
© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত ২০১৫-২০২৬
IT & Technical Supported By:BiswaJit