আন্তর্জাতিক ডেস্ক : সংবাদমাধ্যম বিবিসি জানিয়েছে, এবারের নির্বাচনে ডিপিকের সঙ্গে জোট বেধেছিল ছোট কয়েকটি বিরোধী দল। তারা যৌথভাবে জাতীয় পরিষদের ৩০০টি আসনের মধ্যে ১৯২টিতে জিতেছে।
এবারের সাধারণ নির্বাচনকে দক্ষিণ কোরিয়ার প্রেসিডেন্ট ইউন সুক ইউলের জন্য গণভোট হিসেবে দেখা হচ্ছে। তিনি তিন বছর ধরে দেশটির প্রেসিডেন্ট হিসেবে আছেন। নির্বাচনে পরাজয়ের পর এরইমধ্যে পদত্যাগ করেছেন দেশটির প্রধানমন্ত্রী হান দুক-সু। দলের অন্যতম নেতা হান ডং-হুনসহ আরও কয়েকজন জ্যেষ্ঠ কর্মকর্তাও পদ ছেড়েছেন।
প্রেসিডেন্ট ইউলের এবং তার পিপল পাওয়ার পার্টি-পিপিপির জন্য বিপর্যয় নিয়ে এসেছে এই পরাজয়। আইনসভায় বিরোধী দল ডিপিকে’র আধিপত্যের কারণে আগে থেকেই কোনো এজেন্ডা বাস্তবায়নে হিমশিম খেতে হতো পিপিপিকে। এখন বুধবারের নির্বাচনে বিজয়ের ফলে ডিপিকে সংসদে দ্রুতগতিতে যেকোনো আইন প্রণয়ন করতে সক্ষম হবে।
ফলাফলের পর বৃহস্পতিবার ডিপিকে নেতা লি জে-মিয়াং বলেন, এই বিজয় শুধু ডেমোক্রেটিক পার্টির বিজয় নয়, বরং জনগণের জন্যই এক মহান অর্জন। তিনি আরও বলেন, চলমান অর্থনৈতিক সঙ্কট মোকাবিলায় দুই পক্ষের রাজনীতিবিদদেরই সর্বশক্তি প্রয়োগ করে নামতে হবে। জীবিকার সংকট সমাধানের সেই লড়াইয়ে নেতৃত্ব দেবে ডেমোক্রেটিক পার্টি।
এই ফলাফল লি জে-মিয়াং উৎসাহিত করতে পারে। কারণ তিনি ২০২২ সালের প্রেসিডেন্ট নির্বাচনে ইউনের কাছে অল্প ব্যবধানে হেরে গিয়েছিলেন। এবারের ফলাফল হয়তো তাকে আরেকবার প্রেসিডেন্ট পদের দৌড়ে নামতে সাহস যোগাবে। দ্রব্যমূল্যের ঊর্ধ্বগতি, বয়স্ক মানুষের সংখ্যা বৃদ্ধিসহ বেশ কয়েকটি ইস্যুতে সংকটে দক্ষিণ কোরিয়া। সেই সঙ্গে যোগ হয়েছে চিকিৎসকদের চলমান ধর্মঘট। সব মিলিয়ে চাপের মধ্যে আছেন ইউন।
কিউএনবি/আয়শা/১১ এপ্রিল ২০২৪,/দুপুর ১:৪৪