স্পোর্টস ডেস্ক : নির্ধারিত সময়ের খেলা গোলশূন্য ড্র হওয়ার পর অতিরিক্ত সময়েও স্কোর লাইন বদলাল না। ফলে টাইব্রেকারে গড়াল খেলা। কিন্তু সেখানেও নাটক। ফ্রান্স গোল মিস করে তো অস্ট্রেলিয়াও ব্যর্থ। দুই দল মিলিয়ে ২০ শটের এক ম্যারাথন শুট আউট দেখল বিশ্ব। যেখানে শেষ পর্যন্ত জয়ী দলের নাম স্বাগতিক অস্ট্রেলিয়া।
ব্রিসবেন স্টেডিয়ামে শনিবার অনুষ্ঠিত কোয়ার্টার ফাইনাল ম্যাচটি ১২০ মিনিট শেষেও ০-০ সমতায় শেষ হয়। পরে টাইব্রেকারে ৭-৬ ব্যবধানে জিতেছে অস্ট্রেলিয়া। নিজেদের ইতিহাসে প্রথমবারের মতো বিশ্বকাপের সেমিফাইনালে পা দিল দলটা। অস্ট্রেলিয়ার গোলরক্ষক ম্যাকেঞ্জি আর্নল্ড নিজে গোল করতে ব্যর্থ হলেও ফ্রান্সের তিন-তিনটি শট রুখেছেন। কার্টনি ভাইন অস্ট্রেলিয়ার দশম শটে গোল করেন। আর এতেই জয় নিশ্চিত হয় দলটির। সেমিফাইনালে অস্ট্রেলিয়া প্রতিপক্ষ হিসেবে পাবে ইংল্যান্ড ও কলম্বিয়ার মধ্যে জয়ী দলকে।
২০১১ সালের আসরে সেমিফাইনাল খেলা ফ্রান্স ম্যাচের প্রথমার্ধ ও অতিরিক্ত সময়ে তুলনামূলক ভালো ফুটবল খেললেও গোল করতে পারেনি। বেশ কয়েকটি সুযোগ তারা হারিয়েছে। অস্ট্রেলিয়ার ফরোয়ার্ড ম্যারি ফাওলারও একাধিক সুযোগ হাতছাড়া করেছেন।
তার একটি দারুণ প্রচেষ্টা প্রতিহত করেন ফ্রান্স ডিফেন্সার এলিসা আলমেইদা। ৫৫তম মিনিটে বদলি হিসেবে খেলতে নেমে স্বাগতিক অধিনায়ক স্যাম কেরও গোলের একটি সুবর্ণ সুযোগ হাতছাড়া করেন। তবে ফ্রান্স পুরো ম্যাচে ২১টি শট নিয়েছে প্রতিপক্ষের পোস্টে। অস্ট্রেলিয়া সেখানে ১৫টি শট নিয়েছে। ফ্রান্সের ৫টি শট লক্ষ্যে থাকার বিপরীতে অস্ট্রেলিয়ার ৪টি শট ছিল লক্ষ্যে।
কিউএনবি/আয়শা/১২ অগাস্ট ২০২৩,/সন্ধ্যা ৭:১৫