মঙ্গলবার, ১৪ এপ্রিল ২০২৬, ০১:০৯ পূর্বাহ্ন

চীনা প্রেসিডেন্টকে নিয়ে সৌদি যুবরাজের নতুন সমীকরণ!

Reporter Name
  • Update Time : সোমবার, ৫ ডিসেম্বর, ২০২২
  • ১০২ Time View

আন্তর্জাতিক ডেস্ক : আরব বিশ্বের উদীয়মান নেতা হিসেবে নিজের শক্তি প্রদর্শনের জন্য মধ্যপ্রাচ্য ও উত্তর আফ্রিকার রাষ্ট্র ও সরকার প্রধানদের একটি সম্মেলন আয়োজন করছেন সৌদি আরবের যুবরাজ ও প্রধানমন্ত্রী মোহাম্মদ বিন সালমান। এ সময় চীনা প্রেসিডেন্ট শি জিনপিংও সৌদিতে থাকার কথা রয়েছে।

বিশ্লেষকরা বলছেন, পশ্চিমা মিত্রদের ইচ্ছার বিরোধিতা করে মেরুকৃত বিশ্বে নিজেদের অবস্থান জানান দিতে চাইছে রিয়াদ।  এমন সময় চীনের সঙ্গে সৌদি আরব ঘনিষ্ঠ হচ্ছে যখন রিয়াদ-ওয়াশিংটন সম্পর্ক নাজুক অবস্থায় রয়েছে। খবর রয়টার্সের। ইউরেশিয়া গ্রুপের মধ্যপ্রাচ্য ও উত্তর আফ্রিকা প্রধান আয়হাম কামেল বলেন, কৌশলগত হিসাব করে কাজ করছে সৌদি আরব। তারা ভাবছে চীনকে জায়গা দিতে হবে। কারণ অর্থনৈতিক অংশীদার হিসেবে চীনকে অগ্রাহ্য করার সুযোগ নেই।

কামেল বলেন, চীনের সঙ্গে সৌদি আরবের সম্পর্ক বৃদ্ধির ঝুঁকি রয়েছে। এতে মার্কিন-সৌদি সম্পর্কে আরও ফাটল ধরতে পারে। তবে যুবরাজ নিশ্চিতভাবে এটিকে গুরুত্ব দিচ্ছেন না। এমন সময় চীনা প্রেসিডেন্ট সৌদি আরব সফর করবেন যখন মার্কিন-সৌদি সম্পর্ক খুব নাজুক, বিশ্বের জ্বালানি বাজারে অনিশ্চয়তা এবং রুশ তেলের মূল্য বেঁধে দিয়েছে পশ্চিমারা। আর মধ্যপ্রাচ্যে চীনের ক্রমবর্ধমান প্রভাব নিয়ে ওয়াশিংটনের উদ্বেগের বিষয়তো রয়েছেই। 

বিশ্লেষকরা বলছেন, আরব উপসাগরীয় দেশগুলোর নিরাপত্তা নির্ভরশীলতার ক্ষেত্রে যুক্তরাষ্ট্র এখনও অংশীদার। কিন্তু এরপরও সৌদি আরব এমন একটি পররাষ্ট্রনীতির দিকে হাঁটছে যাতে করে জাতীয় অর্থনীতি রূপান্তর করা যায়। এমন সময় এই পথে হাঁটছে সৌদি আরব যখন বিশ্ব তেলজাত পণ্য থেকে দূরে সরতে চাইছে, যা সৌদি আরবের প্রাণশক্তি।
 
বেইজিংয়ের সঙ্গে অর্থনৈতিক সম্পর্ক গভীর করছে রিয়াদ। চীনের শীর্ষ তেল সরবরাহকারী দেশ সৌদি আরব। যদিও ওপেকপ্লাসের তেল উৎপাদনকারী রাশিয়া সস্তায় তেল দিয়ে চীনের বাজারে নিজেদের উপস্থিতি বাড়িয়েছে। কূটনীতিকরা বলছেন, চীনা প্রতিনিধিদল সৌদি আরব এবং অপর আরব দেশের সঙ্গে ডজন খানেক চুক্তি স্বাক্ষর করতে পারে। জ্বালানি, নিরাপত্তা ও বিনিয়োগ খাতে এসব চুক্তি হবে।

মানবাধিকার ও ইয়েমেনে যুদ্ধ নিয়ে বাইডেন প্রশাসনের সঙ্গে সৌদি আরবের সম্পর্ক টানাপড়েনে রয়েছে। এটি আরও বেড়েছে ইউক্রেন যুদ্ধ এবং ওপেকপ্লাসের তেল উৎপাদনের নীতির কারণে। রিয়াদভিত্তিক গাল্ফ রিসার্চ সেন্টারের চেয়ারম্যান ও সৌদি বিশ্লেষক আব্দুল আজিজ সাগের বলেছেন, আরব দেশগুলো পশ্চিমা মিত্রদের বলতে চায় যে, আমাদের বিকল্প রয়েছে এবং তাদের সম্পর্ক মূলত অর্থনৈতিক স্বার্থের ভিত্তিতে রচিত। চীনা প্রেসিডেন্টের সফর ও এজেন্ডা নিয়ে সৌদি সরকার মন্তব্যের অনুরোধে সাড়া দেয়নি।

 

 

কিউএনবি/আয়শা/০৫ ডিসেম্বর ২০২২,খ্রিস্টাব্দ/বিকাল ৪:৫৮

Please Share This Post in Your Social Media

More News Of This Category

আর্কাইভস

April 2026
M T W T F S S
 123456
78910111213
14151617181920
21222324252627
28293031  
© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত ২০১৫-২০২৬
IT & Technical Supported By:BiswaJit