ডেস্ক নিউজ : দ্বিনি অথবা দুনিয়াবি কারণে কারো সঙ্গে শত্রুতা বা মনোমালিন্য হতে পারে। কিন্তু কোনো অবস্থাতেই সেটাকে সীমা লঙ্ঘন করতে দেওয়া যাবে না। এ বিষয়ে পবিত্র কোরআনের বক্তব্য এমন : ‘ভালো ও মন্দ সমান হতে পারে না। মন্দ প্রতিহত করো উত্কৃষ্ট দিয়ে। ফলে তোমার সঙ্গে যার শত্রুতা আছে সে হয়ে যাবে অন্তরঙ্গ বন্ধুর মতো। এই গুণের অধিকারী করা হয় শুধু তাদের, যারা ধৈর্যশীল এবং এই গুণের অধিকারী করা হয় শুধু তাদের, যারা মহা ভাগ্যবান। ’ (সুরা হামিম সাজদা, আয়াত : ৩৪-৩৫)
বন্ধুত্ব ও শত্রুতার ক্ষেত্রে সীমা লঙ্ঘন করলে পরে বিষয়টি হিতেবিপরীত হতে পারে। কেননা বন্ধু কখনো শত্রু হয়ে যেতে পারে; তখন নিজের গোপনীয় বিষয় প্রকাশ করে দিতে পারে। আবার শত্রু কখনো বন্ধু হয়ে যেতে পারে। তখন শত্রুতামূলক কথা ও কাজের কারণে লজ্জিত হতে হবে। সুতরাং নিজেকে কখনো বিব্রতকর পরিস্থিতিতে ফেলতে না চাইলে অবশ্যই বন্ধুত্ব ও শত্রুতার ক্ষেত্রে ভারসাম্য বজায় রাখতে হবে। অর্থাৎ অতি বন্ধুত্ব ভালো নয়, আর অতি শত্রুতাও ভালো নয়।
মনে রাখতে হবে যে বন্ধু কখনো চিরকাল বন্ধু থাকে না, আবার কোনো শত্রু চিরকাল শত্রু থাকে না। এ বিষয়ে সতর্কবাণী এসেছে হাদিস শরিফে। আবু হুরাইরা (রা.) থেকে বর্ণিত, রাসুল (সা.) ইরশাদ করেছেন, ‘নিজের বন্ধুর সঙ্গে ভালোবাসার আধিক্য প্রদর্শন করবে না। হয়তো সে একদিন তোমার শত্রু হয়ে যাবে। তোমার শত্রুর সঙ্গেও শত্রুতার চরম সীমা প্রদর্শন করবে না। হয়তো সে একদিন তোমার বন্ধু হয়ে যাবে। ’ তিরমিজি, হাদিস : ১৯৯৭)
কিউএনবি/আয়শা/১২ নভেম্বর ২০২২,খ্রিস্টাব্দ/বিকাল ৫:০১