আন্তর্জাতিক ডেস্ক : সোমবার (২৩ সেপ্টেম্বর) পেন্টাগন জানিয়েছে, মধ্যপ্রাচ্যে সংঘাত বাড়ার ঘটনায় সতর্কতার জন্য ওই অঞ্চলে মোতায়েন করা বাহিনীর শক্তি বাড়াতে আরও সেনা পাঠানোর সিদ্ধান্ত নেয়া হয়েছে। খবর রয়টার্সের।
পেন্টাগনের মুখপাত্র এয়ার ফোর্স মেজর জেনারেল প্যাট্রিক রাইডার সাংবাদিকদের বলেন, ‘সতর্কতার কারণে আমরা এই অঞ্চলে আমাদের বাহিনীর পরিসর বাড়ানোর জন্য অল্প সংখ্যক অতিরিক্ত মার্কিন সামরিক কর্মী পাঠাচ্ছি।’
তবে মোতায়েন করা বাহিনীর সুনির্দিষ্ট সংখ্যা জানাতে অস্বীকৃতি জানিয়েছেন তিনি। গাজায় হামাসের বিরুদ্ধে প্রায় এক বছরের যুদ্ধের পর, সম্প্রতি ইসরাইল তার উত্তর সীমান্তে হিজবুল্লাহর বিরুদ্ধে সামরিক হামলার সিদ্ধান্ত নিয়েছে। যেখানে হিজবুল্লাহ তার মিত্র হামাসের সমর্থনে ইসরাইলে রকেট নিক্ষেপ অব্যাহত রেখেছে।
এদিকে সোমবার ইসরাইলের সামরিক বাহিনী হিজবুল্লাহর বিরুদ্ধে লেবাননের দক্ষিণে, পূর্ব বেকা উপত্যকায় এবং সিরিয়ার নিকটবর্তী উত্তরাঞ্চলে সবচেয়ে বড় হামলা চালিয়েছে। একটি নিরাপত্তা সূত্র রয়টার্সকে জানিয়েছে, সোমবার সন্ধ্যায় লেবাননের রাজধানীর দক্ষিণ উপকণ্ঠে হিজবুল্লাহর সিনিয়র নেতা আলী কারাকিকে লক্ষ্য করে হামলা চালায় ইসরাইল।
এদিকে কূটনীতির মাধ্যমে গাজার সংঘাত নিয়ন্ত্রণ এবং ইসরাইল-লেবানন সীমান্ত উত্তেজনা সমাধানের আহ্বান জানিয়েছেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট জো বাইডেন। তিনি হামাসের সঙ্গে যুদ্ধবিরতি এবং জিম্মি চুক্তির পাশাপাশি ইসরাইল-লেবানন সীমান্তে উত্তেজনা কমাতে দৃঢ়প্রতিজ্ঞও বলে জানান হোয়াইট হাউসের জাতীয় নিরাপত্তা উপদেষ্টা জ্যাক সুলিভান।
মার্কিন টেলিভিশন চ্যানেল এমএসএনবিসিকে দেয়া এক সাক্ষাৎকারে এ কথা জানান সুলিভান। তিনি বলেন, বাইডেন এখনও হাল ছেড়ে দেননি। কয়েকদিন ধরেই সীমান্তে পাল্টাপাল্টি হামলা চালাচ্ছে ইসরাইল-হিজবুল্লাহ। লেবাননে ইসরাইলের হামলায় কমপক্ষে ৫৫৮ জন নিহত হয়েছেন। যাদের মধ্যে ৫০ জন শিশু এবং ৯৪ জন নারী। এর জবাবে উত্তর ইসরাইলে প্রায় ২০০টি রকেট ছুড়েছে হিজবুল্লাহ।
কিউএনবি/আয়শা/২৪ সেপ্টেম্বর ২০২৪,/রাত ৯:০৫