লাইফ ষ্টাইল ডেস্ক : হিন্দুশাস্ত্র অনুযায়ী, আগামী ১২ নভেম্বর ( রোববার) দুপুর থেকে পরদিন ১৩ নভেম্বর ( সোমবার) দুপুর পর্যন্ত তিথি পড়েছে দীপাবলির। দীপাবলির দুই দিন তিথি পড়লেও সোমবারকে দীপাবলির জন্য সঠিক সময় মনে করছেন না পুরোহিতরা।

ভারতীয় অবাঙালিরা দীপাবলির তিথিতে করে ধনতেরাস উৎসব। তবে বাঙালিরা লক্ষ্মী ও গণেশ পূজার শুভ সময় সন্ধ্যা পেরিয়ে যাওয়ার পর উদযাপন করেন কালী পূজাও। দীপাবলির দিন রোববার মধ্যরাতেই শুরু হবে শ্রী শ্রী শ্যামা পূজা বা কালী পূজা। অমাবস্যার এ তিথিতে সব হিন্দুই কালী পূজা করেন না। শুধুমাত্র বাঙালি, অসমীয়া ও ওড়িয়া হিন্দুরা এ তিথিতে কালী পূজা উদযাপন করেন।

বাঙালি সংস্কৃতিতে কালীপূজার পাশাপাশি দীপাবলির উৎসব গুরুত্বপূর্ণ। আলোর উৎসব দীপাবলিকে বাংলাদেশের হিন্দু ধর্মাবলম্বীরা দীপাবলি বললেও অবাঙালি হিন্দু ধর্মাবলম্বীরা একে দিওয়ালি বলে থাকে। ধর্মীয় এই উৎসবকে অনেকে দীপান্বিতা কালীপূজাও বলে থাকে।
কাশীনাথ রচিত শ্যামাসপর্যাবিধিগ্রন্থে এই পূজার সর্বপ্রথম উল্লেখ পাওয়া যায় ১৭৭৭ খ্রিষ্টাব্দে। অশুভ অকল্যাণের প্রতীক অন্ধকারকে দূর করে শুভ ও কল্যাণের প্রতিষ্ঠায় এই উৎসব হিন্দুধর্মাবলম্বীরা পালন করে চলেছে শত শত বছর ধরে।
কিউএনবি/আয়শা/১১ নভেম্বর ২০২৩,/সন্ধ্যা ৭:১৯