মনিরুল ইসলাম মনি, শার্শা(যশোর)সংবাদদাতা : গত ৫ আগষ্ট বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনে ফ্যসিবাদী শেখ হাসিনা সরকার দেশত্যাগের পর থেকে যশোরের শার্শার বিভিন্ন ই্ধসঢ়;উনিয়নে ব্যাপক অনিয়ম ও দূর্নীতির অভিযোগ উঠেছে। অনিয়ম ও দূর্নীতির অভিযোগে রয়েছে নাগরিক সেবা না পাওয়া, মহিলা ও শিশু বিষয়ক মন্ত্রনালয়ের হতদরিদ্র মহিলাদের বিনামুল্যে প্রাপ্য ভিডব্লিউবি কার্ডের চাল বিতরনে দূর্নীতি, নিন্ম আয়ের মানুষের জন্য ১৫ টাকা কেজি দরের রেশন চাল ও স্বল্প মুল্যে টিসিবি পন্য বিতরনে ব্যপক অনিয়ম ও কালো বাজারে বিক্রি করা সহ নানান অভিযোগ ।শার্শা উপজেলা নির্বাহী অফিসার বরাবর এক লিখিত অভিযোগে জানাগেছে, সম্প্রতি ১০ নং শার্শা ইউনিয়ন পিরিষদের সচিব মাহাবুবুর রহমান মাহাবুব গত ৫ আগষ্ট বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের পর থেকে ইউনিয়ন পরিষদে ইউপি চেয়ারম্যান ও ইউপি সদস্যদের অনুপস্থিতিতে কৌশলে স্থানীয় কিছু দূর্বৃত্তদের ম্যানেরজ করে বিভিন্ন অনিয়ম ও দূর্নীতির মাধ্য পরিষদের কার্য পরিচালনা করছে।
যে কারনে ইউনিয়ন পরিষদে নাগরিক সেবা থেকে সাধারন জনগন বঞ্চিত হচ্ছে। সুবিধা ভোগি অল্প আয়ের মানুষের নামে বরাদ্ধকৃত ১৫ টাকা কেজি দরের চাল ও টিসিবি পন্য না দিয়ে বেশি লাভে কালো বাজারে বিক্রি করছেযে কারনে হরিলুট চলছে ও এম এস এর ১৫ টাকা কেজি দলের চাল ও টিসিবি পন্য বিতরনে। এমন ঘটনা শার্শা উপজেলার ডিহি, লক্ষনপুর , বাহাদুরপুর, বেনাপোল, পুটখালী, গোগা, কায়বা, বাগআঁচড়া, উলাশী ও নিজামপুর ইউনিয়নে চলছে বলেও অভিযোগ রয়েছে।অভিযোগে আরও জানাগেছে, গত ২৯ ও ৩০ অক্টোবর শার্শা ইউনিয়ন পরিষদের মাধ্যমে কতিপয় দূর্বৃত্তরাপ ইউপি সচিবের সহযোগিতায় নাসিমুল গনি শিল্পি নামে এক ডিলারের বরাদ্ধকৃত ১৫ টাকা কেজি দরের ৫১৩ বস্তা চাল নাভারন খ্যাদ্য গুদাম থেকে উত্তোলন করে।
উক্ত উত্তোলনকৃত চাল এর মধ্যে নাভারন খাদ্য গুদামের একজন চাল ব্যবসায়ীর মাধ্যমে ২১৩ বস্তা চাল নাভারন বাজারের আব্দুল মুজিদ নামে এক চাতাল ব্যবসায়ীর কাছে বিক্রি করার অভিযোগ উঠেছে। এ ছাড়া স্থানীয় দূর্বৃত্তরা বাকি চালের সিংহভাগ নিয়ে গেছে। এ সবের সহযোগিতার মুলে ইউপি সচিব মাহাবুবুর রহমান মাহাবুব এর নাম উঠে এসেছে।অভিযোগে আরও জানাগেছে, অনেকে এসব চাল উত্তোলন করতে আসলে তাদের মুল কার্ড কেড়ে নিয়ে তাদেরকে চাল দেওয়া হয়নি।অভিযোগে আরও জাজানগেছে, গত ৩ মাসে ইউপি সচিক মাহাবুবব অনেক হত দরিদ্রদের ভিজিএফ এর চাল না দিয়ে সেসব চাল বাজারে বিক্রি করেছে বলেও অভিযোগ রয়েছে।এ ব্যাপারে জানতে চাইলে সাথানীয়রা জানান, শার্শা ইউপি সচিব মাহাবুবুর রহমান মাহাবুব এর আশ্রয় ও প্রশ্রয়ে পরিষদে নানান অনিয়ম চলছে। এসব ব্যাপারে দেখার কেউ নেই।
এ ব্যাপারে জানতে চাইলে শার্শা ইউপি সচিব মাহাবুবুর রহমান মাহাবুব এর ব্যবহাতির মোবাইলে একাধিকবার ফোন দিলেও সে তার ফোন রিসিভ করেননি।এ ব্যাপারে জানতে চাইলে শার্শা উপজেলা নির্বাহী অফিসার কাজী নাজিব হাসান জানান,এসব বিষয়ে আমার কিছু জানানেই। তবে অভিযোগ পেলে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে। তিনি আরও বলেন বিষয়টি তদন্ত করে দেখা হবে। প্রমান পেলে ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
কিউএনবি/অনিমা/৩১ অক্টোবর ২০২৪,/দুপুর ১:৫২