মঙ্গলবার, ১৫ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ০৭:৪৬ অপরাহ্ন
শিরোনাম
আবাসিকসহ বিভিন্ন হোটেলের অতিথিদের তথ্য সংরক্ষণের নির্দেশ ডিএমপি কমিশনারের আশুলিয়ায় শ্রমিকের ওপর হামলার প্রতিবাদে মানববন্ধন-বিক্ষোভ  সালিশ বৈঠকে যুবককে হত্যা, একজনের যাবজ্জীবন, একজনের ৫ বছরের কারাদণ্ড চৌগাছার ঐতিহ্যবাহী বলুহ মেলার চলবে ১৫দিন শিশুদের সোশ্যাল মিডিয়া ব্যবহার ঠেকাতে কঠোর হচ্ছে ফ্রান্স ইরানের সঙ্গে সমঝোতা ছাড়া পথ নেই আরব দেশগুলোর: বিশ্লেষক শিল্পে গ্যাসের সরবরাহ দেড় মাস আগের অবস্থায় ফিরবে কাল থেকে: প্রধানমন্ত্রী প্রথমবার ভারত থেকে বাংলাদেশে ইলিশ রপ্তানি, দুই মাসে এসেছে ৫০০ টন ২০২৯-এর আগেই ভারতের ২১ রাজ্যে অভিন্ন দেওয়ানি বিধি, মুসলিম সমাজে বাড়ছে উদ্বেগ গণতন্ত্রের চর্চা অব্যাহত থাকলে কোনো স্বৈরশক্তিই মাথাচাড়া দিতে পারে না: রিজভী

পাকিস্তানে ‘মীরজাফরদের’ মাথায় হাত

Reporter Name
  • Update Time : শনিবার, ১০ ফেব্রুয়ারী, ২০২৪
  • ৯৫ Time View

আন্তর্জাতিক ডেস্ক : সুসময়ের বন্ধু হয়ে অনেকেই পাশে ছিল পাকিস্তান তেহরিক-ই-ইনসাফ (পিটিআই) চেয়ারম্যান ইমরান খানের। সবসময়ই নেতার আশপাশে থেকে সমর্থনের খই ফুটিয়েছে। দুনিয়ার সামনে সেজেছে পরম আপনজন। কিন্তু সাবেক এ প্রধানমন্ত্রীর কারাবাসের পর একে একে নানা ছুতোয় হাত ছেড়েছে কাছের সেই পরিচিত মুখগুলো। একাকী করে দিয়েছিলেন তাকে। তবে জনগণের শক্তিতে সেই জেলবন্দি ইমরানই অবশেষে নির্বাচনের ময়দানে সর্বাধিক সংখ্যাগরিষ্ঠতা পেয়েছেন। অন্ধকার কুঠরী থেকে নিঃশব্দেই প্রতারকদের দিয়েছেন কড়া জবাব। বিজয়ী ইমরানকে ছেড়ে আসা সেই ‘মীরজাফদের’ এখন মাথায় হাত। দ্য এক্সপ্রেস ট্রিবিউন।

গত বছরের ৯ মে দেশব্যাপী জাতীয় নিরাপত্তা স্থাপনায় হামলার পর পিটিআই রাজ্যের ক্রোধের মুখে ছিল। রাজনৈতিক অঙ্গন থেকে দলটিকে মুছে ফেলার জন্য চলছিল নানা কৌশল। পিটিআইয়ের শীর্ষ নেতা ও কর্মীদের জেলে পাঠানো হলো।

খানের এমন দুঃসময়ে তার প্রতি আনুগত্য হারিয়ে ফেলেছিল অনেক কাছের মানুষজন। তার বিরুদ্ধে অনেকেই চালিয়েছে নানা কর্মকাণ্ড। কেউ কেউ আবার নিজেদের মধ্যেই দল গঠন করে। অন্যদের সেই দলে যোগ দেওয়ার জন্য প্রলোভিত করে। কেননা তারা ধরেই নিয়েছিল- ইমরান শেষ! খানকে ছেড়ে যাওয়া বিশিষ্ট ব্যক্তিদের মধ্যে ছিলেন খাইবার-পাখতুনখোয়ার সাবেক মুখ্যমন্ত্রী পারভেজ খাট্টক। আরেকজন ছিলেন খানের অতি কাছের জাহাঙ্গীর তারিন। পরবর্তী সময়ে পিটিআই ত্যাগকারীদের প্ররোচিত করার উদ্দেশ্যে তিনি ইস্তেহকাম-ই-পাকিস্তান পার্টি (আইপিপি) তৈরি করেছিলেন। তবে নির্বাচনে তাদের উভয় দলই অপমানজনক পরাজয় বরণ করে। 

প্রচারের সময় খট্টক দাবি করেছিলে, তিনি কেপির পরবর্তী মুখ্যমন্ত্রী হবেন। তবে খট্টকের দুই ছেলে ও এক জামাই নওশেরার সাতটি আসনেই প্রতিদ্বন্দ্বিতা করলেও একটিতেও জিততে পারেননি। অন্যদিকে তারিনের অনেক বড় স্বপ্ন ছিল। তার দাবি, তার দল আইপিপি পার্টি পিএমএল-এন-এর সঙ্গে একটি চুক্তি করে রেখেছে। ফলাফলের পর তারা একসঙ্গে কেন্দ্রে এবং পাঞ্জাবে সরকার গঠন করবে। তার দল আইপিপি ন্যাশনাল অ্যাসেম্বলিতে ১২টি এবং পাঞ্জাব অ্যাসেম্বলিতে ৩৭টি আসনে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করেছিল। কিন্তু ফলাফল দেখায় লাহোর থেকে জাতীয় পরিষদে মাত্র দুটি আসন সংগ্রহ করতে পেরেছে তারা। যে জয় নিয়েও রয়েছে ব্যাপক কারচুপির অভিযোগ। ফলাফল শেষে ভরাডুবির পর অপমানের তির এখন তাদের দিকেই।

কিউএনবি/অনিমা/১০ ফেব্রুয়ারী ২০২৪/রাত ১০:৪৬

Please Share This Post in Your Social Media

More News Of This Category

আর্কাইভস

September 2026
M T W T F S S
1234567
891011121314
15161718192021
22232425262728
293031  
© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত ২০১৫-২০২৬
IT & Technical Supported By:BiswaJit