বিনোদন ডেস্ক : কোটা সংস্কার আন্দোলন থেকে রূপ নেওয়া অসহযোগ আন্দোলনে প্রধানমন্ত্রীর পদ থেকে সরে গিয়ে দেশ ছেড়েছেন শেখ হাসিনা। আন্দোলনকে ঘিরে উত্তপ্ত হয়ে উঠেছিল বাংলাদেশের পরিস্থিতি, সুপ্রিম কোর্টের রায়ে সংরক্ষণব্যবস্থা ঢেলে সাজালেও পিছু হটেননি আন্দোলনকারীরা। ছাত্র হত্যার দায়ে হাসিনা সরকারের পদত্যাগের দাবিতে অনড় ছিলেন তারা। সেই গণ-অভ্যুত্থান সোমবার চরম আকার ধারণ করে।
বাধ্য হয়েই দেশ ছেড়েছেন শেখ হাসিনা। বাংলাদেশ ছেড়ে ভারতে সাময়িক আশ্রয় নিয়েছেন হাসিনা। বাংলাদেশের চলমান পরিস্থিতির দিকে কড়া নজর রাখছে ভারত। প্রতি মুহূর্তের আপটেড যাচ্ছে মোদির কাছে।
সূত্র বলছে, ভারত থেকে লন্ডন উড়ে যাবেন হাসিনা। এদিকে শেখ হাসিনার ভারতে যাওয়া প্রসঙ্গে নিজের মতামত জানালেন বলিউড অভিনেত্রী ও সংসদ সদস্য কঙ্গনা রানাওয়াত। সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম এক্সে (টুইটার) কঙ্গনা লেখেন, ‘ভারত হলো তার আশপাশের সব মুসলিম রাষ্ট্রের আসল মাতৃভূমি। আমরা গর্বিত এবং সম্মানিত যে বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী ভারতে সুরক্ষিত বোধ করেন।
’নিজের দেশের নিরাপত্তার প্রশংসা করে কঙ্গনা আরো লেখেন, ‘মুসলিম দেশে তো মুসলমানরাও সুরক্ষিত নয়। আফগানিস্তান, পাকিস্তান, বাংলাদেশ, ব্রিটেনে যা ঘটছে সেটা খুবই দুর্ভাগ্যজনক। আমরা সৌভাগ্যবান যে রামরাজ্যে থাকি। জয় শ্রীরাম।’
গতকাল (৫ আগস্ট) বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের গণভবন অভিমুখে যাত্রা ঘিরে উত্তেজনার মধ্যে প্রধানমন্ত্রীর পদ থেকে ইস্তফা দিয়ে দেশ ছাড়েন শেখ হাসিনা।
পরিবর্তিত পরিস্থিতিতে বিভিন্ন রাজনৈতিক দলের নেতাদের সঙ্গে আলোচনায় বসেন সেনাবাহিনীর প্রধান জেনারেল ওয়াকার-উজ-জামান। বৈঠকে রাষ্ট্রপতির সঙ্গে সাক্ষাৎ করে অন্তর্বর্তীকালীন সরকার গঠনের প্রক্রিয়া ও রূপরেখা প্রণয়নের বিষয়ে সিদ্ধান্ত হয়।
পদত্যাগের পর দুপুর আড়াইটার দিকে একটি সামরিক হেলিকপ্টার শেখ হাসিনাকে নিয়ে ভারতের উদ্দেশে যাত্রা শুরু করে। তাঁর সঙ্গে ছোট বোন শেখ রেহানাও ছিলেন। ভারত থেকে তিনি ইউরোপের কোনো দেশে বা লন্ডন যেতে পারেন বলে প্রাথমিক তথ্যে জানা গেছে। তবে শেখ হাসিনা যুক্তরাজ্যে আশ্রয় চেয়েছেন বলে খবর দিচ্ছে ভারতের বেশ কয়েকটি সংবাদমাধ্যম।
কিউএনবি/আয়শা/০৬ অগাস্ট ২০২৪,/সন্ধ্যা ৬:৪২