ডেস্কনিউজঃ বিএনপি দলীয় সংরক্ষিত নারী সংসদ সদস্য রুমিন ফারহানা বলেছেন, মেয়াদ শেষের পরে নির্বাচন কমিশনাররা সত্য বলা শুরু করে।
বৃহস্পতিবার জাতীয় সংসদে ২০২২-২৩ অর্থবছরের প্রস্তাবিত বাজেটে নির্বাচন কমিশনার সচিবালয়ের অর্থ বরাদ্দের প্রস্তাবের ছাঁটাইয়ের আলোচনায় তিনি এ কথা বলেন। এ সময় তিনি নির্বাচন কমিশন এবং কমিশনারদের বিভিন্ন বক্তব্য তুলে ধরে সমালোচনা করেন।
সদ্য সমাপ্ত কুমিল্লা সিটি করপোরেশন নির্বাচনের প্রসঙ্গ তুলে ধরে রুমিন ফারহানা বলেন, কিছুদিন আগে কুমিল্লা সিটি করপোরেশন নির্বাচনে দেখলাম মাত্র একজন এমপির হুমকি-ধমকি নির্বাচন কমিশন সহ্য করতে পারেনি। বারবার তাকে অনুরোধ করা হয়েছে, চিঠি পর্যন্ত দেওয়া হয়েছে, কিন্তু কমিশন তাকে এলাকা থেকে সরাতে পারেনি। ইসির যে নতজানু-মেরুদণ্ড ভাঙা অবস্থা, তাতে খুব পরিষ্কার বোঝা যায় আগামীতে যে জাতীয় নির্বাচন হবে, সেটা কোনোভাবেই এ কমিশনের অধীনে সুষ্ঠু হওয়া সম্ভব নয়। যে কমিশন একজন এমপিকে সামালাতে পারে না। সেই কমিশন কীভাবে ৩০০ জন সিটিং এমপিকে সামাল দিয়ে নির্বাচন করবে? সেটা বড় প্রশ্ন।
সাবেক নির্বাচন কমিশন সচিবালয়ের সচিব হেলালুদ্দীন আহমদকে স্থানীয় সরকার বিভাগে পদায়ন করা প্রসঙ্গ তুলে ধরে বলেন, এই ডাকাতদের পরবর্তী সময়ে যেভাবে পুরস্কৃত করা হয়, সেই পুরস্কার দেখে বোঝা যায় ভবিষ্যতে এ ডাকাতের সংখ্যা বাড়বে। ডাকাত যে শুধু দলীয় ক্যাডার তাই নয়, এর মধ্যে রয়েছে পুলিশ ও প্রশাসন। গোপন কক্ষে ডাকাত ধরাই বড় চ্যালেঞ্জ- ইসির এমন তুলে ধরেন রুমিন ফারহানা।
কিউএনবি/বিপুল/৩০.০৬.২০২২/রাত ৯.১৫