আন্তর্জাতিক ডেস্ক : চলতি বছরের শেষেই মহারাষ্ট্রে বিধানসভা নির্বাচন। সেই ভোটের আগে বিজেপি, শিবসেনা ও এনসিপির জোট সরকার গরুকে অস্ত্র করছে বলে মনে করা হচ্ছে।
মন্ত্রিসভার এই সিদ্ধান্ত প্রসঙ্গে মহারাষ্ট্রের উপমুখ্যমন্ত্রী ও বিজেপি নেতা দেবেন্দ্র ফড়ণবীস সংবাদ সংস্থা এএনআইকে বলেন, ‘দেশি গরুরা কৃষকদের কাছে আশীর্বাদস্বরূপ। তাই আমরা সেগুলোকে রাজ্যমাতা হিসাবে স্বীকৃতি দেয়ার সিদ্ধান্ত নিয়েছি। তিনি আরও বলেন, ‘গোশালায় এই গরুগুলোকে প্রতিপালন করার জন্য আমরা সাহায্যের হাত বাড়িয়ে দেব বলে স্থির করেছি।’
মহারাষ্ট্র সরকার গরু পালককারীদের জন্য একটি ভর্তুকি প্রকল্পও ঘোষণা করেছে। এই প্রকল্পের আওতায় দেশি গরু পালনের জন্য প্রতিদিন কৃষক প্রতি ৫০ টাকা করে ভর্তুকি দেয়া হবে।
মুখ্যমন্ত্রীর কার্যালয় থেকে বলা হয়েছে, ‘গোশালাগুলোর আয় কম হওয়ায় তারা অনেক সময়ই গোশালা চালানোর ব্যয়ভার বহন করতে পারে না। তাই তাদের শক্তিশালী করার সিদ্ধান্ত নিয়েছে মহারাষ্ট্র সরকার।
২০১৯ সালে ২০তম পশুশুমারিতে দেখা যায়, মহারাষ্ট্রে ৪৬ লক্ষ ১৩ হাজার ৬৩২টি দেশি গরু রয়েছে। ১৯তম পশুশুমারির সঙ্গে হিসাব মিলিয়ে দেখা যায়, আগের তুলনায় দেশি গরুর সংখ্যা ২০ দশমিক ৬৯ শতাংশ কমেছে।
ওই পশুশুমারির পরই দেশি গরুর সংখ্যা বৃদ্ধিতে উদ্যোগ নেওয়ার পরিকল্পনা গ্রহণ করে মহারাষ্ট্র সরকার। তারই অংশ হিসেবে দেশি প্রজাতির গরুকে ‘রাজ্যমাতা’ বলে ঘোষণা করা হল।
এ বিষয়ে সরকারের পক্ষ থেকে একটি বিস্তারিত নির্দেশিকা প্রকাশ করা হয়েছে। নির্দেশিকায় বলা হয়েছে, ভারতীয় ঐতিহ্যের এক গুরুত্বপূর্ণ অংশ হল দেশি গরু। বহু যুগ ধরে এই গরু অধ্যাত্মিকতা তো বটেই আর্থ-সামাজিক ও আয়ুর্বেদে উল্লেখযোগ্য অবদান রেখে এসেছে।
সূত্র: আনন্দবাজার, হিন্দুস্তান টাইমস
কিউএনবি/আয়শা/০৩ অক্টোবর ২০২৪,/বিকাল ৫:৫৩