আন্তর্জাতিক ডেস্ক : ভারতের লোকসভা নির্বাচনে মুসলিম জনগোষ্ঠীর বিরুদ্ধে নির্বাচনি প্রচারে আক্রমণাত্মক বক্তব্য দিয়ে চলেছেন সেদেশের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি। তার এসব বক্তব্য এবং দেশটিতে ফেসবুক, ইউটিউব, টুইটারের মতো সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমের নিয়ন্ত্রণ নিয়ে প্রতিক্রিয়া জানিয়েছে যুক্তরাষ্ট্র।
বৃহস্পতিবার মার্কিন পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের নিয়মিত ব্রিফিংয়ে ভারতে চলমান নির্বাচন কেন্দ্র করে ভীতি প্রদর্শন, মুসলমানদের লক্ষ্য করে প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির আক্রমণাত্মক বক্তব্য প্রদানসহ বিভিন্ন ইস্যুতে দৃষ্টি আকর্ষণ করা হলে এ কথা বলেন মিলার।
ব্রিফিংয়ে ভারতে মতপ্রকাশ বিঘ্নিত হওয়া এবং মুসলমানদের মধ্যে ভয়ের পরিবেশ সৃষ্টি হওয়ার কথা উল্লেখ করে এক সাংবাদিক জানতে চান, বিশ্বের বৃহৎ গণতান্ত্রিক দেশ ভারতে নির্বাচন শুরু হয়েছে। কিন্তু দেশটিতে ভীতি প্রদর্শন, হয়রানির মাত্রা বেড়েছে, মুসলমানদের উদ্দেশ্য করে প্রধানমন্ত্রীর নরেন্দ্র মোদির আক্রমণাত্মক বক্তব্যে দেশটির প্রায় ২০ কোটি মুসলমানের মধ্যে ভয় ছড়িয়ে দিয়েছে। দেশটিতে অনিশ্চয়তার এক পরিবেশ বিরাজ করছে। একই সময়ে ভারত সরকারের অনুরোধে টুইটার, গুগল, মেটার মতো সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমগুলো গুরুত্বপূর্ণ কন্টেন্ট সরিয়ে নিচ্ছে। এটি মতপ্রকাশের স্বাধীনতাকে বাধাগ্রস্ত করছে। যুক্তরাষ্ট্রভিত্তিক এসব সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমগুলোর সুরক্ষা এবং মতপ্রকাশের স্বাধীনতা নিশ্চিতে কী ধরনের পদক্ষেপের কথা ভাবছেন?
মিলার বলেন, আপনার প্রশ্নটি গ্রহণ করা হলো। সুনির্দিষ্ট কী পদক্ষেপ নেওয়া হবে সেটি নিয়ে পরে জানানো হবে। এটা নিয়ে আগাম কোনো কথা বলছি না। তবে নিশ্চিতভাবে যেটি বলতে চাই সেটি হলো, পৃথিবীর সব দেশে মতপ্রকাশের স্বাধীনতাকে আমরা সমর্থন করি।
কিউএনবি/আয়শা/০৩ মে ২০২৪,/দুপুর ১:৪৩