গঙ্গাস্নানে আসা ইতি রানী সাহা বলেন, ‘গঙ্গাস্নানের মধ্য দিয়ে আমি নিজের এবং পরিবারের জন্যে, দেশ ও জাতির কল্যাণ ও মঙ্গল কামনা করে বিশেষ প্রার্থণা করেছি।’ দীপা রানী সাহা বলেন, তিতাস নদীর পবিত্র জলে স্নানের মধ্য দিয়ে মাতৃদেবী গঙ্গা ও ভগবানের কাছে পাপ মুক্তির জন্যে প্রার্থণা করেছি।’গঙ্গাস্নানে অংশ নিয়েছিলেন ইসকন ব্রাহ্মণবাড়িয়া জেলা শাখার সভাপতি প্রবীর দাস ব্রহ্মচারী।
সাংবাদিকদের তিনি বলেন, ‘শাস্ত্রে বলা হয়েছে এই গঙ্গাস্নানের মধ্য দিয়ে দেহের পাপ মোচন হয়। যেখানে ভক্তি সহকারে ভক্তরা সমবেত হন, সেখানে ভগবান বিরাজমান থাকেন।’এদিকে এই গঙ্গাস্নানকে কেন্দ্র করে তিতাস নদীর তীর ঘেঁষে বসে লোকজ মেলা। মেলায় নাগরদোলা, হরেক রকম বাহারি খাবার মুড়ি-চিড়া, মাঠা, তিল্লাই, বাতাসাসহ মাটির তৈরী খেলনার দোকান বসে। বিক্রিও ছিলো বেশ ভালো।
কিউএনবি/আয়শা/২৯ মার্চ ২০২৩,/রাত ১১:৪৩