স্থানীয় গণমাধ্যম জানিয়েছে, এখনই প্রয়োজন নেই- এমন নির্মাণকাজ কিংবা ভাঙার কাজ আপাতত বন্ধ থাকবে। কমে যাবে বাসের সংখ্যাও। দিল্লির মুখ্যমন্ত্রী অতিশী মারলেনা জানিয়েছেন, পরবর্তী সিদ্ধান্ত না জানানো পর্যন্ত শুক্রবার থেকে দিল্লির সব প্রাথমিক বিদ্যালয়ে অনলাইন পাঠদান চলবে।
যেসব ক্ষেত্রে কড়াকড়ি ১. এখনই প্রয়োজনীয় নয়, এমন সব নির্মাণকাজ কিংবা কোনো ভাঙার কাজ আপাতত বন্ধ থাকবে। জাতীয় নিরাপত্তা, স্বাস্থ্য ব্যবস্থা এবং কিছু সরকারি পরিকাঠামো সংক্রান্ত নির্মাণকাজকে এই কড়াকড়ির আওতার বাইরে রাখা হচ্ছে।
২. বিএস ৩-এর নিচে থাকা পেট্রল গাড়ি এবং বিএস ৪-এর নিচে থাকা ডিজেল গাড়ি চলাচল করতে পারবে না দিল্লির রাস্তায়। একই নিয়ম কার্যকর থাকবে দিল্লি সংলগ্ন উত্তরপ্রদেশের গুরুগ্রাম, ফরিদাবাদ, গাজিয়াবাদ এবং নয়ডায়।
৩. নিয়ন্ত্রণ করা হবে বাস চলাচলও। আন্তঃরাজ্য পরিবহনের ক্ষেত্রে বৈদ্যুতিক, সিএনজি এবং ডিজেলচালিত বিএস ৬ বাস ছাড়া অন্য কোনো বাস চলাচল করবে না।
৪. একমাত্র অত্যাবশ্যকীয় প্রয়োজনের ক্ষেত্রেই ডিজেলচালিত জেনারেটর ব্যবহার করা যাবে।
৫. জিআরএপি ৩ কার্যকর থাকাকালীন রাস্তায় ধুলা নিয়ন্ত্রণে রাখতে আরও বেশি পরিমাণে পানি ছেটানোর ব্যবস্থা করা হবে।
উল্লেখ্য, বৃহস্পতিবার (১৪ নভেম্বর) সকালেও দিল্লিতে বাতাসের গুণগত মানের সূচক পৌঁছায় ৪২৮-এ। দিল্লিতে দূষণ যে হারে বৃদ্ধি পেয়েছে, তাতে জিআরএপি ৩ জারি করা হবে কি না, তা নিয়ে গত কয়েক দিন ধরেই আলোচনা চলছিল।