লাইফ ষ্টাইল ডেস্ক : ভালোবাসা বিশ্বের সবচেয়ে পবিত্র অনুভূতি। দু’টি মন যখন এক বিন্দুতে মিলে পরস্পরের প্রতি বিশ্বস্ত থাকার অঙ্গীকারে আবদ্ধ হয়, তখন যে পথচলা শুরু হয়, তা হয় রূপকথার মতোই সুন্দর! ভালোবাসা ছাড়া জীবন পানি শূন্যতায় শুকিয়ে যাওয়া গাছের মতো নির্জীব। ভালোবাসার মাহাত্ম্য প্রচারেই প্রতিবছর ফেব্রুয়ারি মাসে ভালোবাসা সপ্তাহ উদযাপন করা হয়।
এক সপ্তাহব্যাপী ভালোবাসার বিভিন্ন ভিত্তিকে উৎসর্গ করে একেকটি দিবস উদযাপন করা হয়। সেই সপ্তাহ পার করে অবশেষে এলো ভালোবাসা দিবস- ভ্যালেন্টাইন ডে। প্রতিবছরের মতো ১৪ ফেব্রুয়ারি শুদ্ধ ভালোবাসার পূজারীরা মেতে ওঠেন বিশেষ এই দিনকে উদযাপন করতে। ভালোবাসা এমন এক অনুভূতি, যার কোনো বাধা-ধরা নিয়ম নেই। নেই নির্দিষ্ট সীমানাও! অজানা এক সুন্দর যাত্রায় অবিচল চলা দুই সঙ্গীর। সুন্দর এই সফরে অদ্ভুতভাবে জীবন পার হয়ে যায়!
কিন্তু দুজনের পথ এক হওয়াই তো শেষ কথা নয়! জীবনের বন্ধুর পথে এক যুগলকে পাড়ি দিতে হয় কঠিন পথ। পদে পদে তৈরি হয় নানান জটিলতা। বেড়ে যায় সম্পর্কের টানাপোড়েন। তবে সততা আর বিশ্বাস অটুট থাকলে কেটে যায় সব প্রতিবন্ধকতা! সম্পর্কের উত্থান-পতনের সাথেই ভালোবাসার এই পথচলা হয় মধুময়। উপকথায় সেন্ট ভ্যালেন্টাইনস ভালোবাসার মাহাত্ম্য প্রচার করতে ভালোবাসা দিবসের প্রচার করেছিলেন। তিনি যে নতুন অধ্যায় রচনা করেছিলেন, তা অনেক আগে থেকেই পাশ্চাত্যে উদযাপিত হয়ে আসছে। তবে আমাদের দেশে এর চল শুরু হয় নব্বইয়ের দশকে।
ভালোবাসা দিবসের আবেদন শুধু প্রেমের সম্পর্কের নয়, ভালোবাসার অটুট বন্ধন গড়ে ওঠে কাছের মানুষদের মধ্যেও। তাই, এই দিনের বিশেষত্ব পারিবারিক ও সামাজিক সম্পর্কগুলোকেও মজবুত করে। ভালোবাসাটা যেক্ষেত্রেই, যার জন্যই হোক না কেন, এর মূল ভিত্তি-বিশ্বাস। বিশুদ্ধ বিশ্বাস আর নির্মল ভালোবাসায় সবার জীবন হোক আনন্দময়! ভালোবাসা দিবসে এমনটাই শুভ কামনা সবার জন্য!
কিউএনবি/আয়শা/১৪ ফেব্রুয়ারী ২০২৪,/সকাল ১১:২২