শুক্রবার, ০৩ এপ্রিল ২০২৬, ০১:১৮ পূর্বাহ্ন
শিরোনাম
নওগাঁয় বসুন্ধরা শুভসংঘের উদ্যোগে পানির ফিল্টার প্রদান  নওগাঁয় দড়িবাঁধা অবস্থায় গৃহবধূর লাশ উদ্ধার, স্বামী পলাতক মা-বোনের সম্ভ্রমহানির সাথে যারা বেঈমানী করেন, তাদের রাজনীতি করার অধিকার নেই: বরকত উল্লাহ বুলু সাভারে ব্যবসায়ীর সংবাদ সম্মেলন চৌগাছায় আগুন লেগে উপজেলা আইসিটি অফিস ও দুটি দোকান পুড়ে গেছে, অর্ধকোটি টাকার ক্ষতি  চৌগাছায় পৌরসভায় বিনা টেন্ডারেই করা হচ্ছে ১২ লাখ টাকার কাজ  একজন শ্রেষ্ঠ অভিনেত্রী শেখ হাসিনা ও ইলিয়াস আলী হত্যাকাণ্ডের নির্মমতাঃ ‘পেট ভেতরে ঢোকাও’, পরিচালকের সেই মন্তব্য আজও তাড়িয়ে বেড়ায় অভিনেত্রীকে হরমুজ প্রণালির অচলাবস্থা কাটাতে ব্রিটেনের নেতৃত্বে ৪০ দেশের জোট, নেই যুক্তরাষ্ট্র বুশেহর পারমাণবিক কেন্দ্রে থেকে কর্মীদের সরিয়ে নিচ্ছে রাশিয়া

পাকিস্তানে ‘মীরজাফরদের’ মাথায় হাত

Reporter Name
  • Update Time : শনিবার, ১০ ফেব্রুয়ারী, ২০২৪
  • ৯১ Time View

আন্তর্জাতিক ডেস্ক : সুসময়ের বন্ধু হয়ে অনেকেই পাশে ছিল পাকিস্তান তেহরিক-ই-ইনসাফ (পিটিআই) চেয়ারম্যান ইমরান খানের। সবসময়ই নেতার আশপাশে থেকে সমর্থনের খই ফুটিয়েছে। দুনিয়ার সামনে সেজেছে পরম আপনজন। কিন্তু সাবেক এ প্রধানমন্ত্রীর কারাবাসের পর একে একে নানা ছুতোয় হাত ছেড়েছে কাছের সেই পরিচিত মুখগুলো। একাকী করে দিয়েছিলেন তাকে। তবে জনগণের শক্তিতে সেই জেলবন্দি ইমরানই অবশেষে নির্বাচনের ময়দানে সর্বাধিক সংখ্যাগরিষ্ঠতা পেয়েছেন। অন্ধকার কুঠরী থেকে নিঃশব্দেই প্রতারকদের দিয়েছেন কড়া জবাব। বিজয়ী ইমরানকে ছেড়ে আসা সেই ‘মীরজাফদের’ এখন মাথায় হাত। দ্য এক্সপ্রেস ট্রিবিউন।

গত বছরের ৯ মে দেশব্যাপী জাতীয় নিরাপত্তা স্থাপনায় হামলার পর পিটিআই রাজ্যের ক্রোধের মুখে ছিল। রাজনৈতিক অঙ্গন থেকে দলটিকে মুছে ফেলার জন্য চলছিল নানা কৌশল। পিটিআইয়ের শীর্ষ নেতা ও কর্মীদের জেলে পাঠানো হলো।

খানের এমন দুঃসময়ে তার প্রতি আনুগত্য হারিয়ে ফেলেছিল অনেক কাছের মানুষজন। তার বিরুদ্ধে অনেকেই চালিয়েছে নানা কর্মকাণ্ড। কেউ কেউ আবার নিজেদের মধ্যেই দল গঠন করে। অন্যদের সেই দলে যোগ দেওয়ার জন্য প্রলোভিত করে। কেননা তারা ধরেই নিয়েছিল- ইমরান শেষ! খানকে ছেড়ে যাওয়া বিশিষ্ট ব্যক্তিদের মধ্যে ছিলেন খাইবার-পাখতুনখোয়ার সাবেক মুখ্যমন্ত্রী পারভেজ খাট্টক। আরেকজন ছিলেন খানের অতি কাছের জাহাঙ্গীর তারিন। পরবর্তী সময়ে পিটিআই ত্যাগকারীদের প্ররোচিত করার উদ্দেশ্যে তিনি ইস্তেহকাম-ই-পাকিস্তান পার্টি (আইপিপি) তৈরি করেছিলেন। তবে নির্বাচনে তাদের উভয় দলই অপমানজনক পরাজয় বরণ করে। 

প্রচারের সময় খট্টক দাবি করেছিলে, তিনি কেপির পরবর্তী মুখ্যমন্ত্রী হবেন। তবে খট্টকের দুই ছেলে ও এক জামাই নওশেরার সাতটি আসনেই প্রতিদ্বন্দ্বিতা করলেও একটিতেও জিততে পারেননি। অন্যদিকে তারিনের অনেক বড় স্বপ্ন ছিল। তার দাবি, তার দল আইপিপি পার্টি পিএমএল-এন-এর সঙ্গে একটি চুক্তি করে রেখেছে। ফলাফলের পর তারা একসঙ্গে কেন্দ্রে এবং পাঞ্জাবে সরকার গঠন করবে। তার দল আইপিপি ন্যাশনাল অ্যাসেম্বলিতে ১২টি এবং পাঞ্জাব অ্যাসেম্বলিতে ৩৭টি আসনে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করেছিল। কিন্তু ফলাফল দেখায় লাহোর থেকে জাতীয় পরিষদে মাত্র দুটি আসন সংগ্রহ করতে পেরেছে তারা। যে জয় নিয়েও রয়েছে ব্যাপক কারচুপির অভিযোগ। ফলাফল শেষে ভরাডুবির পর অপমানের তির এখন তাদের দিকেই।

কিউএনবি/অনিমা/১০ ফেব্রুয়ারী ২০২৪/রাত ১০:৪৬

Please Share This Post in Your Social Media

More News Of This Category

আর্কাইভস

April 2026
M T W T F S S
 123456
78910111213
14151617181920
21222324252627
28293031  
© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত ২০১৫-২০২৬
IT & Technical Supported By:BiswaJit