মঙ্গলবার, ১৭ মার্চ ২০২৬, ০২:৫৭ অপরাহ্ন
শিরোনাম
মাটিরাঙ্গার পলাশপুর জোনের উদ্যােগে ঈদ উপহার, আর্থিক অনুদান, চিকিৎসা সেবা প্রদান আটোয়ারীতে আসন্ন ঈদুল ফিতর উপলক্ষে প্রস্তুতিমূলক সভা খাল খননের মাধ্যমে বাংলাদেশকে খাদ্যে স্বয়ংসম্পন্ন করেছিলেন জিয়াউর রহমান: ভূমিমন্ত্রী দুর্গাপুরে খালের ওপর ৩৫টি অবৈধ স্থাপনা গুঁড়িয়ে দিল প্রশাসন দুর্গম পাহাড়ে গৃহহীন অধিবাসীদের মুখে হাসি ফুটালো বাংলাদেশ সেনাবাহিনী মাটিরাঙ্গার পলাশপুর জোনের উদ্যােগে ঈদ উপহার, আর্থিক অনুদান, চিকিৎসা সেবা প্রদান। ইউএনওর সঙ্গে নারী আপত্তিকর ভিডিও ভাইরাল, জেলা জুড়ে তোলপাড় নওগাঁ রেসিডেনসিয়াল স্কুলের আয়োজনে ইফতার মাহফিল অনুষ্ঠিত হরমুজে যুক্তরাষ্ট্রকে সহায়তায় অন্য দেশগুলো ‘আগ্রহী’ নয়: ট্রাম্প কোনো ব্যাংকই আর দলের হয়ে কাজ করতে পারবে না: গভর্নর

সমতলের তুলনায় পাহাড়ে বন সংরক্ষণ ও বন বাঁচানোর সুযোগ রয়েছে…মংসুইপ্রু চৌধুরী

জসীম উদ্দিন জয়নাল,পার্বত্যাঞ্চল প্রতিনিধি । 
  • Update Time : মঙ্গলবার, ২১ মার্চ, ২০২৩
  • ১৭৩ Time View
জসীম উদ্দিন জয়নাল,পার্বত্যাঞ্চল প্রতিনিধি : সুস্থ শরীর সুস্থ মন, যদি থাকে সমৃদ্ধ বন’ এই প্রতিপাদ্য বিষয়কে সামনে রেখে  খাগড়াছড়িতে  আন্তর্জাতিক বন দিবস উদযাপিত হয়েছে। মঙ্গলবার (২১ মার্চ ২০২৩ইং)  সকালের দিকে তৃণমূল’এনজিও ও ‘খাগড়াছড়ি বন বিভাগ’র যৌথ আয়োজনে খাগড়াছড়িতে আর্ন্তজাতিক বন দিবস উপলক্ষে বর্ণিল আয়োজনের মধ্যদিয়ে একটি র‍্যালি বের হয়ে শহরের প্রধান প্রধান সড়ক প্রদক্ষিণ শেষে  খাগড়াছড়ি মারমা কল্যাণ সংসদের হলরুমে আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত হয়।

খাগড়াছড়ি  অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক (শিক্ষা ও আইসিটি) মুনতাসির জাহান এর সভাপতিত্বে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন খাগড়াছড়ি পার্বত্য জেলা পরিষদের চেয়ারম্যান মংসুইপ্রু চৌধুরী অপু। উন্নয়নকর্মী মিজির ত্রিপুরা’র সঞ্চালনায় এ সময় খাগড়াছড়ি বন বিভাগের বিভাগীয় বন কর্মকর্তা মোঃ হুমায়ুন কবির, অতিরিক্ত পুলিশ সুপার জিনিয়া চাকমা, তৃণমূল উন্নয়ন সংস্থা’র নির্বাহী পরিচালক রিপন চাকমা, খাগড়াছড়ি সদর রেঞ্জ কর্মকর্তা বাবুরাম চাকমা, এবং ইউএনডিপি’ র জেলার জীবিকায়ন মাঠ সংগঠক উচিমং চৌধুরী বিশেষ অতিথি হিসেবে বক্তব্য রাখেন।

প্রধান অতিথি,র বক্তব্যে  খাগড়াছড়ি পার্বত্য জেলা পরিষদের চেয়ারম্যান মংসুইপ্রু চৌধুরী অপু বলেন, পাহাড়ে বন বাঁচাতে মৌজাবন ইতিবাচক প্রভাব রাখবে। মৌজার সকল মানুষের মতামতের ভিত্তিতে এবং অংশীদারিত্ব নিশ্চিত মৌজাবনের সংখ্যা ও ভূমির পরিমাণ বাড়ানো গেলে ধীরে ধীরে প্রাকৃতিক বনকে ফিরিয়ে আনা সম্ভব। এজন্য তিনি বন নিয়ে কাজ করা প্রতিষ্ঠানগুলোকে জেলা প্রশাসন- মং সার্কেল চীফসহ পার্বত্য চট্টগ্রাম বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের সাথে যোগাযোগ বাড়ানোর পরামর্শ দিয়ে তিনি আরো বলেন, সমতলের তুলনায় পাহাড়ে এখনো বন সংরক্ষণ ও বন বাঁচানো-বাড়ানোর অনেক বেশি সুযোগ রয়েছে। প্রাকৃতিক বন হারিয়ে যাবার কারণে শুষ্ক মৌসুমে শহরের আশপাশেও নিত্য প্রয়োজনীয় পানীয় জলের সঙ্কট দেখা দিচ্ছে। পরিবেশকে রক্ষা করতে হলে বনকে রক্ষা করতে হবে। একসময় পাহাড়ে বিশাল বন ছিলো, এখন আর নেই। তিনি বন রক্ষার জন্য সকলকে এগিয়ে আসার আহ্বান জানান।

কিউএনবি/আয়শা/২১ মার্চ ২০২৩,/সন্ধ্যা ৭:৪৫

Please Share This Post in Your Social Media

More News Of This Category

আর্কাইভস

March 2026
M T W T F S S
 12
3456789
10111213141516
17181920212223
2425262728  
© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত ২০১৫-২০২৬
IT & Technical Supported By:BiswaJit