বৃহস্পতিবার, ২০ অগাস্ট ২০২৬, ০৮:২৭ অপরাহ্ন
শিরোনাম
চোট শঙ্কায় তানজিদ, অনুশীলনে আঙুলে বলের আঘাত পেলেন মুশফিক খাবারের প্যাকেটে করে এলো তেলাপোকা, কর্তৃপক্ষের দৃষ্টি আকর্ষণ অভিনেত্রীর উপগ্রহের দাপটে ম্লান রাতের আকাশ, ব্যাহত মহাকাশ গবেষণা শেষ টেস্টে বাংলাদেশের ৪ পেসার খেলানোর সম্ভাবনা, যা বললেন সিমন্স যিনি সর্বাধিক ভোট পাবেন, তার নাম সংসদেই জানিয়ে দেয়া হবে: সিইসি আয়ের চেয়ে লাগামহীন ব্যয়, রেকর্ড ৪০ ট্রিলিয়ন ডলারে যুক্তরাষ্ট্রের জাতীয় ঋণ বিশ্ব মশা দিবস আজ ফের ভূমিকম্পে কেঁপে উঠল ইন্দোনেশিয়া যুক্তরাষ্ট্র এখনও উত্তর কোরিয়ার শত্রু, কেন বললেন কিমের বোন? ইরানের বিরুদ্ধে সর্বোচ্চ কঠোর অর্থনৈতিক অভিযানের ঘোষণা ট্রাম্পের

আখাউড়া পণ্যের মতো অনিয়মেও ঠাঁসা শুল্ক গুদাম

বাদল আহাম্মদ খান ব্রাহ্মণবাড়িয়া প্রতিনিধি ।    
  • Update Time : শনিবার, ২৭ মে, ২০২৩
  • ১৩০ Time View
বাদল আহাম্মদ খান ব্রাহ্মণবাড়িয়া জেলা প্রতিনিধি : নিলামযোগ্য পণ্যে ঠাসা ব্রাহ্মণবাড়িয়ার আখাউড়া শুল্ক গুদাম। একইসঙ্গে ব্যাপক অনিয়মেও ভরে গেছে গুদামটি! সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা ব্যক্তি স্বার্থ হাসিলে এসব অনিয়ম করে যাচ্ছে। এতে সরকার হারাচ্ছে বিপুল পরিমাণ রাজস্ব। এসব অনিয়মের বিষয়ে স্থানীয় এক ব্যবসায়ী উর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষের কাছে লিখিত অভিযোগ করলেও কোনো ধরণের ব্যবস্থা নেওয়া হয়নি। শুল্ক গুদামের নানা বিষয়ে তথ্য অধিকার আইনে তথ্য চেয়ে পাননি ওই ব্যবসায়ির সাংবাদিক পুত্র।

জাতীয় রাজস্ব বোর্ডের চেয়ারম্যান আবু হেনা মো. রহমাতুল মুনিম বরাবর ১৮ই মে করা অভিযোগে উল্লেখ করা হয়, গুদাম থেকে কোটি টাকার মাল উধাও হয়ে গেছে। পঁচনশীল দ্রব্য নিলামের টাকাও ঠিক মতো ব্যাংকে জমা দেওয়া হচ্ছে না বলে অভিযোগ করেন ওই ব্যবসায়ি। তিনি অভিযোগ পত্রে লিখেছেন, গুদামে দীর্ঘদিন যাবত সিল টেন্ডার হচ্ছে না। এখন গুদাম ভর্তি রয়েছে নিলামযোগ্য পণ্য। যথা সময় নিলাম না হওয়ায় এসব পণ্য গুদামেই মেয়াদোত্তীর্ণ হয়ে যাচ্ছে। গুদামের পণ্য কৌশলে রদবদলও করা হচ্ছে। তদন্ত করলে কয়েক কোটি টাকার মালামাল গুদামে পাওয়া যাবে না। 

তিনি অভিযোগ করেন, মাঝে মাঝে ওপেন নিলাম হয়। কিন্তু সেটাতেও নিয়ম মানা হয় না। নিয়ম অনুযায়ি সরকারি ভ্যাট ও ট্যাক্স দেওয়ার কথা থাকলে কর্মরতদের যোগসাজশে সেটা করা হয় না। ওই টাকাটা গুদাম সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তাদের পকেটে চলে যায়। মানিক মিয়া জানান, গুদাম কর্মকর্তা আশরাফ উদ্দিন যোগদানের পর সেখানে অনিয়ম বেড়ে গেছে। নিলামে সর্বোচ্চ ডাককারির টাকা নগদ গ্রহন করে তিনি ডেলিভারি মেমো দিয়ে দিচ্ছেন। তবে ওই মেমোতে কোন কোন মালামাল বিক্রয় করা হয়েছে সেটা উল্লেখ করা হয় না। 

মানিক মিয়ার অভিযোগ, এ বিষয়ে আখাউড়া শুল্ক স্টেশন ও শুল্ক গুদামের ডেপুটি কমিশনার আবু হানিফ মোহাম্মদ আবুল আহাদের কাছে অভিযোগ করলে তিনির কোনো ধরণের পদক্ষেপ গ্রহন করেননি। এ অনিয়মের সঙ্গে তিনিও জড়িত। সম্প্রতি তিনি নিজ এলাকার ও নিজ পছন্দের পাঁচজনকে শুল্ক স্টেশনে এনে বিভিন্ন দায়িত্ব দিয়ে রেখেছেন। যে কারণে অনিয়ম করতে তার সুবিধ হচ্ছে। সোহেল মিয়া নামে এক ব্যবসায়ি জানান, মাঝে মাঝে যেসব পণ্য নিলাম দেওয়া হচ্ছে সেগুলোর মেয়াদ শেষের দিকে। মেয়াদ কম থাকায় এইসব পণ্যের চাহিদাও কমে যায়। বাজারে এসব  পণ্যের সঠিক মূল্য পাওয়া যায় না।

যথা সময় এইসব পণ্য নিলাম দিয়ে সরকার এখান থেকে বিপুল পরিমাল রাজস্ব পেত স্থানীয় সাংবাদিক মো. সাব্বির হোসেন বলেন, ‘গুদাম কর্মকর্তার কাছে আমি তথ্য অধিকার আইনের নির্ধারিত ফরমে একটি গত ৮ ফেব্রয়ারি নিয়ে যাই। কিন্তু তিনি সেটা গ্রহন করেননি। ডেপুটি কমিশনার কাস্টমস এক্সাইজ ও ভ্যাট ,আখাউড়া শুল্ক স্টেশন, আখাউড়া, ব্রাহ্মণবাড়িয়া বরাবর তথ্য অধিকার আইনে তথ্য চেয়ে আবেদন করে নির্ধারিত সময় পর্যন্ত অপেক্ষা করেও পাইনি।

নোট: প্রয়োজনের সংশ্লিষ্টদের ফোন নম্বর দেওয়া যাবে।

 

 

কিউএনবি/আয়শা/২৭ মে ২০২৩,/বিকাল ৫:২৪

Please Share This Post in Your Social Media

More News Of This Category

আর্কাইভস

August 2026
M T W T F S S
 123
45678910
11121314151617
18192021222324
25262728293031
© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত ২০১৫-২০২৬
IT & Technical Supported By:BiswaJit