শনিবার, ১৭ অক্টোবর ২০২৬, ০৩:০০ পূর্বাহ্ন
শিরোনাম
প্রশ্নফাঁস চক্রে জড়িত সরকারি দপ্তরের কর্মচারীরা বিশ্বব্যাংকের সঙ্গে নতুন অংশীদারত্ব চুক্তির পথে বাংলাদেশ: অর্থমন্ত্রী শূন্যে ভাসবে টেসলার গাড়ি, উড়ন্ত স্পোর্টস কার উন্মোচন ইলন মাস্কের তরুণ ও পেশাজীবীদের টেকসই জ্বালানি উদ্ভাবনে আইডিয়া আহ্বান ধর্মীয় স্বাধীনতা ও অধিকার নিশ্চিত করা রাষ্ট্রের দায়িত্ব: নৌপরিবহন মন্ত্রী সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতি শব্দটির পরিবর্তে ধর্মীয় সম্প্রীতি বলা উচিত ফ্যামিলি ও কৃষক কার্ডে দারিদ্র্য কমতে পারে ৫ শতাংশ: ড. তিতুমীর ধর্ম যার যার, নিরাপত্তা পাবার অধিকার সবার: প্রধানমন্ত্রী জ্বালানি স্থাপনায় যুক্তরাষ্ট্রের যেকোনো হুমকির উপযুক্ত জবাব দেবে ইরান: তেলমন্ত্রী রাহুলের আচরণে অসন্তোষ, ভোটার তালিকা সংশোধন নিয়ে কেন্দ্রকে নোটিস

রিজার্ভ কমে ৩৪ বিলিয়ন ডলারের ঘরে

Reporter Name
  • Update Time : মঙ্গলবার, ৮ নভেম্বর, ২০২২
  • ১০৩ Time View

ডেস্ক নিউজ : আমদানি ব্যয় বাবদ এশিয়ান ক্লিয়ারিং ইউনিয়নের (আকু) দেনা পরিশোধের পর দেশের বৈদেশিক মুদ্রার রিজার্ভ আরও কমে গেছে। সোমবার আকুর দেনা বাবদ ১৩৬ কোটি ডলার পরিশোধ করা হয়েছে। ফলে রিজার্ভ কমে তিন হাজার ৪৪০ কোটি ডলারে বা ৩৪ বিলিয়ন ডলারে নেমে গেছে। বৃহস্পতিবার রিজার্ভ ছিল তিন হাজার ৫৭৫ কোটি ডলার। এছাড়াও আমদানি ব্যয় মেটাতে ব্যাংকগুলোকে ডলারের জোগান দেওয়া হয়েছে। যে কারণে রিজার্ভ কমেছে। তবে আন্তর্জাতিক অঙ্গনে এখনো দেনা সমন্বয় করা হয়নি। আজ এটি সমন্বয় করা হতে পারে। সমন্বয় হলেই কেন্দ্রীয় ব্যাংক রিজার্ভ থেকে ওই ডলার বাদ দেবে।

আকুর সদস্য দেশগুলো থেকে বাংলাদেশ প্রতি মাসেই রপ্তানির চেয়ে আমদানি বেশি করে। এ কারণে প্রতি কিস্তিতেই দেনা শোধ করতে হয়। এবার শোধ করা হয়েছে ১৩৬ কোটি ডলার। গত জুলাই আগস্টের দেনা গত সেপ্টেম্বরের প্রথম সপ্তাহে পরিশোধ করা হয়েছিল ১৭৩ কোটি ডলার। ওই দেনা পরিশোধের পর রিজার্ভ ৩৯ বিলিয়ন ডলারে নেমে গিয়েছিল। এবার আমদানি কমায় দেনা অনেক কমেছে। কারণ ডলার সঙ্কটের কারণে আমদানিতে বিধিনিষেধ আরোপ করায় আমদানি কমেছে। এ কারণে দেনাও কমেছে।

সূত্র জানায়, আকুর দেনা বাবদ এক সঙ্গে বেশি পরিমাণ ডলার পরিশোধ করতে হয় বলে রিজার্ভের ওপর চাপ পড়ে। গত বছরের সেপ্টেম্বর থেকে আকুর দেনা শোধের পর রিজার্ভ বেশি কমে যাচ্ছে। আগে কমে গিয়ে আবার বেড়ে যেত। এখন কমছে, কিন্তু বাড়ছে না।

এদিকে রিজার্ভ বাড়ার প্রধান দুটি উপকরণ রপ্তানি আয় ও রেমিট্যান্স প্রবাহ দুটোই কমেছে। গত সেপ্টেম্বর ও অক্টোবর দুই মাসেই এ দুই খাতে আয় কম হয়েছে। এতে রিজার্ভের ওপর চাপ বেড়েছে। গত অক্টোবরে রেমিট্যান্স কমেছে সাড়ে ৭ শতাংশ ও রপ্তানি আয় কমেছে প্রায় ৮ শতাংশ। এদিকে বৈদেশিক বিনিয়োগেও মন্দা। বৈদেশিক অনুদানও ছাড় হচ্ছে কম। আমদানি বাড়ার হার কমলেও গত সেপ্টেম্বরে বেড়েছে প্রায় তিন শতাংশ। সব মিলে বৈদেশিক মুদ্রা আয়ের চেয়ে ব্যয় হচ্ছে বেশি। ফলে বৈদেশিক মুদ্রার চলতি হিসাবে ঘাটতি বেড়েই যাচ্ছে। চলতি অর্থবছরের জুলাই সেপ্টেম্বরে এ হিসাবে ঘাটতি বেড়ে ৩৬১ কোটি ডলারে দাঁড়িয়েছে। গত অর্থবছরের একই সময়ে এ ঘাটতি ছিল ২৫৪ কোটি ডলার।

রপ্তানির চেয়ে আমদানি বেশি বাড়ায় বাণিজ্য ঘাটতি হচ্ছে। তবে সম্প্রতি আমদানি কমায় এ ঘাটতি কিছুটা কমেছে। গত অর্থবছরের জুলাই আগস্টে এ ঘাটতি ছিল ৪৫৫ কোটি ডলার। চলতি অর্থবছরের একই সময়ে এ ঘাটতি বেড়ে ৪৩০ কোটি ডলার হয়েছে। আইএমএফের নিরাপদ মান অনুযায়ী কমপক্ষের তিন মাসের আমদানি ব্যয়ের সমান রিজার্ভ থাকতে হয়। এই রিজার্ভ দিয়ে চার মাসের আমদানি ব্যয় মেটানো যাবে। তবে আমদানি কমলে পাঁচ মাসের আমদানি ব্যয় মেটানো যাবে। তবে নিট হিসাবে রিজার্ভ আরও কম। এর পরিমাণ দুই হাজার ৭০০ কোটি ডলার হবে।

 

 

কিউএনবি/আয়শা/০৮ নভেম্বর ২০২২,খ্রিস্টাব্দ/সন্ধ্যা ৭:০৩

Please Share This Post in Your Social Media

More News Of This Category

আর্কাইভস

October 2026
M T W T F S S
 12345
6789101112
13141516171819
20212223242526
27282930  
© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত ২০১৫-২০২৬
IT & Technical Supported By:BiswaJit