মঙ্গলবার, ৩০ জুন ২০২৬, ০৬:৫৮ পূর্বাহ্ন

ইরানি হামলার নিন্দা জানাল সৌদি-আমিরাত

Reporter Name
  • Update Time : সোমবার, ১৬ মার্চ, ২০২৬
  • ৬৬ Time View

আন্তর্জাতিক ডেস্ক : সৌদি যুবরাজ মোহাম্মদ বিন সালমান এবং আরব আমিরাতের প্রেসিডেন্ট মোহাম্মদ বিন জায়েদ আল নাহিয়ান উপসাগরীয় দেশগুলোর ওপর চলমান ইরানি হামলার নিন্দা জানিয়েছেন। সোমবার (১৫ মার্চ) সৌদি প্রেস এজেন্সির প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, মধ্যপ্রাচ্যের নেতারা এসব হামলাকে বিপজ্জনক উত্তেজনা বৃদ্ধি বলে উল্লেখ করে বলেছেন, এতে আঞ্চলিক নিরাপত্তা হুমকির মুখে পড়ছে।

প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, সোমবার দুই নেতা টেলিফোনে কথা বলেন। আলোচনায় মধ্যপ্রাচ্যে চলমান সামরিক উত্তেজনা এবং এর ফলে আঞ্চলিক ও বৈশ্বিক নিরাপত্তার ওপর সম্ভাব্য ঝুঁকি নিয়ে আলোচনা হয়। দুই নেতা উপসাগরীয় দেশগুলোর ওপর ইরানের ধারাবাহিক হামলার নিন্দা জানিয়ে বলেন, এটি একটি গুরুতর উত্তেজনা সৃষ্টি করছে এবং আঞ্চলিক স্থিতিশীলতার জন্য হুমকি। তারা বলেন, এসব হামলা উপসাগরীয় দেশগুলোর সার্বভৌম অধিকারের লঙ্ঘন এবং আন্তর্জাতিক নিয়মেরও পরিপন্থী।

জিসিসি দেশগুলোর প্রতিরক্ষার অঙ্গীকার

দুই নেতা বলেন, গালফ কো-অপারেশন কাউন্সিল (জিসিসি) সদস্য দেশগুলো নিজেদের ভূখণ্ড রক্ষায় সর্বোচ্চ চেষ্টা করবে। একই সঙ্গে আঞ্চলিক স্থিতিশীলতা বজায় রাখতে সব ধরনের সক্ষমতা কাজে লাগানো হবে বলেও তারা জানান। তবে উত্তেজনা কমাতে দ্রুত সামরিক সংঘাত বন্ধ করার ওপরও জোর দেন তারা। পাশাপাশি সংকট সমাধানে সংলাপ ও কূটনৈতিক উদ্যোগকে অগ্রাধিকার দেওয়ার আহ্বান জানান।

হামলার দায় অস্বীকার ইরানের রাষ্ট্রদূতের

এদিকে সৌদি আরবে নিযুক্ত ইরানের রাষ্ট্রদূত আলিরেজা ইনায়েতি হামলার দায় তেহরানের ওপর না চাপানোর কথা বলেছেন। সামাজিক মাধ্যম এক্সে দেওয়া এক পোস্টে তিনি দাবি করেন, যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরাইলকে ইঙ্গিত করে ‘শত্রুপক্ষ’ ইরানের তৈরি সাহেদ ড্রোনের মতো দেখতে ড্রোন ব্যবহার করছে, যেগুলোকে ‘লুকাস ড্রোন’ নামে চালানো হচ্ছে।

তিনি আরও বলেন, ইরান কেবল অঞ্চলে যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরাইলের স্বার্থ সংশ্লিষ্ট লক্ষ্যবস্তুতে হামলা করছে। উপসাগরীয় দেশগুলোর ওপর হামলার সঙ্গে তেহরানের কোনো সম্পৃক্ততা নেই। তবে এই দাবি নিয়ে ব্যাপক সন্দেহ দেখা দিয়েছে। সমালোচকরা বলছেন, ইরানের সামরিক নেতৃত্ব আগেই উপসাগরীয় দেশগুলোকে হুমকি দিয়েছে। এছাড়া মার্কিন সামরিক স্থাপনায় হামলার লক্ষ্য থাকলেও এর আশপাশের বেসামরিক এলাকাগুলোও ঝুঁকির মুখে পড়তে পারে।

আঞ্চলিক কর্তৃপক্ষের তথ্য অনুযায়ী, ফেব্রুয়ারির শেষ দিকে সংঘাত শুরুর পর থেকে উপসাগরীয় দেশগুলোর দিকে হাজার হাজার ইরানি ক্ষেপণাস্ত্র ও ড্রোন নিক্ষেপ করা হয়েছে। এসব হামলায় বিমানবন্দর, সমুদ্রবন্দর, জ্বালানি স্থাপনা এবং বেসামরিক এলাকাও ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে বলে জানানো হয়েছে। এর ফলে পুরো অঞ্চলে বড় ধরনের যুদ্ধ ছড়িয়ে পড়ার আশঙ্কা আরও বেড়েছে।

 

কিউএনবি/আয়শা/১৬ মার্চ ২০২৬,/রাত ৮:১৪

Please Share This Post in Your Social Media

More News Of This Category

আর্কাইভস

June 2026
M T W T F S S
 1
2345678
9101112131415
16171819202122
23242526272829
3031  
© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত ২০১৫-২০২৬
IT & Technical Supported By:BiswaJit