লাইফ ষ্টাইল ডেস্ক : সাধারণত ৮ থেকে ১৩ বছর বয়সের মধ্যে বয়ঃসন্ধিতে পৌঁছায় মেয়েরা। বয়ঃসন্ধির পর নারীদেহে যৌন লক্ষণগুলো স্পষ্ট হতে শুরু করে। এর কিছু দিন পরই শুরু হয় ঋতুস্রাব। কভিডের প্রভাবে বহু ক্ষেত্রেই এগিয়ে আসছে এই বয়ঃসন্ধির সময়। সময়ের আগে ঋতুমতী হচ্ছে মেয়েরা।
এমন তথ্য উঠে এসেছে বিশ্বের বিভিন্ন দেশে প্রকাশিত একাধিক গবেষণাপত্রে।
সময়ের আগেই যদি কোনো বালিকা বয়ঃসন্ধিতে পৌঁছে যায়, তবে বিষয়টিকে বিজ্ঞানের ভাষায় বলে ‘প্রিককিয়াস পিউবার্টি’। কভিডের পর অনেকটাই বেড়ে গিয়েছে এ ঘটনা, বলছেন বহু গবেষক। আমেরিকার ‘ফুলার প্রজেক্ট’ নামের একটি গবেষণায় উঠে এসেছে ৫ বছর বয়সেই কিছু মেয়ে পৌঁছে গিয়েছে বয়ঃসন্ধিতে, ৮ বছরে হয়েছে ঋতুমতী।
একই কথা উল্লেখ করা হয়েছে ‘ইটালিয়ান জার্নাল অফ পেডিয়াট্রিসিয়ানস’-এও। তুরস্কের ‘জার্নাল অফ পেডিয়াট্রিক এন্ডোক্রোনোলজি অ্যান্ড মেটাবলিজম’-এ প্রকাশিত ১২৪ জন বালিকার ওপর করা এক গবেষণা বলছে, ককরোনাকালের আগে ৩ বছরে প্রিককিয়াস পিউবার্টি দেখা গিয়েছিল মোট ৬৬ জনের ক্ষেত্রে। সেখানে কভিড চলাকালীন ২০২০ সালের এপ্রিল থেকে ২০২১ সালের মার্চ সময়ে ৫৮ বালিকার দেহে দেখা গিয়েছে প্রিককিয়াস পিউবার্টি।
এমন বিষয়ের প্রভাব শুধু শারীরিক দিক থেকেই নয়, মানসিক ভাবেও প্রভাব ফেলে বালিকার ওপর। বয়ঃসন্ধির কালে হরমোনের ভারসাম্যে বদল আসে। ফলে মানসিক টানাপড়েন শুরু হতে পারে। রক্ত দেখে ভয়ও পেয়ে যেতে পারে মেয়েরা। তাই এমন ঘটনা ঘটলে মেয়ের পাশে থাকতে হবে বাবা-মাকে, পরামর্শ গবেষকদের।
কিউএনবি/অনিমা/১৩ ডিসেম্বর ২০২৩,/দুপুর ১২:০৩