হাফিজ উ ল্লাহ চৌধুরী আলিম ,জেলা প্রতিনিধি ,নেত্রকোনা নেত্রকোণা-২ (সদর-বারহাট্টা) আসনের সদর উপজেলার মদনপুর ইউনিয়নে ১১ দলীয় জোটের প্রার্থী ও জামায়াতে ইসলামীর নেতাকর্মীদের ওপর বর্বরোচিত হামলা এবং নির্বাচনি প্রচারণার গাড়ি ভাঙচুরের ঘটনা ঘটেছে।
১১ দলীয় জোটের প্রার্থী মো: ফাহিম রহমান খান পাঠান গতকালকের এই ন্যাক্কারজনক ঘটনার প্রতিবাদে এবং সুষ্ঠু নির্বাচনি পরিবেশ নিশ্চিত করার দাবিতে নেত্রকোণা জেলা শহরে নেত্রকোনা জেলা প্রেসক্লাবে আজ বিকালে এক জরুরি সংবাদ সম্মেলন অনুষ্ঠিত হয়েছে। সংবাদ সম্মেলনে জানানো হয়, গতকাল সদর উপজেলার মদনপুর ইউনিয়নে ১১ দলীয় জোটের মনোনীত ‘শাপলা কলি’ প্রতীকের সমর্থনে প্রচারণায় অংশ নিয়েছিলেন জামায়াতে ইসলামীর নেতাকর্মীরা।
প্রচারণা চলাকালীন হঠাৎ বিএনপির নেতাকর্মীরা দেশীয় অস্ত্র নিয়ে তাদের ওপর অতর্কিত হামলা চালায়। হামলায় বেশ কয়েকজন নেতাকর্মী আহত হন এবং প্রচারণার কাজে ব্যবহৃত গাড়িগুলো ভাঙচুর করে ব্যাপক ক্ষতিসাধন করা হয়। সংবাদ সম্মেলনে অভিযোগ করা হয় যে, শুধু শারীরিক হামলা নয়, নির্বাচনি পরিবেশ নষ্ট করতে পরিকল্পিতভাবে পৌরসভা এলাকার আবু আব্বাস কলেজের সামনেসহ অসংখ্য গুরুত্বপূর্ণ স্থান থেকে ‘শাপলা কলি’র ব্যানার ও ফেস্টুন ছিঁড়ে ফেলা হয়েছে।
গত কয়েকদিন ধরে ধারাবাহিকভাবে জোটের নির্বাচনি পোস্টার ও প্রচারণায় বাধা প্রদান করা হচ্ছে বলে নেতারা দাবি করেন। সংবাদ সম্মেলনে উপস্থিত জোটের স্থানীয় নেতৃবৃন্দ এই ঘটনার তীব্র নিন্দা জানিয়ে বলেন: ”আমরা শান্তিপূর্ণভাবে নির্বাচনি প্রচারণা চালাচ্ছিলাম, কিন্তু বিরোধী পক্ষ গণতান্ত্রিক পরিবেশ নষ্ট করে পেশিশক্তি ব্যবহার করছে। প্রশাসনের নাকের ডগায় আমাদের ব্যানার ছিঁড়ে ফেলা হচ্ছে এবং নেতাকর্মীদের রক্তাক্ত করা হচ্ছে। আমরা অবিলম্বে হামলাকারীদের গ্রেফতার এবং সুষ্ঠু তদন্তের দাবি জানাচ্ছি।
১১ দলীয় জোটের পক্ষ থেকে জেলা রিটার্নিং কর্মকর্তা এবং পুলিশ প্রশাসনের কাছে লিখিত অভিযোগ দাখিলের প্রস্তুতি চলছে। বক্তারা হুশিয়ারি দিয়ে বলেন, যদি দোষীদের বিরুদ্ধে দ্রুত ব্যবস্থা নেওয়া না হয় এবং সকল প্রার্থীর জন্য সমান সুযোগ নিশ্চিত করা না হয়, তবে সাধারণ মানুষকে সাথে নিয়ে কঠোর কর্মসূচি দেওয়া হবে।
কিউএনবি/আয়শা/১০ ফেব্রুয়ারী ২০২৬,/রাত ১১:০০