রবিবার, ০৫ জুলাই ২০২৬, ০২:২০ পূর্বাহ্ন

আন্দোলনেই সরকারকে পরাজিত করব : মির্জা ফখরুল

Reporter Name
  • Update Time : শনিবার, ১৪ জানুয়ারী, ২০২৩
  • ১১৯ Time View

ডেস্ক নিউজ : বিএনপি মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর বলেছেন, আমরা যে যুদ্ধে নেমেছি এই যুদ্ধে আমরা জয়ী হবোই হবো। যতই নির্যাতন-নিপীড়ন আসুক, আমরা শান্তিপূর্ণ আন্দোলনের মধ্য দিয়েই এই ভয়াবহ সরকারকে পরাজিত করব। সত্যিকার অর্থে একটি গণতান্ত্রিক রাষ্ট্র প্রতিষ্ঠা করব। তিনি বলেন, আমাদের হাজার হাজার নেতা কারাগারে আটক রয়েছেন। কিন্তু কারো মুখে ক্লান্তি, হতাশা দেখিনি, দেখেছি সকলকে উজ্জীবিত।

শনিবার বিকেলে রাজধানীর গুলশানে বিএনপি চেয়ারপারসনের রাজনৈতিক কার্যালয়ে চলমান আন্দোলনে নিহত তিন নেতার পরিবারকে আর্থিক সহায়তা প্রদান অনুষ্ঠানে এসব কথা বলেন মির্জা ফখরুল। এসময় বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য ব্যারিস্টার জমির উদ্দিন সরকার, গয়েশ্বর চন্দ্র রায়, ইকবাল হাসান মাহমুদ টুকু, চেয়ারপারসনের উপদেষ্টা আমানউল্লাহ আমান, সাংগঠনিক সম্পাদক আসাদুল হাবিব দুলু, স্বেচ্ছাসেবক দলের সভাপতি এস এম জিলানী, সাধারণ সম্পাদক রাজিব আহসান, সাংগঠনিক সম্পাদক ইয়াসিন আলী প্রমুখ উপস্থিত ছিলেন।

মির্জা ফখরুল বলেন, যারা প্রাণ দিয়েছেন তারা একটি আদর্শ ও লক্ষ্যের জন্য প্রাণ দিয়েছেন। সে আদর্শ এবং লক্ষ্য হচ্ছে-তার নিজের দেশ। সেই দেশকে মুক্ত করার জন্য, সকল মানুষের অধিকারকে প্রতিষ্ঠা করার জন্য। বাংলাদেশে সত্যিকার অর্থে একটি গণতান্ত্রিক রাষ্ট্র প্রতিষ্ঠা করার জন্য।

তিনি বলেন, গত ২২ আগস্ট থেকে গণতন্ত্রকে মুক্ত করার জন্য আমরা যে কর্মসূচি শুরু করেছি, এই কর্মসূচিতে আমাদের ১৫ জন নেতাকর্মী প্রাণ দিয়েছেন। এই ভয়াবহ অগণতান্ত্রিক, একনায়কতন্ত্র সরকার টিকে থাকার জন্য তারা অত্যাচার নির্যাতন চালিয়ে যাচ্ছে। পুলিশের গুলিতে ও আওয়ামী লীগ সন্ত্রাসীদের নির্যাতনে প্রায় ১৫ জন ভাই মৃত্যুবরণ করেছেন। তারা বীরের মত লড়াই করে নিহত হয়েছেন, তারা কেউ পিছনে পালাতে গিয়ে নিহত হননি। সামনে দাঁড়িয়ে বুক পেতে দিয়ে তারা চলে গেছেন। আমাদের নেতা কর্মীদের উজ্জীবিত করে গেছেন। আরও ত্যাগ স্বীকার করার জন্য আমাদের সহকর্মীরা শপথ গ্রহণ করেছেন। 

মির্জা ফখরুল বলেন, তাদের এই শাহাদাত তাদের পরিবারকে অসহায়ত্বের মধ্যে ফেলে দিয়েছে। তারা দেশের জন্য দেশপ্রেমের জন্য যে আত্মত্যাগ করেছেন-তা ইতিহাসে স্বর্ণাক্ষরে লেখা থাকবে। এটা তাদের জন্য গৌরবের কারণ হয়ে থাকবে। বড় কিছু করতে হলে-যুগে যুগে এই বিসর্জন দিতে হয়, প্রাণ দিতে হয়। ৭১ সালে স্বাধীনতার যুদ্ধে আমাদের লক্ষ লক্ষ প্রাণ দিতে হয়েছে, তখন অনেক পরিবার অসহায় হয়ে পড়েছে। আজকে বড় এক দুঃসময়ের মধ্য দিয়ে যাচ্ছে, একটি বর্বর শক্তি আমাদের সমস্ত অর্জনগুলো ধ্বংস করে দিয়েছে, তছনছ করে দিয়েছে।

নিহত তিন নেতার পরিবাররের সদস্যদের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন বাগেরহাট জেলা স্বেচ্ছাসেবক দলের সাধারণ সম্পাদক নূরে আলম ভূইয়া তানুর স্ত্রী কানিজ ফাতেমা, মেয়ে তানজিনা তাশমি ও শ্বশুর শেখ আওরঙ্গজেব। ঢাকা মহানগর পল্লবী থানা ৫ নং ওয়ার্ড স্বেচ্ছাসেবক দলের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক মকবুল হোসেনের স্ত্রী হালিমা আক্তার বর্ষা ও মেয়ে মিতিলা আক্তার মারিয়া এবং পঞ্চগড় জেলার বোদা উপজেলা ময়দানদীঘি বিএনপি যুগ্ম আহ্বায়ক আব্দুর রশিদ আরেফিনের স্ত্রী শিরিন আক্তার ও ছেলে মোহাম্মদ আব্দুল আল মাহি উপস্থিত ছিলেন।

 

 

কিউএনবি/আয়শা/১৪ জানুয়ারী ২০২৩/সন্ধ্যা ৭:৫০

Please Share This Post in Your Social Media

More News Of This Category

আর্কাইভস

July 2026
M T W T F S S
 123456
78910111213
14151617181920
21222324252627
282930  
© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত ২০১৫-২০২৬
IT & Technical Supported By:BiswaJit