শুক্রবার, ১৪ অগাস্ট ২০২৬, ১২:১২ পূর্বাহ্ন
শিরোনাম
চাঁদ দেখা যায়নি, পবিত্র ঈদে মিলাদুন্নবী (সা.) ২৬ আগস্ট এম‌পির সুনাম নষ্টের পাঁয়তারা করছে আ.লীগ ও জামায়াতপন্থীরা: সম্রাট মোল্লা  মিয়ানমারে পাচার হচ্ছিল ১,৩৬০ বস্তা সিমেন্ট, গ্রেপ্তার ৩ নোয়াখালীতে অটোরিকশা চালককে ধরে নিয়ে গুলি সিলেটের রায়নগরে ট্রিপল খুনের রহস্য উদঘাটনে নতুন ইস্যু আলোচনায় নেত্রকোণার যুবলীগ নেতা বাপ্পার নেতৃত্বে ঝটিকা মিছিল ৭৬০ বস্তা সারসহ পাঁচ পাচারকারী আটক ঠিকানা বদলেও ৯ বছর পর যাবজ্জীবন সাজাপ্রাপ্ত আসামি গ্রেপ্তার দেবীগঞ্জে শহীদ সাজু মিয়ার ২য় শাহাদাতবার্ষিকীতে স্মরণসভা ও দোয়া মাহফিল সড়ক দুর্ঘটনায় ক্ষতিপূরণ নিশ্চিত ও ন্যায়বিচারের দাবি ব্লাস্টের

যুক্তরাষ্ট্রের কোন শর্তগুলো মানেনি ইরান, জানাল হোয়াইট হাউস

Reporter Name
  • Update Time : সোমবার, ১৩ এপ্রিল, ২০২৬
  • ৬৮ Time View

আন্তর্জাতিক ডেস্ক : পাকিস্তানে দীর্ঘ ২১ ঘণ্টা চলা আলোচনায় যুক্তরাষ্ট্র যে কঠোর শর্তগুলো দিয়েছিল, তা মানতে রাজি হয়নি ইরান। রবিবার হোয়াইট হাউস জানিয়েছে, তারা ইরানের জন্য কিছু ‘অপরিবর্তনীয় শর্ত’ ঠিক করেছিল, যা কোনোভাবেই পরিবর্তন করা হবে না। তবে এসব শর্তের বেশিরভাগই আগে থেকেই ইরান প্রত্যাখ্যান করে আসছে। ছয় সপ্তাহের যুদ্ধের পরও তেহরান তার কঠোর অবস্থান ধরে রেখেছে।

যুক্তরাষ্ট্রের শর্তগুলোর মধ্যে ছিল—ইরানকে সব ধরনের ইউরেনিয়াম সমৃদ্ধকরণ (পারমাণবিক জ্বালানি তৈরির প্রক্রিয়া) বন্ধ করতে হবে। তাদের প্রধান পারমাণবিক স্থাপনাগুলো ভেঙে ফেলতে হবে। এছাড়া মাটির নিচে রাখা প্রায় ৪০০ কেজির বেশি উচ্চমাত্রার ইউরেনিয়াম তুলে দিতে হবে।

এর পাশাপাশি ইরানকে আঞ্চলিক শান্তি ও নিরাপত্তা কাঠামোতে যুক্ত হতে হবে এবং হামাস, হিজবুল্লাহ ও হুতিকে অর্থ সহায়তা বন্ধ করতে হবে। হরমুজ প্রণালি সম্পূর্ণ খুলে দিতে হবে এবং যাতায়াতে কোনো শুল্ক নেওয়া যাবে না—এমন শর্ত দেয় যুক্তরাষ্ট্র।

পাকিস্তান ত্যাগ করার সময় যুক্তরাষ্ট্রের ভাইস প্রেসিডেন্ট জেডি ভ্যান্স বলেন, এটি ছিল তাদের পক্ষ থেকে ‘সেরা ও শেষ প্রস্তাব’। ইরান চাইলে এখনো এই প্রস্তাব গ্রহণ করতে পারে।

তিনি বলেন, আলোচনার পরিবেশ কখনো কখনো কঠিন হলেও পুরোপুরি বৈরী ছিল না। দীর্ঘ সময় দরজা বন্ধ রেখে আলোচনার পর দুই পক্ষের মধ্যে কিছুটা পারস্পরিক সম্মানও তৈরি হয়।

তবে বিশ্লেষকদের মতে, ইরান আগে যেসব শর্ত মানেনি, সেগুলো এখনই মেনে নেওয়ার সম্ভাবনা কম। হরমুজ প্রণালি এখনো কার্যত বন্ধ থাকায় ইরান মনে করছে, তাদের হাতে বড় ধরনের চাপ সৃষ্টি করার ক্ষমতা রয়েছে।

অন্যদিকে, ডোনাল্ড ট্রাম্প ও তার প্রশাসন মনে করছে, যুদ্ধের পর ইরান অনেক দুর্বল হয়ে পড়েছে। তাই এখনই শর্ত মেনে নেওয়াই তাদের জন্য ভালো হবে। ট্রাম্প হরমুজ প্রণালিতে যুক্তরাষ্ট্রের নৌ অবরোধ ঘোষণা দিয়েছেন। এটাকে চাপ বাড়ানোর কৌশল হিসেবে দেখা হচ্ছে।

এদিকে যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ট্রাম্পের হুমকিকে গুরুত্ব দিচ্ছে না ইরান। দেশটির পার্লামেন্ট স্পিকার মোহাম্মদ বাকের গালিবাফ বলেছেন, হরমুজ প্রণালিতে মার্কিন নৌ অবরোধের হুমকি ইরানিদের ওপর কোনো প্রভাব ফেলবে না।

ইরানের স্পিকার বলেন, আপনারা যদি লড়াই করেন, আমরাও লড়াই করব। আর যদি যুক্তি নিয়ে আসেন, আমরা যুক্তি দিয়েই তার মোকাবিলা করব।

কিউএনবি/অনিমা/১৩ এপ্রিল ২০২৬,/সকাল ৮:১৩

Please Share This Post in Your Social Media

More News Of This Category

আর্কাইভস

August 2026
M T W T F S S
 123
45678910
11121314151617
18192021222324
25262728293031
© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত ২০১৫-২০২৬
IT & Technical Supported By:BiswaJit