মঙ্গলবার, ২৮ জুলাই ২০২৬, ০২:৩১ অপরাহ্ন
শিরোনাম
তিব্বতে একের পর এক ক্লোন ইয়াক, বিশ্বজুড়ে নৈতিকতা নিয়ে প্রশ্ন বিএসইসির নতুন কমিশনার হোসেন সাদাত অভিনয়ে ফিরতে চান, ভবিষ্যতে পরিচালনাতেও আগ্রহ মাইলি সাইরাসের নুসরাত হত্যা : মৃত্যুদণ্ডপ্রাপ্ত ১৬ আসামির ডেথ রেফারেন্স ও আপিল শুনানি আজ আঞ্চলিক স্থিতিশীলতায় পাকিস্তানের ভূমিকায় প্রশংসা মার্কিন আইনপ্রণেতাদের বিশ্ববাজারে তেলের দামে বড় পতন, একদিনেই কমলো ১০ শতাংশের বেশি হাবিপ্রবির বিদেশি শিক্ষার্থীদের সঙ্গে উপাচার্যের মতবিনিময় জাতীয় অধ্যাপক হলেন ড. মাহবুব উল্লাহ রাজনৈতিক স্থিতিশীলতা বজায় থাকলে উন্নয়নের গতি বাড়বে: পরিবেশমন্ত্রী সৌদির তেল স্থাপনায় ড্রোন হামলার দাবি হুথিদের

সম্পদের সুরক্ষায় সর্বাত্মক লড়াই করা জায়েজ

Reporter Name
  • Update Time : বুধবার, ২৫ ডিসেম্বর, ২০২৪
  • ৫১ Time View

ডেস্ক নিউজ : ইসলাম ইহকাল ও পরকালের মধ্যে ভারসাম্য সৃষ্টি করেছে। একজন মুমিন শুধু পরকাল নিয়ে পড়ে থাকবে—ইসলাম এটা চায় না। ইসলাম চায় প্রয়োজন অনুসারে ইহকাল ধারণ করে মানুষ পরকালমুখী হোক। ইসলাম কখনো দুনিয়াদারি বাদ দিয়ে শুধু ধর্মকর্ম করার নির্দেশ দেয় না।

সমাজে দুর্বল হয়ে কোনো মুসলমান বসবাস করবে—এটা ইসলাম পছন্দ করে না। রাসুল (সা.) ইরশাদ করেন, ‘দুর্বল মুমিনের চেয়ে সবল মুমিন শ্রেষ্ঠ এবং আল্লাহর কাছে বেশি প্রিয়। তবে প্রত্যেকের মধ্যেই কল্যাণ আছে…।’ (মুসলিম, হাদিস : ২৬৬৪)

তাই দুনিয়ায় এমনভাবে চলা যাবে না যে জালিম ও প্রভাবশালীরা তার সম্পদ নিয়ে ছিনিমিনি খেলবে।

এ জন্য নিজের অর্জিত সম্পদের সুরক্ষার জন্য সর্বাত্মক চেষ্টা অব্যাহত রাখতে হবে। আবু হুরায়রা (রা.) থেকে বর্ণিত, এক ব্যক্তি রাসুল (সা.)-এর কাছে এসে জিজ্ঞেস করল, হে আল্লাহর রাসুল! যদি কেউ আমার সম্পদ ছিনিয়ে নিতে উদ্যত হয় তাহলে আমি কী করব? রাসুল (সা.) বলেন, তুমি তাকে তোমার সম্পদ নিতে দেবে না। লোকটি বলল, যদি সে আমার সঙ্গে এ নিয়ে মারামারি করে? রাসুল (সা.) বলেন, তুমি তার সঙ্গে মারামারি করবে। লোকটি বলল, আপনি কী বলেন! যদি সে আমাকে হত্যা করে? রাসুল (সা.) বলেন, তাহলে তুমি শহীদ হিসেবে গণ্য হবে।

লোকটি বলল, আপনি মনে করেন, যদি আমি তাকে হত্যা করি? রাসুল (সা.) বলেন, সে জাহান্নামি। (মুসলিম, হাদিস : ২৫৭)

শহীদ তিন ধরনের—

(১) ওই ব্যক্তি, যে ইসলামের জন্য কাফিরের সঙ্গে জিহাদ করে মারা যাবে। সে দুনিয়া ও আখিরাতে শহীদ হিসেবে বিবেচিত হবে। দুনিয়ায় তাকে গোসল ও জানাজা দিতে হবে না। আর আখিরাতে সে শহীদের মর্যাদা পাবে।

(২) ওই ব্যক্তি, যে আখিরাতে সওয়াবের দিক দিয়ে শহীদ হবে। কিন্তু সে দুনিয়ার নির্দেশাবলিতে শহীদ হবে না। যেমন—মহামারি বা পেটের অসুখে অথবা বাড়ি ধসে কিংবা নিজের সম্পদ রক্ষা করতে গিয়ে মারা গেলে। এমন ব্যক্তিকে গোসল দিতে হবে এবং সালাতে জানাজাও পড়তে হবে। তবে এরা আখিরাতে শহীদের সওয়াব পাবে। তবে এটা জরুরি নয় যে এমন ব্যক্তি প্রথম প্রকারের শহীদদের সমতুল্য হবে।

(৩) ওই ব্যক্তি, যাকে দুনিয়ার নির্দেশাবলির দিক দিয়ে শহীদ বলা হবে। তবে পরকালে শহীদের পুরোপুরি সওয়াব পাবে না। যেমন—যে ব্যক্তি আল্লাহর পথে যুদ্ধ করেছে, কিন্তু গনিমতের সম্পদের ক্ষেত্রে খিয়ানত করেছে। এ ধরনের লোক কাফিরদের সঙ্গে যুদ্ধ করার কারণে তাকে গোসল দিতে হবে না। জানাজার সালাত আদায় করবে না। কিন্তু আখিরাতে সে শহীদের পূর্ণ সওয়াব পাবে না। (শরহে নববী)

এভাবেই ইসলাম মানুষের জীবন ও সম্পদের নিরাপত্তা নিশ্চিত করেছে এবং প্রত্যেককে নিজ নিজ সম্পদ রক্ষায় সদা তৎপর থাকার নির্দেশ দিয়েছে।

কিউএনবি/অনিমা/২৫ ডিসেম্বর ২০২৪,/রাত ৯:১৬

Please Share This Post in Your Social Media

More News Of This Category

আর্কাইভস

July 2026
M T W T F S S
 123456
78910111213
14151617181920
21222324252627
282930  
© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত ২০১৫-২০২৬
IT & Technical Supported By:BiswaJit