আন্তর্জাতিক ডেস্ক : শুক্রবার (২৬ এপ্রিল) এক প্রতিবেদনে এ তথ্য জানিয়েছে জার্মান সংবাদমাধ্যম ডয়চে ভেলে। ইসরাইলি বাহিনীর সামরিক অভিযানের কারণে স্থলপথে গাজার মানুষের জন্য প্রয়োজনীয় ত্রাণ পাঠানোর কাজ অত্যন্ত কঠিন হয়ে উঠেছে। তাই মানবিক সাহায্য পাঠাতে গত মার্চ মাসে বন্দর তৈরির ঘোষণা দেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট জো বাইডেন। তবে তিনি স্পষ্ট করে দেন, এই উদ্যোগের আওতায় গাজার মাটিতে কোনো মার্কিন সেনা পা রাখবে না।
বাইডেনের ঘোষণা অনুযায়ী মার্কিন সেনাবাহিনী গাজা উপকূলের কাছে সমুদ্রের ওপর অস্থায়ী বন্দর তৈরির কাজ শুরু করেছে। আগামী মে মাসেই বন্দরটি প্রস্তুত হয়ে যাওয়ার কথা রয়েছে। তবে এই অস্থায়ী বন্দর গাজার প্রায় ২৩ লাখ মানুষের জন্য পাঠাতে কতটা সাহায্য করবে এবং সেই সহায়তা স্থলপথে কীভাবে মানুষের কাছে পৌঁছানো সম্ভব হবে, তা এখনো স্পষ্ট নয়।
অস্থায়ী বন্দর তৈরির কাজ শেষ হলে প্রথম পর্যায়ে দিনে ৯০টি ট্রাক সেখান থেকে ত্রাণ সংগ্রহ করতে পারবে। কাজ পুরোপুরি শেষ হলে ১৫০টি ট্রাক সেই বন্দরে প্রবেশ করতে পারবে। ট্রাক চলাচলের গতি অনেকটাই নির্ভর করবে ইসরাইলি চেকপোস্টের ওপর।
কিউএনবি/আয়শা/২৬ এপ্রিল ২০২৪,/সন্ধ্যা ৭:৩০