শরীয়তপুর প্রতিনিধি : দেশ ব্যাপি জেলা, উপজেলা ও সিটি করপোরেশন পর্যায়ে মোট ৫৬০টি মডেল মসজিদ সাংস্কৃতিক কেন্দ্র নির্মাণ করে সদ্য বিদায়ী আওয়ামীলীগ সরকার। মুজিববর্ষ উপলক্ষে ২০২১ সালের ১০ জুন প্রথম ধাপের ৫০টি মডেল মসজিদ ও সাংস্কৃতিক কেন্দ্রের মধ্যে শরীয়তপুর সদর উপজেলা মডেল মসজিদটি ভিডিও কনফারেন্সের মাধ্যমে ভার্চুয়ালি উদ্বোধন করেন সাবেক প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা।
তিন বছর না যেতেই সেই মসজিদটির প্রতিটি দেয়ালে অসংখ্য ফাটল ধরেছে। ইতোমধ্যে মসজিদের দেয়াল মেরামতসহ ফাটল বন্ধ করে পুনরায় রঙে ঢেকে দেওয়া হয়েছে। এর পরেও আতঙ্ক কাটছে না মুছল্লিদের। ভয় ও আতঙ্কে মসজিদে নামাজ আদায় করছে মুসল্লিরা। অথচ নির্মাণ তত্ত্বাবধায়নকারী শরীয়তপুর গণপূর্ত বিভাগ বলছে মসজিদের দেয়ালে ফাটল মেজর কোন সমস্যা না।
জানা গেছে, শরীয়তপুর সদর উপজেলা মডেল মসজিটির নির্মাণ ব্যয় ছিল ১৪ কোটি ২৮ লাখ ৭৩ হাজার টাকা। সাংস্কৃতিক কেন্দ্র নির্মাণ প্রকল্প বাংলাদেশ সরকারের ইসলামিক ফাউন্ডেশনের তত্ত্বাবধানে পরিচালিত হয় এই প্রকল্পটি। স্থাপনা নির্মাণের দায়িত্বে ছিলেন গৃহায়ণ ও গণপূর্ত মন্ত্রনালয়। ঠিকাদারী প্রতিষ্ঠান ছিল শেখ এন্টারপ্রাইজ।
মসজিদে দায়িত্বরত মোয়াজ্জিনসহ মুসল্লিরা জানায়, অতি অল্প সময়ে মসজিদের দেয়ালে ফাটল ধরেছে। কেন এমন হয়েছে তা ঠিকাদারী প্রতিষ্ঠান বলতে পারবে। তবে নামাজের সময় ভয়ে থাকি। শেখ এন্টারপ্রাইজের স্বত্বাধিকারী মানিক শেখ জানায়, যে যে দেয়ালে ফাটল ধরেছে তা মেরামত করা হয়েছে। এখনও ফাইনাল বিল হয় নাই।
শরীয়তপুর গণপূর্ত বিভাগের নির্বাহী প্রকৌশলী মহিবুর রহমান প্রিন্স বলেন, আমি একজন বিল্ডিং এক্সপার্ট। তাছাড়া নিয়মিত সদর উপজেলা মডেল মসজিদে নামাজ পড়ি। মসজিদের ব্রিক ওয়ালে যে ফাটল ধরেছে তা বড় ধরণের কোন সমস্যা না। মসজিদের স্থায়িত্ব ২০০ বছর হবে।
কিউএনবি/আয়শা/০৬ অক্টোবর ২০২৪,/বিকাল ৫:৫৫